শৈশবে দুরন্তপনা-৬

আমি যখন ছোট তখন গ্রামের যানবাহন বলতে ছিল সাইকেল ও মোটরসাইকেল । যারা একটু সৌখিন ও পয়সা ওয়ালা তাদের মোটরসাইকেল ছিল। আমাদের বাড়িতে সাইকেল থাকলেও বাচ্চাদের ধরতে দিত না। আমি সাইকেল চালানো শিখেছি, আমার বড় দুলাভাইয়ের সাইকেল দিয়ে। তিনি আমাদের বাড়িতে আসলে সাইকেল নিয়ে চলে যেতাম সারা দিনের জন্য। তিনি না আসলে নিজেই চলে যেতাম… Read more »

শৈশবে দুরন্তপনা-৫

গ্রামের ছেলে-মেয়েদেরকে সাঁতার শিখাতে হয় না। দেখে দেখে,ডুবতে ডুবতে, ভাসতে ভসতে, পানি খেতে খেতে সাঁতার শিখে ফেলে। তবে মাঝে মাঝে বিপদও হয়ে যায়। আষাঢ় মাস হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে মাঠ-ঘাট ডুবে গেছে। বৃষ্টির মধ্যে সবাই সাঁতার কাটছে, আমি তখন সাঁতার শিখিনি। তবে সবার সাথে পানিতে নামি, ডুব দিতে পারি, গলা পানিতে গিয়ে দাঁড়াতে পারি। নদীর পাড়ে… Read more »

শৈশবে দুরন্তপনা-৪

আমার শৈশব জীবন কেটেছে নিজ গ্রামেই। আমার জীবনের প্রথম পর্ব ছিল খুব আকর্ষণীয় এবং উপভোগ্য। এ সময়ের সব কিছুই ছিল কৌতূহলের বিষয়। সবাই একটু চিন্তা করলে বুঝতে পারবেন যে, শৈশবে গ্রামের জীবন আর শহরের জীবনের পার্থক্য কতটুকু। আমার শৈশবের দুরন্তপনার মধ্যে ছিলঃ গাছে চড়া, পানিতে ড্রাইভ দিয়ে সাঁতার কাটা, দল বেঁধে দুর্গম জঙ্গলে গিয়ে গাছে… Read more »

শৈশবে দুরন্তপনা-৩

পুরুষ জাতীয় ভূতকে আমরা ‘ভূত’ বলে জানি। স্ত্রী জাতীয় ভূতকে ‘পেত্নী’ বলি। কিছু কিছু জায়গা ছিল শৈশবে দিনের বেলায়ও ভূত পেত্নীর ভয় পেতাম। যেমনঃ গোরস্তান, শ্মশান, কালিমন্দির, মঠ, বটগাছ,নির্জন জায়গা ও জঙ্গল। এছাড়া রাতের বেলায় তো ভূত-পেত্নীর ভয়ে ঘর থেকে বেরই হতাম না। শৈশবে ভূত-পেত্নীর ভয় সবাই পায়, আমিও পেতাম। আমার ছোটভাই সোহাগ আরও বেশি… Read more »

শৈশবে দুরন্তপনা-২

আশির দশকের টাঙ্গাইলের পানিপড়ার কথা জানেনা এমন লোক খুব কমই আছেন। বাংলাদেশের সব বাস টার্মিনাল থেকে টাঙ্গাইলের পানিপড়া পর্যন্ত স্পেশাল বাস যোগাযোগ ছিল। বাসে লেখা থাকত, ‘ঢাকা-পানিপড়া’। অনেক দূর দূরান্ত থেকে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ এখানে এসে ভিড় করত। ১৯৮৫ সাল, আমি তখন কলেজে পড়ি। বড় মামী একদিন আমাকে বললেন, “সেলিমকে নিয়ে তোকে পানিপড়া যেতে… Read more »

ট্যাগঃ:

ক্যাটাগরীঃ দিনলিপি

শৈশবে দুরন্তপনা-১

আমার বয়স যখন ১৩ বছর এবং সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। গ্রামের দুরন্ত বালক হিসেবে অনেক কাজ করতে পছন্দ করতাম। তার মধ্যে বড়দের সাথে গিয়ে ইসলামি ওয়াজ মাহফিল শোনা, দলের গান শোনা, যাত্রাপালা শোনা, আর বিশেষ আকর্ষণ ছিলঃ “সাধের পাগলা ঘোড়ারে কই থাইক্যা কই লইয়া যায়! খাল-বিল, নদী-নালা, পাহাড়-সাগর পার হইয়া রে ঘোড়া শূন্যে উড়া মারে……! অর্থাৎ… Read more »

ট্যাগঃ:

ক্যাটাগরীঃ দিনলিপি