ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চার অবর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামাতে ইসলামী বাংলাদেশসহ সমমনা অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে কোণঠাসা করতে গিয়ে দেশে ইসলামি জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠায় দেশী-বিদেশী চাপ সামাল দেয়া সরকারের জন্য খুব কঠিন হয়ে উঠেছিল। কিন্তু সরকারের তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা আর কূটনৈতিক কৌশলের মাধ্যমে এখন মনে হচ্ছে সে চাপ অনেকটা সামলিয়ে উঠেছে।

বিশেষ করে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন সন্দেহে একের পর এক অভিযান পরিচালনা এবং অভিযান অন্তে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের গ্রেফতার না করে সরাসরি গুলি করে হত্যার কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে জঙ্গি দমনে সরকারের কঠোর মনোভাবই প্রকাশ পাচ্ছে। জঙ্গিদের জীবিত না ধরে গুলি করে হত্যার মাধ্যমে জঙ্গিদের মধ্যে একধরণের ভীতির সঞ্চার করতে পেরেছে বলেই মনে হচ্ছে এবং আগামী কিছুদিন হয়ত জঙ্গিবাদ কিছুটা হলেও স্থিমিত থাকবে।

একজন মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবী হিসাবে দীর্ঘদিন যাবত নির্যাতন, গুম, বিনা বিচারে হত্যার বিরুদ্ধে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে আসায় বিনা বিচারে কোনো হত্যাই আমি সমর্থন করতে পারি না। কিন্তু——–

বিনা বিচারে গুলি করে হত্যার মাধ্যমে জঙ্গি নিধনের এ কৌশল সরকার যদি আরও কিছুদিন আগে গ্রহণ করত তাহলে হয়ত ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীর উত্থান এত বেশী ঘটত না এবং হলি আর্টিজান, হোশিও কোর্ণি, তাবেলা সিজার, অভিজিৎ রায়, দিপন, অনন্ত বিজয়, রাজীব হায়দার, ওয়াশিকুর বাবু, নিলয় নীল সহ অন্যান্য মুক্তমনা প্রগতিশীল লেখক, ব্লগার, অন্যধর্মাবলী ও বিদেশী নাগরিক তাদের দ্বারা হত্যার শিকার হত না।

ফেসবুক: https://www.facebook.com/Shahanur.Saikot, ডেডিকেটেড ব্লগ: https://www.shahanur.blogspot.com