ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

ঢাকা এস্কর্ট সার্ভিস, ঢাকা এন্টারটেইনমেন্ট সার্ভিস-লাভ ডেন, বাংলাদেশ এস্কর্ট, বাংলাদেশ এস্কর্ট এজেন্সী, ঢাকা এস্কর্ট, ঢাকা এস্কর্ট এজেন্সী, বাংলাদেশ এস্কর্ট গার্ল, বাংলাদেশ হাই ক্লাস এসস্কর্ট, ঢাকা কল গার্ল এজেন্সি, বাংলাদেশ টপ এস্কর্ট এজেন্সী, কল গার্ল ঢাকা, হোম সেক্স সার্ভিস ইন চট্রগ্রাম এন্ড ঢাকা, মেম্বার্স অব মেল এন্ড ফিমেল এস্কর্ট এজেন্সী ফর গার্ল এন্ড লেডিস, সেক্স ইন ঢাকা, বনবিথি কেন্দ্র, ঢকা এস্কর্ট লিমিটেড, খুলনা কল গার্ল সার্ভিস, ঢাকা হট গার্লস, কল গার্ল ওয়ান্টেড ইন ঢাকা, হোম কল গার্ল প্রোভাইডার ইন ঢাকা, কল বয় ঢাকা সিটি, ভাইয়ের মাল সরষ ইত্যাদি নামের ডজন ডজন এস্কর্ট সার্ভিসের নামে যৌন ব্যবসায় পরিচালনার আড়ালে সেক্স ট্রাফিকিং এ যুক্ত সংঘবদ্ধ চক্রের কার্যক্রমের প্রতিবাদে গত ১৩ অক্টোবর ২০১৬ ইং তারিখে ব্লগস্পটেঃ ফেসবুকে যৌন ব্যবসার রমরমা প্রচারণা: প্রশাসন কোথায়? সামু ব্লগেঃ ” অনলাইনে যৌন ব্যবসার প্রচারণার আড়ালে সেক্স ট্রাফিকিং: প্রশাসন নির্বিকার!” , বিডি ব্লগেঃ ফেসবুকে যৌন ব্যবসার রমরমা প্রচারণা: প্রশাসন কোথায়?, ইস্টিশন ব্লগেঃ ফেসবুকে যৌন ব্যবসার রমরমা প্রচারণা: প্রশাসন কোথায়? প্রকাশিত হয়। সামু ব্লগে লিখাটি স্টিকি করা হয় এবং ইস্টিশন ব্লগ সহ অন্যান্য ব্লগের ফেসবুক পেইজে লিখাটি শেয়ার করা হয়।

লিখাটির পক্ষে শতাধিক মন্তব্য ও লাইক এবং সহশ্রাধিক হিট এর ফলে লিখাটি প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর না হলেও ঐসব সেক্স ট্রাফিকার চক্রের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ফলে কিছু কিছু সেক্স ট্রাফিকার চক্র তাদের অন লাইন যোগাযোগ এবং মোবাইল নাম্বার বন্ধ করেছে। কিন্তু আশংখজনক বিষয় হল কিছু কিছ চক্র এখনো পুলিশ প্রশাসনকে উৎকোচ প্রদানের মাদ্যমে তাদের অপরাধমূলক কার্যক্রম দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে।

এমন একটি সেক্স ট্রাফিকার চক্র ঢাকা এস্কর্ট সার্ভিস http://dhakaescortservice.com/ এর পরিচালক রাজিয়েল অ্যালেক্সান্ডার ইব্রাহিম তাঁর দ্বারা পরিচালিত পতিতাবৃত্তি অবৈধ নয় এই মর্মে আজ ২১ অক্টোবর ২০১৬ ইং তারিখ ভোর: ৬:০৯ মিনিটে সামু ব্লগে মন্তব্যের মাধ্যমে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করেছে।
a1

a2

গত ১৪/১০/১৬ তারিখ দুপুর ১:০০ মিনিটে Home sex service in Ctg & Dhaka’ নামক পেইজ, যার যোগাযোগের ঠিকানা কক্সবাজার, চট্রগ্রাম ৪৭১০, মোবাইল নং-০১৮৩৯৯৮৪১১১ থেকে আমার ফেসবুকে মেসেজ করে জানায় যে তারা মাসে ২ লাখ টাকা প্রশাসনকে দিয়ে এই ব্যবসায় পরিচালনা করছে। যদিও কাকে কাকে এই টাকা প্রদান করে তা বলতে অস্বীকার করে।
hs-2

hs-3

এস্কর্ট সার্ভিস প্রদানের নামে যৌন ব্যবসার আড়ালে একজন সংঘবদ্ধ সেক্স ট্রাফিকিং চক্রের হোতা যেভাবে প্রকাশ্যে তাঁর অপরাধমূলক কাজের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে এবং কেউ তাঁর অপরাধমূলক কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাঁকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে তাতে কি বর্তমান পুলিশ প্রশাসনকেই চ্যালেঞ্জ জানানো নয় কি?

এ ব্যপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর প্রতি আহবান জানাচ্ছি!