ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

 

উপরের লিংক সহ এরকম অনুরূপ আরো অনেক সংবাদ + এই পোস্ট এর ১ ঘন্টা আগে প্রচারিত লিংকটা দেখুন-

লিংক

খোদ আমেরিকার অনেক গবেষকই তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন- লাদেনের মত একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পক্ষে টুইন টাওয়ার ধ্বংস করা সম্ভব না। তারা মুখ ফুটে বলছে না তাহলে কে এটা করেছে ? কিন্তু ঘটনার সার্বিক বিশ্লেষণ , আমেরিকানদের হাতে প্লাকার্ড – “নো ওয়ার ফর অয়েল” , সেদিন এই ভবনে ইসরাইলের নাগরিকদের অধিকাংশই অনুপস্থিত থাকা এবং বুশ তাৎক্ষনিকভাবে সপরিবারে বিমানে করে আকাশে অবস্থান নেয়ায় এটা খুব পরিস্কার কাজটা কারা করেছে । শুধু তাই নয় এই ঘটনার ২৩ বছর আগে ওয়াশিংটনের মেয়র হোয়াইট হাউজকে এক চিঠিতে জানিয়েছিল- ” টুইন টাওয়ার এর মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে, এটি আগামী ২০ থেকে ২২ বছরের মধ্যেই ভেংগে ফেলা দরকার” ।

অতএব হিসেবটা খুব সোজা- এই ভবন ভেংগে ফেললে তার পরিবর্তে নতুন ভবন বানাবার টাকা কোথায় পাবে ? যে সময় এন্ড্রনের মত আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে পড়েছে, হাজার হাজার আমেরিকান বেকার । অর্থনৈতিক অবস্থা ভয়াবহ । তখন বুশ এর মাথায় লাদেন আইডিয়ার জন্ম হয় । লাদেন মুর্খের ভাষন বার বার বাজিয়ে শোনায় সারা দুনিয়াজুড়ে _ “আমেরিকার উদ্ধত অহংকার ভেংগে গুড়িয়ে দেয়া হবে ” । লাদেনের এই একটা বাক্যের টেপ রেকর্ড বহুদিন বাজিয়ে শোনান হল । লাদেন মুর্খ চিন্তা করে দেখল- না চাইতেই আমেরিকা তাকে এত বড় হিরো বানিয়ে দিল ? সে এই প্রচারে মহাখুশী । তার খুশীকে পুজি বানিয়ে ইসরাইল টাকা পয়সা বিনিয়োগ করে আরব দুনিয়ায় আত্মঘাতি মানুষ বানিয়ে ফেলল । আরবকের মুর্খ মুসলমানরা চিন্তা করে দেখল, বাহ , এটা তো দারুন আইডিয়া- জেহাদ। ব্যাস চালিয়ে দিল নিজেদের কাজ বলে – আমেরিকা -ইসরাইলের বিরুদ্ধে জেহাদ । এই মুর্খরা তলিয়ে দেখল না, আসলে কি হতে কি হয়ে যাচ্ছে । এরকমই এক সৃষ্টি তালেবান ।

ইসলামের কোন বাক্যে মালালাকে শিক্ষা বিমুখ করতে বলেছে ? যারা বলেছে তারা তালেবান হোক আর যে নামেই তাদের পরিচয় দিক- এক কথায় তাদেরকে মোসলমান বলা যায় না। কেননা কোরআন মানুষকে শিক্ষা গ্রহণ ফরজ করেছে। আর মেয়েদেরকে তা করতে বলা হয়েছে তাদের জন্য নির্ধারিত শালীন পোসাকের আবর্তে থেকে । হিজাব নেকাব মেয়েদের নিরাপত্তার হাতিয়ার । এটা তাদের ইজ্জত এবং সম্মানের প্রতীক। হিজাব নেকাব পরে নারীরা যুদ্ধ পর্যন্ত করেছে। অনেক বড় ডাক্তার, সমাজ বিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী তৈরী হয়েছে এরকম ভুরি ভুরি নজির দুনিয়াতে রয়েছে যারা হিজাব নেকাবের ভেতরেই তা হয়েছেন। আমাদের দেশের কবি সুঢিয়া কামাল বোরকায় থেকেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন । পরে তার গুরুজন নাসিরুদ্দিন তাকে রোজ বলতেন, “এই মেয়ে তুমি না কবি, তুমি বোরকা থেকে বেরিয়ে এস, নাহলে তোমার কবিত্ব সৃষ্টি করবে কিভাবে ? এভাবে প্রতিদিন তিনি কবিকে উত্তক্ত করতেন। তার পরে কবি ভাবলেন, বাপের মত মানুষ । এতবড় গুরুজন, বলছেন যখন, তখন খুলেই দেখী, । উনি খুললেন । নাসিরুদ্দিনের চোখ জুড়িয়ে গেল । আহ, কি সুন্দর । এত সুন্দর রূপ খানা তোমার কি সব যবুথবু দিয়ে ঢেকে রেখেছিলে ? তোমাকে কি এই বেসে মানায় , নাকি এখন মানিয়েছে ? কিন্তু কবি তার জীবদ্দশায় তার মাথার কাপড় কোনদিন সরাননি। পাঠক এ থেকেই বুঝে নিন, পুরুষদের মনের শয়তানগুলোর আসল উদ্দেশ্য কি ? আজকে যারা সভ্যতার নাম করে মেয়েদেরকে বাজারের পণ্যে পরিণত করে ফেলেছে হয়তো নারী শিক্ষায় এই ধরনের নগ্নতার বিরোধিতা করতে যেয়ে কোন কোন গোষ্ঠীকে শিক্ষাবিমুখ বানিয়ে অপপ্রচার চলছে । এটা বুঝতে কারোরই কষ্ট হয় না। তাই মালালার প্রতি যাদের দরদ. তাদের কাছে প্রশ্ন – এরকম কত শত শত হাজার হাজার লাখো লাখো মালালার মত শিশু, নারী, পুরুষ হত্যা করেছে ইসরাইল এবং আমেরিকা- কেউ একটা টু শব্দ করেন না। তার বিরুদ্ধে কলম এভাবে শানিত হয় না। তাদের পাশে দাড়ায়না এভাবে কোন পশ্চিমারা । অতএব, এসব আবেগ সচেতন মানুষ হিসেবে আমাকে অন্য কিছু ভাবতে শেখায় । আসুন, আমরা সাদাকে সাদা বলি, কালোকে কাল বলি ।