ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা, ব্লগ সংকলন: সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড

খবর : সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আরো পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিন করে হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত।
এজলাসে দাঁড়িয়ে আসামিরা এবং আদালত প্রাঙ্গণে তাদের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলার সঙ্গে তারা কোনোভাবেই জড়িত নন।
বিস্তারিত http://bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=207875&hb=5 এই লিংকে।

মানবিকতার দোহাই দিয়ে বলছি নিরপরাধ মানুষগুলোকে বাঁচতে দিন। সাগর-রুনিতো মরেই গেছে, তাদের হত্যার বিচারের নামে কিংবা সাংবাদিকদের খুশি করতে এই মানুষগুলোকে এবং তাদের পরিবারকে জ্যান্ত মেরে ফেলবেন না। আর সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ ভালো করে অনুস্ধান করুন, গোজামিল বের করে মানুষকে দেখান। ছেড়ে দেবেন না কারন আপনার সাথেও এমন হতে পারে।

এখন কথা হল বাংলাদেশের সরকার বা পুলিশ এ দেশের মানুষকে বোধাই/ছাগল মনে করে। এই দেশে পুলিশ দ্বারা সবই সম্ভব। চোরকে সাধু আর সাধুকে চোর বানানো এই দেশের পুলিশের নতুন কোন আচরন নয়। আর সরকার, এই প্রসঙ্গে আর নাই বললাম। কারন এদেশের রাজনীতি কেমন আর কিভাবে চলছে সেকথা সবাই জানে। পরোক্ষ রাজতন্ত্রে দেশ চলছে। দেশটা কারও বাবার নয়তো কারও স্বামীর।
জজ মিয়া নাটকের কথা কি পুলিশ ভুলে গেছে? যদি তারা ভুলেও যায় দেশের সকলের মনে আছে। তাই দেশের সরকার বা পুলিশের কাছে অনুরোধ, পারলে নতুন কোন নাটক দেখান। এই পুরোনো ধারার নাটক দেখাবেন না। দেশের বেশিরভাগ মানুষ জানে আসলে কি হচ্ছে। কোন সরকারই দেশের পুলিশ বাহীনিকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়নি। তাদেরকে ব্যাবহার করা হয়েছে সরকারের পেটোয়া বাহীনি হিসেবে। সরকারের বিভিন্ন নাটকের আর্ট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করে।

টিভি মিডিয়ায় দেখলাম এই হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামীদের স্বজন ও সন্তানদের আহাজারী। ঘটনার ৭ মাস পর সন্দেহভাজন লোকদের গ্রেফতার করে সরকার আসলে কি বোঝাতে চাচ্ছে? আমরা সব পারি। কোথা থেকে ডিএনএ টেষ্ট করাচ্ছেন সে কথাও তো বলছেন না। এমনওতো হতে পারে, কমদামী কোন ল্যাব থেকে কোনরকম একটা রিপোর্ট বানিয়ে সকলকে দেখিয়ে দিলেন। জজমিয়া নাটকে পুলিশ ধরা খেয়ে তারা এখন অবিশ্বাসী। দেশের মানুষের কাছে তারা প্রতারক। তাই আমরা আপনাদের যা খুশি তা বললে আপনারা আশা করি রাগ করবেন না।