ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

কেউ কি জানে কোন অদ্ভুত সময় পার করছি আমরা? কেউ কি এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে? বুয়েট, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে অশান্ত পরিস্থিতি। পদ্মা সেতু নামক বিলাসিতা, কুইক রেন্টালে বিদ্যুৎ নিয়ে অস্থিরতা, একের পর এক গুম, হত্যাকারীকে খুঁজে না পাওয়া, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি মুখে যাত্রা ……আর এর সাথে যুক্ত হয়েছে বিশিষ্ট বাক্তিদের বিশেষ বিশেষ বানী! তারপরও আমরা শুধু দেখেই যাচ্ছি। জাতি হিসাবে আমরা এতটাই ভীরু হয়ে গিয়েছি যে, আজ প্রতিবাদ করতেও ভয় পাই। কারণ প্রতিবাদ করতে গিয়ে যে রক্ত ঝড়ে, তার কোন বিচার নাই। স্বাধীন বিচার বিভাগের নামে কি চলছে কে জানে! একের পর এক সপ্রনদিত রিট হয়, কিন্তু কোন কাজ হয়না। বিচারের বানী এখন চিৎকার করে কাঁদে, তারপর ও আমরা প্রতিবাদ করিনা। জাতি হিসাবে আমরা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছি। ভয় হয়, গেলেই তো যন্ত্রণা। তাই ঘরে বসে উঃ! আহ! করে যাচ্ছি। ব্লগে লিখছি, পত্রিকায় লিখছি, চায়ের দোকানে ঝড় তুলছি, বাসে বসে সবাইকে সরার জ্ঞান দিচ্ছি… কিন্তু যখন দায়িত্বের কথা আসছে তখন এড়িয়ে যাচ্ছি।

আমার মনে হয় দীর্ঘ দিন নারী নেতৃত্ব মানতে মানতে আমাদের মনে তার ছাপ পড়ে গেছে। কাউকে দোষ না দিয়ে আমরা কোন কথা বলতে পারিনা, কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারিনা, নেতিবাচক কথা ছাড়া ইতিবাচক কথা বলতে পারি না। আমাদের দেশে সত্যিই পরিবর্তন দরকার। সব কিছু বাদ দিয়ে ছেলে সরকারপ্রধান চাই, এই আন্দোলনে নামা উচিত। আমেরিকার সংবিধানে নারীরা সর্বউচ্চ পদে থাকতে পারবে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না, এই আইন করে দেয়া। হ্যাঁ/ না ভোটের বাবস্থা করে সংসদে এই বিলটা পাস করা জরুরি। আমরা তরুণ’রা বের হয়ে আসতে চাই, এই কুটনামির রাজনীতি থেকে। আমাদের মাঝে কেউ কি নেই এগিয়ে আসবে নতুন ভাবনা নিয়ে, নতুন চিন্তা নিয়ে। যারা “ পঞ্চ বার্ষিক পরিকল্পনা” দেবে না। “শত বর্ষের পরিকল্পনা” দেবে। একজনের পর একজন তা বাস্তবায়ন করে যাবে। যার নীতিতে কোন গালি গালাজ আর অদ্ভুত বাংলা ভাষা থাকবে না। সম্ভব কি এরকম কাউকে পাওয়া?! না আমরা তরুণেরা শুধু আলোচনার ঝড় চালিয়ে যাব, কোন সমাধানে যাব না?