ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

বুদ্ধির রাজনীতির চরম খেলা দেখাল বর্তমান সরকার। তবে এই কাজের জন্য তারা যে আনোয়ার স্যার এর মত একজন বিজ্ঞ লোককে ব্যবহার করবে তা বোঝা বড় কষ্টকর ছিল। শিক্ষকেরা নতুন করে আন্দোলন শুরু করায় বিরক্ত হয়েছিলাম, কি চায় এরা? তারপর দেখালাম উপাচার্য হবার প্রার্থীদের নাম! যখন নির্বাচন প্যানেলে সাবেক উপাচার্য ছিলেন তখনি সন্দেহ দানা বাধে মনে। ঠিক তাই হয়েছে। সিন্ডিকেট নির্বাচন না দিয়ে, আদালতের রায় নিয়ে এই নির্বাচন করার অর্থ ছিল সাবেক উপাচার্য কে তার স্বীয় পদে বসানোর চেষ্টা মাত্র! এই ছিল তাদের মনে? আর এর অনুঘটক হিসাবে আনোয়ার স্যার কাজ করে গেলেন! এখন আমাদের অপেক্ষায় থাকতে হবে মাননীয় আচার্যের। আমার মনে হয় তিনি অন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কে অস্থিতিশীল অবস্থার দিয়ে ঠেলে দেবেন। তাছাড়া আর কি-ই বা আছে তার করার!

মাননীয় সরকারের কাছে আকুল আবেদন, আপনাদের দুই দল রাজনীতি করেন, যেভাবে ইচ্ছা। কিন্তু ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই ধরণের নাটক আপনাদের কাছে থেকে শোভা পায়না। “ভিক্ষা চাই না মা কুত্তা ঠেকাও” এই অবস্থা হয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর। ভিন্ন সরকারের ভিন্ন চিন্তার কারণে আজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলো মেরুদণ্ডহীন হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকের মানে, গুণে, আর বিচারে এই দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় তার মান ধরে রাখতে বার্থ, কারণ এবং একমাত্র কারণ সরকার। শিক্ষা বাবস্থায় প্রতিটা সরকারের কাল থাবা জাতি হিসাবে আমাদের শিক্ষাখাত কে ধীরে ধীরে ধ্বংস করছে। মাননীয় আচার্য, আপনিও এখন সেই পাপের অংশীদার হতে চলেছেন……।