ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় যারা লীগ করে তারা আগে লিগার পরে মানুষ । তারা মনে হয় এটাকে জাহির করতে বেশি ভালোবাসে । মনুষ্য সত্তাকে পেছনে রেখে তারা আগে লীগের নেতা কর্মী বা সমর্থক এটাতেই স্বস্তি বোধ করেন । দেশ জাহান্নামে যাক বা চুলাই যাক তারা যেটাই বলে সেটাই উচিত এবং হক কথা ।

তারই প্রমান রেখে যাচ্ছেন লীগের পাতি নেতা থেকে শুরু করে মাল এর মত অভিজ্ঞরা বা সৈয়দ আশরাফ এর মতন যারা রাজনীতিতে নতুন তারাও । আশরাফ এর নেত্রিভক্তের অবশ্য তেমন নজির খুভ একটা নেই সেটা পুষিয়ে দিতে উনিও বলে বসলেন ইউনুস এর নোবেল পাওয়া নিয়ে । ভাবখানা এমন যে নোবেল পেয়ে মহা ভুল করেছেন ইউনুস , আকারে ইঙ্গিতে বলতে ভুলছেন না যে নোবেল কমিটির কথা , কেন পেলেন কিভাবে পেলেন কলকাটি কে নেড়েছেন এটার পেছনে । কিছু দিন এই অপ্রিয় কথাটি বলেছেন এটর্নি জেনারেল যিনি যতটা না রাষ্ট্রের তার চাইতে বেশি সরকারের । উনি সুদখোর গরিবের রক্তচোষা আরও কত কি ! আর সেই কিনা নোবেল পেল তাও আবার হাসিনার আগে । হাসিনা যিনি নোবেল ছাড়া বাদ বাকি সব পুরস্কার বগল দাবা করেছেন । সারা বিশ্বে শান্তি আনয়নে নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছেন । আর বাংলাদেশে কি আর শান্তি আসবে । বাঙলার মানুষ এখন সারা বিশ্বে শান্তি আনয়নের রুপকার হিসেবে কাজ করছেন ! তবে তা যেন লীগের হাতে চুড়ি পড়ে বসে থাকার মত না হয় অথবা একটা লাশের বদলে দশটা লাশের মত না হয় _এটা হাসিনা বুবুর কাছে এই মূর্খের ছোট মুখে বড় আর্জি । সৈয়দ আশরাফ কে নিয়ে আশা করি লীগে কানে-মূখে কথা থাকবে না ।

ইউনুস কে নিয়ে হাজার রকম প্রশ্ন থাকতে পারে । কিন্তু যে মানুষটি বাংলাদেশের প্রথম যিনি নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত হলেন তাকে নিয়ে কেন এত অপপ্রচার । উনাকে কেন এত ভয় লীগের ? উনি তো আর বিরোধী দলের কেও নন যাতে হিটলারি নীতির মত কিছু মিথ্যা কে অবিরত প্রচার করতে হবে । উনার ক্ষুদ্র ঋণ বা সামাজিক বাবসা নিয়ে অনেক প্রশ্ন উথাপন করে থাকেন আমাদের তথাকতিত অর্থনৈতিক বোদ্ধারা যদিও সারা বিশ্বে এটা সমাদৃত হচ্ছে ।কিন্তু এখানে যেন সব কিছুই উল্টা পথেই চলে তার প্রমান উনার আবিষ্কৃত ক্ষুদ্র ঋণের সমালোচনাই প্রমান করে । যারা করে তারা অবশ্য এটার বিপরীতে নতুন কোন থিউরি প্রকাশ করেন না শুধু মাত্র বিরুদ্ধে বলেই দায়সারা দায়িত্ব শেষ করেন ।

আশরাফ এর মতে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল না পেয়ে শান্তিতে কেন পেলেন ? এটার কারন হতে পারে যেখানে শান্তি আনয়নে স্বয়ং হাসিনা বুবু কাজ করছেন সেখানে ইউনুস আবার কোথা থেকে আসলেন । আমি মনে করেছিলাম আশরাফ মনে হয় এ কথা গুলু পড়েন নাই – ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময় অথবা পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি । আর উনি মনে হয় পেটে ক্ষুধা অক্ষত রেখে কিভাবে শান্তি আনা যায় এটা নিয়ে হাসিনার সাথে নিরন্তর গবেষণায় আছেন ।

আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি আগামি বারে নোবেল শান্তি পুরস্কার টা হাসিনা বুবু কে দেওয়া হওক । দরকার হলে আমরা বাঙলার অধম নাগরিকরা সবাই মিলে স্মারকলিপি দিব নোবেল কমিটিকে । অবস্থান ধর্মঘট পালন করব নোবেল অধিদপ্তরের সামনে । যেভাবেই হওক হাসিনার নোবেল চাই । আর তা না হলে বাংলাদেশ থেকে আর কেও যেন নোবেল না পায় । যদি আগামি বার হাসিনা কে নোবেল দেওয়া না হয় আমরা নোবেল কমিটিকেই বয়কট করবো ।