ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

শাস্তি হিসেবে ফাঁসি বা মৃর্ত্যুদণ্ডকে আমি কখনো সমর্থন করি না। কেন জানি ফাঁসি বা মৃর্ত্যুদণ্ডের বিষয়টিকে খুব বেশী অমানবিক এবং সভ্য সমাজের পরিপন্থি মনে হয়। তাইত খুব বেশী এবং যঘন্য অপরাধে দোষী ব্যক্তিকে ফাঁসি বা মৃর্ত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আমৃর্ত্যু জেলে পুরে রাখার পক্ষে সর্বদা কথা বলি।

তারই প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশ প্রদান করলে কেন বাচ্চু রাজাকারকে আমৃর্ত্যু জেলে পুরে রাখার আদেশ দেওয়া হল না সে ব্যপারে প্রশ্ন তুলে সমালোচনা করেছিলাম এবং ভবিষ্যতে মৃর্ত্যু দণ্ডের আদেশ দেওয়ার আগে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার দাবি তুলেছিলাম।

কিন্তু রাজাকার কাদের মোল্লাহর যাবজ্জীবন সাজার রায় ঘোষনার পর আজ কেন যেন খুশি হতে পারিনি। কেন জানি বার বার মনে হচ্ছিল ভিক্টিমের পরিবারসহ বাংগালী জাতি কি এ রায়ের ফলে ন্যায় বিচার (যদিও কোনটি ন্যায় বিচার সে ব্যাপারে অনেক বেশী আলোচনার প্রয়োজন) পেয়েছে কি?

যতই ভেবেছি ততই বিষয়টি জটিল থেকে জটিলতর আকার ধারণ করেছে। আসতে আসতে বুকের মাঝে একটা চিন চিনে বাঁথা অনুভব করতে থাকি। কেন যেন বার বার মনে হচ্ছিল হয়ত রাজাকার কাদের মোল্লাহর ফাঁসির আদেশ হলে আমি খুশিই হতাম!!!!

তাইত বুকের বাঁথাকে প্রত্যয়ে রুপান্তর করে ছুটে গেছি শাহবাগ চত্বরে। প্রতিবাদী কণ্ঠের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাবী জানিয়েছি ফাঁসির। শ্লোগানে শ্লোগানে কাঁপিয়ে তুলেছি শাহবাগ চত্বর।