ক্যাটেগরিঃ প্রবাস কথন

 

“সুপরিকল্পিতভাবে শিশুদের হিন্দি ও উর্দু শেখানো হচ্ছে” এই লেখা টা পড়ে কিসু কথা মনে পড়লো। তাই ভাবলাম ব্লগার দের সাথে শেয়ার করি।

কোপেনহাগেন এ হাতে গোনা কয়েকটা মসজিদ আসে। এর মধহে একটা পাকিস্তানী বেসড মসজিদ আছে, যেখানে অনেক বাংলাদেশী অ্যাক্টিভ ভূমিকা পালন করে। অ্যাক্টিভ ভূমিকা পালন করা খারাপ না , মসজিদ এর জন্য কাজ করা অনেক ভাল কাজ। কিন্তু আমার প্রবলেম হচ্ছে এই মসজিদ এ যত টাকা দান করা হয়, সব যায় পাকিস্তানে। যখন দোয়া করা হয়, দোয়া হয় ‘পাক জামিন’ এর জন্য।
আমার বাংলাদেশে ভো গরীব লোকের অভাব নাই, দোয়া ও বাংলাদেশের অনেক দরকার।

এই বিষয় টা নিয়ে, বাংলাদেশ অ্যাসোশিয়েশন এর একজনের সাথে কথা বললাম। বললাম এইখানে ভো প্রায় 1000 বাংলাদেশী আছে , যাদের অনেকে বড় বাবসা অথবা চাকরি করে, আমরা কি একটা মসজিদ এর বাবস্তা করতে পারিনা?
ভদ্র লোক বলল ‘ভাই, পলিটিক্স এর জন্য পারিনা’ !!
আমরা পাকিস্তানীদের সাথে উর্দু কথা বলব, তাদের দেশের জন্য দোয়া করব, অথচ পলিটিক্স করব নিজের দেশের লোক দের সাথে।

আমাকে একাধিক পাকিস্তানী জিজ্ঞাসা করেছে ‘আপনি উর্দু জানেন না, সব বাঙালি ভো উর্দু জানে’ ।
আবার অনেক পাকিস্তানী আছে যারা জানে বাংলাদেশে কিসু জায়গায় উর্দু চলে।

সেইদিন আমার এক বন্ধু এক মজার কথা বললো, সে যেখানে কাজ করে ঐখানে এক বাঙাল আছে যে কী না হিন্দী/উর্দু তে কথা বলে । এমনকি বাংলাদেশী দের সাথেও। এটা কিন্তু মজা করে না , সে সিরিয়াসলি সবার সাথে হিন্দী/উর্দু তে কথা বলে।