আলোর নিচে অন্ধকার!

আমাদের সামাজিকতায় পরিবারে মেয়েদের বয়ঃসন্ধি কালে কতটা শরিরিক গঠনের শিক্ষা দেয়া হয়? পরিবারের সদস্য দ্বারা প্রায় সময় মেয়েদের গায়ে হাত বোলানো হয়, আদরের ছলে। মেয়েদের বুঝে ওঠার আগেই ভিক্টিম হয় নিকট আত্মিয় দ্বারা। মেয়েটি যখন বুঝে নিজের দৈহিক গঠন সম্পর্কে তার অনেক আগেই কাজিন, চাচা, মামাসহ কাছের পুরুষ মানুষের হাত লাগে শরিরের বিভিন্ন জায়গায়।  … Read more »

ক্যাটাগরীঃ স্বাস্থ্য

বক শাবক

বৈশাখী খরতাপে বক শাবকটা তাকিয়ে আছে মায়ের অপেক্ষায়। ছবিটি তোলা সিলেটের, সালুটিকর এলাকা থেকে। ছবি-সুমন দে।

slide

ক্যাটাগরীঃ ফটো

তিন বছরের ব্যবধানে দু’ভাই-বোন পেলেন একুশে পদক

. পণ্ডিত রামকানাই দাশ এর বড় বোন সুষমা দাস বঙ্গাব্দ ১৩৩৬ বাংলা (১লা মে ১৯৩০ সালে) সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা থানার পুটকা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রসিক লাল দাস, মাতা দিব্যময়ী দাস। বঙ্গাব্দ ১৩৫২ সালে শাল্লা থানার চাকুয়া গ্রামে প্রাণনাথ দাসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর গ্রামীণ মেয়েলি আসরে ধামাইল, কবিগান ও বাউলগানের পাশাপাশি হরি… Read more »

আবহাওয়ার পরিবর্তনে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। মাত্র আড়াই মাস আগেও সিলেটে অনুভব হত শীত। কুয়াশা ভরা প্রকৃতিতে পরিস্কার দূরের কোন কিছুই স্পস্ট দেখতে পাওয়া যেতনা। সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কিন ব্রিজ, আমজাদ আলীর ঘড়ি ঘর এর পাশেই সার্কিট হাউস। ২০১৬ সালে সেখানে স্থাপন করা হয় ভাস্কর্যটি। ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে সার্কিট হাউস প্রাঙ্গন থেকে ছবিটি তোলা। তখন ছিলো ঋতুরাজ বসন্ত। ছবিটি… Read more »

সদ্য একুশে পদক প্রাপ্ত সুষমা দাস

পহেলা মে ছিল সুষমা দাসের ৯০তম জন্মদিন। সুষমা দাস বঙ্গাব্দ ১৩৩৬ বাংলা (১লা মে ১৯৩০ সালে) সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা থানার পুটকা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রসিক লাল দাস, মাতা দিব্যময়ী দাস। বঙ্গাব্দ ১৩৫২ সালে শাল্লা থানার চাকুয়া গ্রামে প্রাণনাথ দাসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর গ্রামীণ মেয়েলি আসরে ধামাইল, কবিগান ও বাউলগানের পাশাপাশি… Read more »

মুক্তিযুদ্ধের সময় বিধ্বস্ত সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কিন ব্রিজ

মুক্তিযুদ্ধের সময় বিধ্বস্ত (সুরমা নদীর উত্তর পাড়ে) সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কিন ব্রিজের ছবি এটি। বিলুপ্ত ছবিটি ২০১৫ সালে ১৬ ডিসেম্বর সিলেটে মুক্তিযুদ্ধ জেলা কমান্ডের আয়োজনে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠান থেকে তোলা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিলুপ্ত আলোকচিত্র সংরক্ষণের জন্যে এ ছবিটি তুলেছি।