ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

এক মা তার স্কুল পড়ুয়া ছোট্ট মেয়েকে জিজ্ঞেস করল যে সে তার টিফিন ঠিকঠাক মত খেয়েছে কিনা। নিজে না খেয়ে তার বান্ধবী মিলিকে সব দিয়ে দিয়েছে কিনা। ছোট্ট মেয়েটি জানাল সে টিফিনের পুরোটাই খেয়েছে। মিলিকে সে দেয়নি একটুও। বিনিময়ে সে পেল একটা নতুন ফ্রুটিকা। মিলিকে টিফিন না দিয়ে নিজের উদরে সবটুকু চালান দেয়ার পুরস্কার হল মায়ের পক্ষ থেকে আমের জুস, ফ্রুটিকা।
আর যদি সে সবটুকু না খেত তাহলে পেত না প্রিয় ফ্রুটিকা।যথারীতি তৃপ্তির সাথে প্রিয় ফ্রুটিকা খেয়ে মুহুর্তের মধ্যে সাবাড় করে ফেলে মেয়েটি।

এখন সে তার মাকে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানাল যে সে টিফিনের সামান্যই খেয়েছিল আর বাকিটুকু মিলিকে ধরিয়ে দিয়েছিল।

আরেক মা তার স্কুল ফেরত পিচ্চি ছেলেকে স্কুলে দুষ্টুমি করেছে কিনা জানতে চাইলে সে বলল আজ সে মোটেও দুষ্টুমি করে নি। ক্লাস টিচার পড়া ধরলে একমাত্র সে-ই সঠিক উত্তর দিতে পেরেছে। চমৎকার এ পারফরমেন্সের জন্য পেল যথারীতি ফ্রুটিকা। খাওয়া-দাওয়া শেষ। এবার ছেলে রাজ্য জয়ের তৃপ্তি নিয়ে বলল –

“মা আমি পড়া পারিনি” “আর …..যখন পড়া বলছিল আমি ওর বসার জায়গায় চক লাগিয়ে রেখেছিলাম”

পাছায় চক নিয়ে ছেলেটি উঠে দাঁড়ালে ক্লাসের সবাই হো হো করে হেসে উঠল। শুনে মার তো আক্কেল গুড়ুম।

হায়রে আমাগো দেশের বেয়াক্কল নির্মাতা…
হ্যাগো জুতা খুইলা মুজা দিয়ে পিডাইতে মুন্চায়….

বড় হয়ে আমরা চোর হইব না তো কি গেরস্থ চোর হইব?
চিটিং বাটপারি তদ্বিরি ক্যামনে করতে হয় তা আমাদের সহজেই ধাতে এসে যায়……

এইসব ভন্ডামি ছাইড়া আলোর পথে না হাটতে পারলেও অন্ততপক্ষে হামাগুড়ি তো দেয়া যায়…..

ছবিঃ ইন্টারনেট।