ক্যাটেগরিঃ প্রবাস কথন

 

কানাডা ইমিগ্রেশন কর্তৃক দেশটির নিরাপত্তার জন্য হুমকি বিবেচনায় একজন বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধার স্থায়ীভাবে বসবাসের (পরমানেন্ট রেসিডেন্সি) আবেদন বাতিল করে দেয়ার ঘটনায় গভীর বিস্ময় ও দুঃখ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কানাডা ইউনিট কমান্ডের নির্বাহী সদস্য ও বাংলাদেশ-কানাডা এসোসিয়েশন অব এডমন্টন (বিসিএই) এর স্পেশাল প্রজেক্ট কমিটির চেয়ারপার্সন (ইলেক্ট)  এবং  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব সেন্টার অব আলবার্টা এর সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ।

তিনি ২১শে ডিসেম্বর কানাডা থেকে প্রকাশিত নতুনদেশ ডটকমে “মুক্তিযোদ্ধা- তাই কানাডায় প্রবেশের অনুপুযুক্ত ঘোষনা” শিরনামে প্রকাশিত সংবাদটি পাঠ করে তাৎক্ষনিকভাবে  অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে ফোন করে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।  দেলোয়ার জাহিদ অনতিবিলম্বে কানাডা সরকারকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নয় বাংলাদেশ দূতাবাসকে তা পরিস্কার করার এবং এ বিষয়ে কানাডা সরকারের একটি বিবৃতি চাওয়ার আহ্বান জানান।

কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মিজানুর রহমান আবেদনকারী তৌফিকুল আরিফ বা তার পরিবারকে হাই কমিশনে যোগাযোগ করতে বলেন, তদোত্তরে জাহিদ এসব প্রক্রিয়ায় জটিলতা, সীমাবদ্ধতা ও দীর্ঘসুত্রিতার কথা উল্লেখ করেন এবং এ বিষয়ে অগ্রগতি দূতাবাসকে আশু পদক্ষেপ নিতে বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রবাসীদের নিয়ে সপ্তাহে একবার বসার নির্দেশনার বিষয়ে জানতে চাইলে হাই কমিশনার মিজানুর রহমান জানান তিনি এ বিষয়ে অবহিত আছেন।

বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) দেওয়ান মাহমুদ ও প্রথম সচিব রাজনৈতিক (দূতালয় প্রধান) আলাউদ্দিন ভুঁইয়ার সাথেও বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন।

প্রকাশিত সংবাদ হতে জানা যায় “ইমিগ্রেশন কানাডার ফাইলে তৌফিকুল আরিফ সম্পর্কে  উল্লেখ করা হয়েছে, আবেদনকারী নিজেই  স্বীকার করেছেন যে তিনি একজন  বাঙালি মুক্তিযোদ্ধা এবং ১৯৭১ সালে দেশটির মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। ইমিগ্রেশন অফিসার এই তথ্য উল্লেখ করে লিখেছেন, বাঙালি মুক্তিযোদ্ধারা  পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত ছিলেন বলে যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করার কারণ আছে।…”

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব সেন্টার অব আলবার্টা কানাডা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আশু কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের কর্মসূচি নিচ্ছে।