ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

 

শিরোনাম ছিল ”ওড়ার আগেই মুখ থুবড়ে পড়লো দোয়েল”।

খুব আগ্রহ নিয়েই লিখাটা পড়লাম । এই ভয়টাই হচ্ছিল যেদিন থেকে দোয়েল চালু হল। টাকার কাছে নীতি না আবার পরাজিত হয়। হয়েছে; তাই হয়েছে। টেলিটক, অপটিক্যাল ফাইবার, টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারের মত দোয়েলকেও উড়তে দেয়া হল না। তথাকথিত বাণিজ্যিক আগ্রাসনে হয়তো উচ্চ শ্রেণীর কোন কর্মকর্তা বা তাদের সমষ্টি আবার নীতি বিসর্জন দিয়ে অবুঝ গান আমাদের শোনালেন। অর্থের অভাবে নাকি দোয়েল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর চেয়ে বড় হাসির ব্যাপার আর কি হতে পারে? আসল কথা বলেন না কেন, ব্রান্ড কোম্পানি গুলোর কাছে থেকে টাকা নিয়ে টেলিটক এর মত দোয়েল ও অপ্রকাশিত হয়ে থাকবে। টেলিটকের ব্যান্ড-উইথ ব্যবহার করে গ্রামীণ ফোন সরকারকে রাজস্ব দেয় ৩৫০ কোটি টাকার ওপর প্রতি বছর। অথচ টেলিটক এর নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়না। কি অদ্ভুত? টেলিটক নাকি লোকসানে যাচ্ছে! এরকম হাসির কথা আমাদের শুনতে হয়, মানতে হয়, বিশ্বাস করতে হয়। লিপু নামে একজন এই দেশে বসে লিমুজিন বানিয়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। আমরা কয়দিন তাকে নিয়ে মাতামাতি করলাম। অথচ গাড়ি বানানোর জন্য কোন শিল্প কারখানা এই দেশে হল না! কারণ তাহলে পথে বসে যাবে হাজার কোটি টাকার গাড়ি দুর্নীতি, যা প্রতি বছর হচ্ছে। খুব আশা ছিল সরকার খুব কম দামে ল্যাপটপ(নোট বুক) এর এই সেবা সবার কাছে পৌঁছে দেবে। কিন্তু আবার দেখা গেল তাদের স্বদিচ্ছার অভাব। আবার তারা প্রমাণ করলো, তারা বেচে থাকতে এই দেশের উন্নতি হতে দেবে না। কারণ এই দেশের জনগণের হাত-পা তো দোয়েলের মতই বাধা। দোয়েলের ওড়া তাই বুঝি আর হল না।