তুষার, এক কাপ চা এবং কিছু উত্তরহীন প্রশ্ন

/

উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ জেলা দিনাজপুর। ঐতিহ্যবাহী এই জেলার দেশজুড়ে নাম আছে সাদাসিধে মানুষের বসবাসের জন্য। লিচু আর কাঠারিভোগ চালের জন্যও বিখ্যাত দিনাজপুর জেলা। জেলার সর্ববৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিনাজপুর সরকারি কলেজের কলেজ মোড়ের ফুটপাত ধরে কিছু চায়ের দোকান! তুষারের গল্পটা সেখান থেকেই। শ্যাম বর্ণের ছেলেটিকে এক নামেই চেনে দিনাজপুর সরকারি কলেজের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রী। সাদাসিধে ছেলেটির মুখে একটা… Read more »

ক্যাটেগরিঃ জনজীবন

রেললাইনের হকার

/

ছবিটি ০৯/০৩/২০১৮ তারিখ  দৌলতপুর, খুলনা এলাকায় রেললাইনের উপর অস্থায়ী কাঁচামালের বাজার থেকে সংগ্রহ করা। এখানে বাজারটি বসে প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে। পাশেই খুলনার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ সরকারী ব্রজলাল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী দৌলতপুর এলাকায় থেকে পড়ালেখা করেন। কলেজটির নিজস্ব ছাত্র ও ছাত্রী থাকার আবাসিক ভবনগুলোতে প্রচুর শিক্ষার্থী। প্রায় দশ বছর পূর্বে আমিও ছিলাম ওই… Read more »

ক্যাটেগরিঃ জনজীবন

আফতাব উদ্দিন এবং তার সুস্বাদু শন পাপড়ি

/

আগেকার সময়ে ফুটপাত কাকে বলে তা অনেকে জানতো না। ফুটপাতে থাকা নানারকম সুস্বাদু খাবারের সাথে কেউ বেশি পরিচিতিও ছিল না। ‘ফুটপাত’ হলো শহরের রাস্তার পাশে মনুষের হাঁটার সরু একটা রাস্তা। ফুটপাত যা-ই ছিল তা শুধু শহরের রাস্তার পাশেই ছিল, গ্রামের মানুষ খুব প্রয়োজন ছাড়া শহরে যেতো না। টাকা-পয়সার খুবই মূল্য ছিল। গোদনাইল চৌধুরী বাড়ি থেকে… Read more »

ভিক্ষাবৃত্তিতে শিশুরা কেন নাছোড়বান্দা!

/

আমার আপনার সামনে একজন পথশিশু যখন হাত পেতে কিছু চায় তা দেখতে কেমন লাগে? তারওপর কোমলমতি শিশুরা যদি পায়ে ধরে কিছু না পাওয়া পর্যন্ত ফ্রিজ হয়ে বসে থাকে তখন অনুভূতিটা কেমন হয়? আমরা কি আদৌ ভাবি কোন প্রেক্ষিতে একজন বয়স্ক মানুষ, প্রতিবন্ধী কিংবা অনাথ কোনো শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নামতে হয়? সমাজে সত্যিকার অর্থেই বিপুলসংখ্যক মানুষ অসহায়… Read more »

ক্লাউন নয়, ভাঁড়!

/

  চার্লি চ্যাপলিন একবার বলেছিলেন, আমি শুধু ক্লাউনই হতে চেয়েছিলাম। অবাক হবার মত বিষয়। আমাদের দেশে শিশুরা ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়, কিংবা আইসক্রিমওয়ালা বা ফেরিওয়ালা। কিন্তু কেউ ক্লাউন হতে চায় না। এর অবশ্য কারণও আছে। এদেশে ক্লাউনের কাজ মানে ভাঁড়ামিকে ভালো চোখে দেখা হয় না। ভাঁড়ের কাজ হল কাতুকুতু দিয়ে লোক হাসানো, এমনি ভাবা হয়।… Read more »

ক্যাটেগরিঃ জনজীবন

বেদে সম্প্রদায় বেঁচে থাকুক আমাদের পাশে

/

নদীতে আর খালবিলে যাদের জীবনযাপন, তারা বেদে সম্প্রদায়। নৌকাতে ঘুরে ঘুরেই তাদের চলে জীবনসংগ্রাম। তারা ভিনগ্রহ থেকে আসা কোনও এলিয়েন নয়। তারা আমাদের মতন রক্তমাংসে গড়া মানুষ। বেদে সম্প্রদায়ের লোকজন আমাদের কাছে বাদিয়া বা বাইদ্যা নামে পরিচিত। ওরা ভ্রাম্যমাণ একটি জনগোষ্ঠী। ওদের জীবন ও জীবিকা সবই নৌপথে ভ্রমণের মাঝেই চলতে থাকে। ওরা দলবদ্ধভাবে বসবাস করে… Read more »

বাতের ব্যথার মহৌষধ প্লাস্টিকের চুড়ি

/

বেদে সম্প্রদায়, নৌকাতে যাদের জীবনযাপন, আর জীবিকা উপার্জন। এই বঙ্গদেশে বেদে সম্প্রদায়ের লোকেরা একসময় ঘুরে ঘুরে তাবিজ কবজ বিক্রি করে বেড়াতো। ওরা বাতের ব্যথা নিরাময় করার জন্য মানুষের হাত পা কেটে, সিঙ্গা লাগিয়ে রক্ত চুষে আনতো। মানুষ ওদের ওই পদ্ধতিতে বিশ্বাসী ছিল। কিছুকিছু মানুষ এখনো আছে, বেদেদের চিকিৎসায় বিশ্বাসী। কিন্তু বেদেদের চিকিৎসায় বিশ্বাসী আগের মতন… Read more »

ক্যাটেগরিঃ জনজীবন

ডিম-চিতই

/

ঢাকায় নতুন এক পিঠার আবির্ভাব হয়েছে! এর নামকরণ হয়েছে ডিম-পিঠা। আমি ভেবে এবং খেয়ে দেখলাম, নামকরণ সঠিক হচ্ছে না! এর নাম হওয়া উচিত ছিল ‘চিতই-ডিম পিঠা’ অথবা ‘ডিম-চিতই পিঠা’। লিখতে যেয়ে দেখলাম- ‘ডিম-চিতই’ নামটা বেশ যায়! পিঠা বাদ দিলাম! বানানোও সহজ। প্রথমে লোহার কড়াইয়ে চিতই পিঠার জন্য চালের তরল গুঁড়ো ঢালা হয়। এরপর সেটা নরম… Read more »

নূর হোসেন মিয়ার সুস্বাদু ঘুগনি পুরি

/

মহল্লার একটি প্রাইমারি স্কুলের সামনে, ঘুগনিপুরি বিক্রেতা, নূর হোসেন মিয়া। ছবি সংগ্রহ: নিতাই বাবু। একসময় স্কুলে যাবার সময় মায়ের কাছে দুই আনা প্যসার জন্য কাঁদতাম। কোনদিন পেতাম, আবার কোনদিন পেতাম না। তখন টাকাপয়সার খুবই মূল্য ছিল। যার কাছে হাজার টাকা ছিল, লোকে তাকে হাজারি বলত। এখন অনেক হাজারি, আর কোটি টাকার মালিকও আমাদের দেশে আছে।… Read more »

বিকলাঙ্গ আসাদুজ্জামান ও ভিক্ষুকের কাছে আমাদের ‘মাপ চাওয়া’

/

আমরা সবাই মাতৃগর্ভ থেকে পুর্নাঙ্গ অবস্থায় জন্মেছি। এরমধ্যে অনেকেই জন্মেছে বিকলাঙ্গ হয়ে। আবার অনেকে পুর্নাঙ্গভাবে জন্মগ্রহণ করার পর, নানারকম রোগব্যাধির কারণেও বিকলাঙ্গ হয়ে পরে। যা আমাদের এই পৃথিবী নামক গ্রহটির অনেক দেশেই দেখা যায়। এই বিকলাঙ্গ মানুষের সংখ্যা আমাদের দেশেও কম নয়। এদের মধ্যে কারও হাত নেই, কারও পা নেই। কেউ আবার কুঁজো, কেউ আবার… Read more »