ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

চ্যানেল আই এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট নিউজে এর রাত ৯ টার নিউজঃ পাঁচ পুলিশ সদস্য বিপুল গুলি সহ ধরা পড়েছে । যাদের মধ্যে দু’জন পুলিশ সদস্য চাকমা সম্প্রদায়ের । চ্যানেল আই বলেছে- তারা শান্তি বাহিনীর মেম্বার ছিলেন । তারা আত্ম সমর্পন করলে সরকার কর্তৃক ১৯৯৮ সালে বিশেষ কোটায় তাদের পুলিশের চাকরী প্রদান করা হয় । এটিকে মামুলী দু’জন সদস্যের বিপথগামীতা হিসেবে দেখার সুযোগ নাই । যুক্তি দেখুন-

একটা স্বাধীন দেশের একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের সাথে শান্তিচুক্তি করা যে রাষ্ট্রের সাধীন স্বত্তার পরিপন্থী -তা আমরা বরাবরই বলে আসছিলাম। কিন্তু সরকার আমাদের কথা শোনেন নাই। তারা মনে করেছিল, এতে কাটা ঘায়ে বাতাস লেগে কিছুটা উপশম হবে। কিন্তু এই বাহিনীর যারা সারেন্ডার করেছিল, তাদের অনেকেই বিশেষ কোটায় সরকারের প্রশাসনে বিভিন্ন স্তরে ঢুকে পড়েছে। সরকারী যন্ত্রের সহায়তায় এরা গোপনে এধরনের কাজ করে আসছে । এদেশে অবৈধ অস্ত্রের অবাধ প্রবেশ, ১০ ট্রাক অস্ত্র, মাঝে মাঝে বিভিন্ন ইস্যুতে এদেশে সাম্প্রদায়িক দাংগা লাগানোর পায়তারা, সম্প্রতি প্রশাসন এবং পুলিশ বাহিনীর গোচরে থেকেই রামুতে ঘটে যাোয়া ঘটনা, উপজাতি শব্দ ব্যবহারের সরকারী নির্দেশ উপেক্ষা করে আদিবাসী শব্দ ব্যবহার করা, সন্তু লারমার হুংকার — সব মিলিয়ে পার্বত্য এলাকা নিয়ে “জুমল্যান্ড” গঠনের যে নীল নকশা তারা করে আসছিল এ সবই এক সূত্রে গাথা । সরকার যদি এই সূত্র ধরে তাদের এ নীল নক্সা ধরতে ব্যর্থ হয়, তাহলে “জুমল্যান্ড” নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান কেউ ঠেকাতে পারবে না।

এই দুই সদস্যকে ভালভাবে ইন্টরোগেশন করা হলে – অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায় ।