ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

গনতন্ত্র এখন পুলিশের বুটের নীচে

কিছুক্ষন আগেই বাংলাভিশনের সৌজন্যে গত বৃহস্পতিবারের হরতালে পুলিশের বুটের কারুকার্য দেখার সুযোগ ঘটলো। পুলিশ যেভাবে ইউসুফকে বুটের নিচে নিয়ে বুকে ও গলায় পাড়াচ্ছিলো, হতবাক করার মত। কিছু দিন আগেই বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুককে একা থাকা অবস্থায় পুলিশ যেভাবে পেটালো, এমনকি ন্যাম-ফ্ল্যাটে ঢুকেও পুলিশের হাত থেকে তার নিস্তার মিলেনি, তাতে পুলিশের আচরন ও সরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে নির্দেশের ধরন সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়। সেই দুদিন কোন উগ্র আচরন বিরোধী দল থেকে দেখানো হয়নি বলেই মিডিয়াগুলোতে প্রচারিত হয়, তারপরও পুলিশের এ আচরনের পেছনে যৌক্তিক কোন কারন পাওয়া যায়নি। এসব দেখে ও জেনেশুনেই ভ্রাম্যমান আদালত বুটের নিচে পিষ্ট হওয়া ইউসুফকে উল্টো ১ বছরের কারাদন্ড প্রদান করে। গত বৃহস্পতিবারের অমানবিক আচরনের নায়ক পেট্রোল ইন্সপেক্টর হাজ্জাজের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর এলাকা গোপালগঞ্জে, এমনকি ভিকারুন্নেসার ছাত্রী লাঞ্ছনার নায়ক ও জাবির মানিকের যোগ্য উত্তরসূরী পরিমলের বাড়িও এই গোপালঞ্জেই। এসব গন্ডারের শক্তির উৎস কোথায়, সেটা সহজেই বোঝা যায়। অথচ আইন শৃংখলার অবস্থা এখন খুবই নাজুক, খোদ ঢাকাতে প্রতিদিনই খুন হচ্ছে (আজও এক ডাক্তারের লাশ উদ্ধারের খবর দেখতে হয়েছে), তার উপর ইদানিং বেওয়ারিশ লাশের স্তুপ তৈরি হচ্ছে ঢাকা মেডিকেলে। সব কিছু দেখে মনে হয়, খুন হয়ে যাওয়া, হারিয়ে যাওয়া এসব নাম না-জানা মানুষদের ব্যাপারে কোন মাথা ব্যাথাই আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও সরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাই, বরং র‌্যাব-পুলিশ দিয়ে নিজেদের মত করে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই যেন উনাদের লক্ষ্য!