ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

ডিয়ার প্রবাসবাসী মন্ত্রীপুত্রগন,

লিবিয়াতে হাজার হাজার বাংলাদেশী না খেয়ে আছে, দেশে করার কিছু নেই, অবৈধ উপায়ে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশীরা ইন্ডিয়া যাচ্ছে রিজিক আদায় করতে, ফেরত আসতে গিয়ে বিএসএফ এর গুলি খেয়ে উল্টা করে ঝুলে থাকে ফেলানীর লাশ। দিনাজপুরে মাদ্রাসার শিক্ষক বেতন পায় না বলে ইটের ভাটায় ইট টেনে দিন গুজরান করেন। হোটেলে পিটুনী দিয়ে পতিতা হত্যা করা হয় প্রতিদিন, দেশে মানুষের জানের নিরাপত্তা নেই, মানের নিরাপত্তা নেই, কিন্তু দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদদেরও অভাব নেই। তাদের ছেলেমেয়েরা আবার রাজনীতি করার জন্য মুখিয়ে আছে, মা দলের চেয়ারম্যান হলে ছেলে দেশের মুখপাত্র হয়ে যায়, এরকম রীতিনীতি যে দেশে চলছে, সে দেশের অধিবাসীরা কি আসলেই মানুষ? না কি অচ্ছ্যুত বংশবদ??

যে দেশে জামিন পাওয়া কোকো-তারেক লন্ডনে হাওয়া খায়, সে দেশে হঠাৎ কইরা নিয়ম মানার হিড়িক পইরা গেছে। কোথা হইতে চামচিকারা উঠে এসে মহারথীদের সুদখোর বলে লাথি দিচ্ছে। এগুলার যে ক্যালিবার, একটারে মুখের সামনে কইলাম মেট্রিকের রেজাল্ট দেখায়া ইউনুস নিয়া কথা কইস, তোর মত চামচিকারে মাতব্বর বানাইছে কেডায়? এরপর আর কোন রা শুনলাম না মুখে। এরকম চামচিকাদের দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকবেন না, উচ্চশিক্ষিত ও সত্যবাদী সমালোচকদরকে খুজে বের করুন।

শোনেন ভাই সকল, আপনাদের মা জননীদের বলেন, দেশবাসীরে মানুষের জাত বলে গণ্য করতে, তাদের মতামতের একটা মূল্য দিতে। যে বাঙাল রোদে বৃষ্টিতে পুড়ে লিবিয়ার ইটের ভাটায় কাজ করে, তার ভাইবোনরা আজ পিএইচডি পেয়ে আমেরিকা ইংল্যান্ড ভেজে খাচ্ছে। সব কিছু নিজের স্বার্থে কইরেন না, দেশ ও দেশবাসীর স্বার্থটাও দেইখেন।