ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

বর্তমান সময়টাই হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সময়। এ সময়ের প্রখ্যাত একজন সমাজবিজ্ঞানী (সঙ্গত কারণে নাম উল্লেখ করলাম না) সেদিন আলোচনার এক অংশে বললেন, “ চিকিৎসা বিজ্ঞানের যে হারে উন্নয়ন ঘটছে, এমন সময় আর বেশীদূরে নয় যখন মানুষ আর মরবেনা! মানে হাজার হাজার বছর বেচেঁ থাকবে!” শ্রদ্ধার সাথেই মতানৈক্য প্রদর্শণ করলাম। এই যে বিশ্বব্রহ্মান্ড, তার কতটুকু আবিষ্কার করেছে অথবা প্রমাণ করেছে বিজ্ঞান? আজকের বিজ্ঞান যা আবিষ্কার করেছে অথবা প্রমাণ করেছে তা বিশ্বব্রহ্মান্ডের কত শতাংশ?!

সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত, বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ সময় গবেষণা করে যখন কোন কিছুর সত্যতা আবিষ্কার অথবা প্রমাণ করেন, তখন দেখা যায় ঐ একই কথা কুরআন বলেছে চৌদ্দশ বছর আগেই! কিন্তু তাঁরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা প্রমাণ করা ব্যতীত কুরআনকে বিশ্বাস করতে চায়না। এমন অনেক ঘটনা আমরা জানি যারা আবিষ্কার অথবা প্রমাণ করার পর কুরআনের উপর ঈমান এনেছেন।

আল্লাহপাক কুরআনে যা আগেই বলেছেন; বিজ্ঞানীরা বহু কষ্ট করে আজ তার সত্যতা আবিষ্কার অথবা প্রমাণ করে দেখাচ্ছে। এজন্য অবশ্য বিজ্ঞানীরা একটা বাহবা পেতেই পারেন। আমি মনেকরি, কুরআনই বিজ্ঞান! বিজ্ঞান বলে আলাদা কিছু নেই। আজকের বিজ্ঞান যা আবিষ্কার করেছে অথবা প্রমাণ করেছে, কোরআন শরীফ খুলে দেখুন, চৌদ্দশ বছর আগেই তা কুরআনে পরিস্কারভাবে বিবৃত রয়েছে!! সুতরাং, বিজ্ঞান হল কুরআনকে বুঝার সহায়িকা মাত্র। স্রষ্টার সম্পাদ্য বুঝতে পারা তো আর অত সহজ কথা না !!!

 

www.facebook.com/rajuchaqladar