ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

আবার যুদ্ধে যাবার ইচ্ছা পোষণ করছি। প্রশ্ন উঠতেই পারে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের বিনিময়েই তো এ দেশ । স্বাধীনতার ৪ দশকে এসে এ আবার কোন যুদ্ধ। পৃথিবীর মানচিত্রে আমাদের অস্তিত্ব আছে, রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস, অর্জনের খাতা তথাকথিত ভাবে সমৃদ্ধ , তবে?

কিন্তু কেনই বা যুদ্ধে যাবো না? এ যুদ্ধ অভ্যন্তরীণ পরাধীনতার বিরুদ্ধে, এ যুদ্ধ তো ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। এ যুদ্ধ যারা দেশ কে স্বীকার করেনি তাদের বিরুদ্ধে, এ যুদ্ধ মানবতার যুদ্ধ, এ যুদ্ধ অধিকার আদায়ের, এ যুদ্ধ আবাল, বৃদ্ধ, বণিতার । স্বাধীনতার এতগুলো প্রহর পেরিয়ে এসে হতাশার সহিত বলতে হয় কি পেয়েছি বা কি পেরেছি? না পেরেছি মুক্তিসেনাদের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে , না পেরেছি ক্ষুধা, দারিদ্র, বৈষম্য মুক্ত বাংলা গড়তে । আজো ৫টি মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে পারেনি রাষ্ট্রযন্ত্র । রাষ্ট্র অবশ্য তেমন কিছুই পারেনি । সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হতে পারত বাংলাদেশ কিন্তু তা না হয়ে বাংলাদেশ এখন সব পেয়েও হারানোর দেশ । এখানে ধর্মীয় গোঁড়ামি ব্যাঙের ছাতার মতন গিজগিজ করছে, এখানে রাষ্ট্র নিজেই ধর্মীয় বৈষম্য সৃষ্টি করছে , রাষ্ট্র নিজেই জনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছে । স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ আজ সুদুর পরাহত । দিনের পর দিন রঙ্গিন ফানুস ফিকে হয়ে আসছে । জং ধরে আস্তে আস্তে মলিন হয়ে আসছে । সরকারগুলো কখনো কখনো গায়ের জোরে মসনদে বসলেও অধিকাংশ সময়ে জনগণের কোলে চড়েই নৃপতির ভূমিকায় সমাসীন হয়েছে। কিন্তু তারপর? যথারীতি আমাদের সামনে ঘূর্ণায়মান মুলা ঝুলিয়ে নিজেদের আখের ঘর ঘোচাতে সময় পার করেছে রাজনীতিবিদরা । সেটা বি এন পি , লীগ বা এরশাদ যারাই এসেছে তারাই সুচারুরূপে কাজটি সম্পন্ন করে গেছে । ক্ষমতাই এসে তারা গণতন্ত্রকে পরিবারতন্ত্র বানিয়েছে বা স্বৈরতন্ত্র বানিয়েছে , আর তার ডামাডোলে পরে আমরা হয়েছি বাকহীন জাতি । ক্ষমতাই আসতে যে কোল অপরিহার্য ছিল সেটার কোন মূল্য থাকে না আসার পরে ।

রাজনীতি আমাদের স্বাধীনতা এনে দিলেও প্রত্যাশিত মুক্তি এনে দিতে পারেনি। বরঞ্চ বলা যায় ৭১ পরবর্তী রাজনীতি জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে । রাজনীতির কুটিল আবর্তে পড়ে আমরা জাতি হিসেবে আজ পথভ্রষ্ট । দিকভ্রান্ত নাবিকের মত আমরা মাঝ সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছি । গণতন্ত্রের রঙ্গিন মোড়কে বারবার এখানে এসেছে পরিবারতন্ত্র , সামরিক তন্ত্র , দুঃশাসন , । স্বাধীনতার ৪ দশকে এসেও তাই আজ মুক্তিযোদ্ধারা না খেয়ে , অনাহারে দিনাতিপাত করছে । আর রাজনীতিবিদরা ফুলে ফেঁপে উঠে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন । কেন এই বৈপরীত্য ?

লীগ , বিএনপি , এরশাদ সবাই ক্ষমতাই এসে রুটিন মাফিক কিছু কাজ ছাড়া তেমন কিছু সম্পাদন করতে পারেনি । রাজনীতির নীতিবিরোধী পলাশীতে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল সেই অনেক বছর আগেই । এরপর ব্রিটিশ শাসন, পাকিদের দমন নিপীড়ন পেরিয়ে আজ ভারতের খবরদারিতে এসে ঠেকেছে ।

স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের সরকারগুলোর হালহকিকত নিম্নে যৎসামান্য উল্লেখ করা হল :-

দেশ স্বাধীনের পর সবচাইতে বেশি সময় ধরে রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল বিএনপি । বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে বিএনপি উপহার দিয়েছে ধর্মীয় গোঁড়ামিমুক্ত, দুর্নীতিগ্রস্ত ও মৌলবাদীদের স্বর্গরাজ্য হিসেবে বাংলাদেশকে । সামরিক শাসক জিয়াউর রাহমান জামাতিদের পুনর্বাসন করেছে । তার ই ধারাবাহিকতায় তারা স্বাধীন দেশের পতাকা উড়িয়ে , মন্ত্রী হয়ে সদর্পে ঘুরে বেড়িয়েছে । এটার চাইতে বড় কষ্ট আর কি হতে পারে । বি এন পির শাসনামল দেশকে পরিনত করেছে বোমার রাজ্যে ,উপহার দিয়েছে তারেক, হারিস, ফালু, হুদার, মামুন এর মত মহা দুর্নীতিবাজদের । তারা বিগত ৫ বছর জনগণের টাকা নিয়ে নয়-ছয় করেছে আর সাধারন মানুষ না খেয়ে মরেছে । হাওয়া ভবন থেকে সারা দেশ শাসন করে দেশকে উফার দিয়েছে তাজুল, হান্নান,বাংলা ভাই, আব্দুর রাহমান এর ভয়ংকর ধর্মান্ধদের । যারা দেশকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করেছিল । সারা দেশকে পরিনত করেছে অপরাধীদের, মৌলবাদীদের, ধর্মান্ধদের । ভাঙ্গা সুটকেস থেকে জিয়া পরিবার হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক । টাকা পাচার করেছে বিদেশে নামে বেনামে । এটাই হল বি এন পির মূলনীতি । ক্ষমতায় যাও আর বেশি করে টাকা খামাও । অবশ্য এটাই হওয়ার কথা যে দলটির আদর্শের বালাই পর্যন্ত নেই তাদের অবস্থা আর চাইতে ভালো কি হবে । তথাকতিত ডানপন্থার আড়ালে বি এন পির মূলমন্ত্র দুর্নীতি করা, যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া । মুখে ভারত বিরোধিতা আর ক্ষমতায় থাকাকালে দহররম মহররম করা আর এটার মধ্যেই জনগণের সহানুভূতি আদায় কররা বৃথা চেষ্টা । ক্ষমতায় থাকতে এরা আবার ভারতকে প্রভু মানে । অবশ্য যারা ভারতের তথাকথিত বন্ধু তারাও অবশ্য ভারত এর কাছ থেকেই সুবিধা তো দুরের কথা ন্যায্য পাওনা টুকু পর্যন্ত আদায় করতে পারেনি । বরঞ্চ বলা যায় ভারতকে বিনা মূলে ট্রানজিট , স্থল বন্দর, নৌ পথ সহ যাবতীয় সকল সুবিধার দ্বার খুলে বসে আছে । আজ পর্যন্ত কোন দলই ৭৪ সালের সম্পাদিত মুজিব ইন্দিরা চুক্তিও বাস্তবায়ন হয়নি । যাদের করার কথা তারাও ভারতের পদ ধুলি নেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে ।

কিন্তু স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির একক দাবীদার বলে খ্যাত আওয়ামী লীগ কি দিয়েছে ? শুধু মাত্র সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্লোগান তুলে, ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে লোক দেখানো কথা বলা ছাড়া তেমন কিছুই করতে পারে নি । যদিওবা মুজিব হত্যার বিচার শেষ করা বা চার নেতা হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু করার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাতে হয় । কিন্তু দেশকে একটি সন্ত্রাসী জনপদে পরিনত করা , গডফাদার কেন্দ্রিক রাজনীতির সুচনা করার বদনাম লীগকেই বহন করতে হবে । শেখ মুজিব কে একক সম্পত্তিতে পরিনত করা বা এক নেতার এক দেশ এহেন মনোভাব লীগের অতীত ইতিহাস এর তীব্র বিরোধী । এখনো তাদের গায়ে লেপটে আছে বাকশালের গন্ধ , লেপটে আছে মত প্রকাশের অধিকার হরন এর মনোভাব , এখনো বহাল আছে প্রতিবেশী কেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি তৈরি কররা ঘৃণ্য চেষ্টা ।

আজ নব্য লিগারদের হাতে ভাসানি মুজিবের লীগের অবস্থা নতুন করে বলার দাবি রাখে না । অথচ কি সুবর্ণ সুযোগ ই ছিলা তাদের হাতে সামনে । কিন্তু মুজিব পরবর্তী লীগ আস্তে আস্তে তাদের ইতিহাস নষ্টই করেছে । যে ইতিহাস ছিল বাঙ্গালীর স্বাধিকার আন্দোলনের , যে ইতিহাস ছিল অধিকায় আদায়ের, যে ইতিহাসের মূলমন্ত্রই ছিল অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের । কিন্তু এখন লীগে ছড়াছড়ি আবুল এর মত আপাদমস্তক দুর্নীতিবাজদের , সাহারার মত নেত্রী ভক্ত মন্ত্রীদের । আজ লীগে শাওন, বদি, রনি,হাজারির দাপটে মুজিব আদর্শ লীগারদের কোন দাম নেই ।

ধর্মীয় লেবাসে ক্ষমতায় আসা সাবেক সামরিক শাসক এরশাদ দেশকে পরিনত করেছেন কালোবাজারিতে , ছাত্র সমাজের উপর ট্রাক তুলে দিয়ে ছাত্র অধিকার আন্দোলনকে স্তব্দ কারীরা বৃথা চেষ্টা করেছিলেন । এরশাদ যিনি দেশকে পরিনত করেছেন ধর্মীয় গোঁড়ামিতে । ব্যালট বাক্স চুরি করে দেশে ভোট চুরির উৎসব শুরু করেছিলেন এই সামরিক শাসক । যিনি নিজে সাইকেল চড়ে অফিস করে জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার কাজে লিপ্ত ছিলেন । একাধিক নারীর সাথে সম্পর্ক করে যিনি নিজেকে নারীলোভী হিসেবেই প্রমান করেছেন । কিন্তু যে মানুষটির এত অপকর্ম , যার হাতে এখনো রক্তের দাগ লেগে আছে তার পেছনেই ছুটছে রাজনৈতিক দলগুলো । এরশাদ আজ মজাদার সন্দেশে পরিনত হয়েছে । লালদীঘির সেই ভয়াল অধ্যায় চাপা দিয়ে লীগ এর ক্ষমতার অংশীদার এরশাদ । এরশাদ রাজনীতির আকাশে শুকতারা যার পেছনে ছুটছে বিএনপি, লীগ ।

অবশিষ্ট রইলো নামসর্বস্ব কিছু বাম দল এবং ধর্মের নামে কিছু ধর্মহীন দল । বাম দলগুলোর জনসমর্থন কম হলেও এদের মধ্যে গোত্রের কিন্তু অভাব নেই । ক্ষমতার মোহে পড়ে তারা আজ পথভ্রষ্ট , নীতিহীন । ক্ষমতার জন্য নিজেদের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে তারা আজ নৌকাই হাবুডুবু খাচ্ছে । এরাই বলে আনবে আবার সমাজতন্ত্র !

আর ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্ছার মত লাফালাফিতে মত্ত ইসলামি দলগুলো । এরা ও বাম দের মত নানান গোত্রে বিভক্ত । ধর্মের আড়ালে এরা জড়িত দেশকে আফগানিস্থান বা পাকিস্তান বানাতে । সমর্থন সবাই মিলে ১০% হবে না কিন্তু তাদের কথা শুনলে মনে হয় এরাই বাঙলার কর্তাবাবু । তাই তো ৮৫% ইসলামি অনুসারীর দেশে রাষ্ট্র ক্ষমতা তো অনেক দূরের কথা ভোটের রাজনীতিতে ফ্যাক্টর হিসেবেও কাজ করে না । কখনো এরা লীগের ঘাড়ে আবার কখনো বিএনপির ঘাড়ে বসে এরা তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালিত করছে । হালহকিকত দেখে বুঝা যায় এদের সামনে বিলুপ্ত হওয়ার দুর্লভ হাতছানি অপেক্ষা করছে ।

বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনীতির হালহকিকত দেখে প্রতীয়মান হয় যে, এদের রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের মুক্তি সদুর পরাহত । জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস এটা শুধু মাত্র মুখের বুলিতে পরিনত হয়েছে । এখন বাকি আছে বিকল্প ( সেনাবাহিনী ছাড়া ) । যারা সত্যিকার অর্থে মানবীয় মূল্যবোধের আলোকে সমাজ বিনির্মাণ করবে । মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নের সোনার বাংলাই রুপান্তর করবে। অপেক্ষার পালাকে দীর্ঘ না করে আমাদের উচিত হবে মিশর, কিউবা,সিরিয়া,লিবিয়ার মত বিপ্লব করা । গণতন্ত্রের আড়ালে সামরিক তন্ত্রদের দূর করে জনতার সরকার আনয়নে সাধারন মানুষের বিপ্লব করা আজ অনিবার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে । শেষ পরিস্তিতি মতে রাজনীতি সেই পূরানো খোলসেই ফিরছে আবার । আবার শুরু হয়েছে দোষারোপের খেলা । নতুন করে শুরু হয়েছে গুমতন্ত্র , আইন শৃঙ্খলার অবস্থা সর্ব কালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে , দ্রব্য মুল্লের দাম আকাশ ছোঁয়ার অপেক্ষায় আছে । দেশের রাজনীতি যতই খারাপ হবে বিদেশিদের ততই লাভ । আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী । সই হতে পারে বাণিজ্য চুক্তি অবশ্য পুরানো বোতলে এটা নতুন মদ নেওয়ার মত । আবার দুই নেত্রীর সাথে বৈঠক হবে হিলারির । দুই পক্ষকে অভয় দিয়ে রাজনীতির খেলাকে আরও জটিল করে তুলবেন হিলারি । দুই নেত্রী যেহেতু দুই দলের প্রতিনিধিত্ব করেন সেহেতু এদের মধ্যে বিরোধ বিদেশিদের আশাবাদি করে তুলেন এটাই সাধারন মানুষের ধারনা । শ্রীলঙ্কার গার্ডিয়ান পত্রিকার খবর মতে সরকারের একটি অঙ্গসংস্থার সার্বিক তত্ত্বাবধানে হিটলিস্ট তৈরি করে বাছাই করে গুম করা হচ্ছে সরকারের রাজনৈতিক বিরোধীদের । এটা যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে বলা বাহুল্য দেশ হিসেবে অচিরেই তলানিতে চলে যাচ্ছি আমরা । রাষ্ট্র যখন খুভ বেশি গোয়েন্দা নির্ভর হয়ে পড়ে , যখন আমলাদের কথা ছাড়া কিছুই করে না তখন রাষ্ট্রের মৌলিক অবকাঠামো গুলু ভেঙ্গে পড়ে । বস্তুত বর্তমান অবস্থা পুরোটাই মানবতা বিবর্জিত । ৭১ রে পক্ষান্তরে আমরা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করেছিলাম পরাভুত করেছিলাম মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রতিভূ পাকি হানাদের । কিন্তু স্বাধীনতার পড়ে সেই ধারা আর ধরে রাখতে পারিনি । যার ফলশ্রুতিতে তাদের ভয়াল থাবা আমাদের উপরে ঝুলে আছে । অনেক কষ্টে অর্জিত স্বাধীনতা আজ দুর্বৃত্তায়নের পথে হাঁটছে , এবং তা ক্ষমতালোভী রাজনীতিবিদদের কারনেই । সাপ্তাহিক এর নির্বাহী সম্পাদক “শুভ কিবরিয়া”র সাথে একাট্টা হয়ে বলতে চাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেমন লিগ বি এন পি ক্ষমতায় যেতে মরিয়া ঠিক তেমনি আমাদের খনিজ সম্পদ গুলু দখলে মরিয়া বিদেশিরা। বাংলাদেশের সমুদ্র সীমা নিয়ে আমেরিকা, রাশিয়া বা চায়নার সাম্প্রতিক চিন্তা ধারা দেখে তাই মনে হচ্ছে । আসল কথা হচ্ছে রাষ্ট্র যতদিন পর্যন্ত একটি সংগঠন হিসেবে গড়ে না উঠছে ততদিন পর্যন্ত মুক্তি অসম্ভব ।

তবে দেশে সাধারন মানুষের পালাবদল ঘটছে আস্তে আস্তে । নতুন প্রজন্মের মনোভাব ইতিবাচক আর গড়ার ধারনা তে আছে । শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়ার চাইতে ভিন্ন মেজাজে তরুন প্রজন্ম সিদ্ধহস্ত । মুক্তি চাইলে সাধারন মানুষের পথে নামা ছাড়া ভিন্ন কোন পথ আর খোলা নেই ।