ক্যাটেগরিঃ স্যাটায়ার

পেটে ভাত নাই, পাছায় ত্যানা নাই; ম্মাগো ম্মা আমরা মেকাপবক্স দিয়া কি করুম? ইউনুসের নোবেল দিয়া আমাদের কি কাম? বিদেশীগো কাছে ভাবের মূর্তি বানাইয়া বেচমু? এসব আকামের কতা আর কইয়েন্নাতো। ভালা লাগে না। ইউনুস সাহেব পুরা বাংলাদেশরে যাদুঘর বানায়া ছাড়বেন। তারে এখানেই থামান। রাষ্ট্রের চেয়ে গুটিকয়েক ব্যক্তি ম্যালা ক্ষ্যামতাধারী হইয়া যাইতাচ্ছে। তাগোরে থামান। নোবেলের মতো একটা পুরস্কার ইউনুসরে বানাইছে ঈশ্বর, তার গেরামীন ব্যাংকরে বানাইছে গয়া কাশী। আমরা সেখানে যাইতে পারি না, চাইও না। বিডি নিউজের রিপোর্টের কইলজার উপ্রে দেখি অনেকে গালে হাত দিয়ে জিরান দিতাছে। ধুর মিয়ারা! যানতো। গিয়া খৈ ভাজেন, কেজির দরে বিক্রি করেন। পকেটে কিছু টাকা জমিয়ে জমিলা খালার দোকান থেকে শীতের পিঠা খান। নিজেরও ইনকাম জমিলা খালারও ইনকাম। খালারে আর ঋণগ্রস্ত হতে হবে না।

এরপর মান্নান সাহেব আইছেন বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দরের জন্য রক্ত দিতে। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান সাহেবকে বলতে শুনলাম ভৈরবকে জেলা বানানোর জন্য প্রয়োজনে রক্ত দিবেন। দলের সাধারণ নেতাকর্মীদের রক্ত খাইতে খাইতে এগো কাছে রক্তের দাম ম্যালা সস্তা। কয়দিন পর নাতি নাতনীরে যখন কমু “তিরিশ লাখ মানুষের রক্তে পাওয়া আমাগো স্বাধীনতা”- তখন তারা কইবে – “এতো সস্তা জিনিস ত্যাগ করে কিসের আবার মহত্ব, এর চেয়ে পাকিস্তানীদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে নিজের ক্ষমতা ত্যাগ করা অনেক উন্নত উদাহরণ হইতো। ক্ষমতা খুব মূল্যবান জিনিস। রক্তের চাইতেও”!