ক্যাটেগরিঃ শিল্প-সংস্কৃতি

খুলনা শহরের জাতিসংঘ শিশু পার্কে আয়োজিত হয়েছে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।

বাংলাদেশের খুবই ঐতিহ্যবাহি এই বিভাগীয় শহরটি। এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুভূতি বাংলাদেশের অনান্য জেলার মানুষের মতোই। বিশেষ করে বলতে গেলে যেটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ সেটি হল আমরা সকলেই বাঙালি। আর বাঙালি বলতেই তার নিজস্ব সংস্কৃতি তো একটা আছেই। সেই বারো মাসের তেরো পার্বনের দেশ বাংলাদেশ ও বাঙালি।

মনে পড়ে যায়, সেই শত যুগ আগের বাংলা সাহিত্যর আদি নিদর্শন চর্যাপদ এর কথা। যেখানে এই বাঙালি জাতির সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার উল্লেখ পাওয়া যায়। নদী, নদীর ঘাট, পারাপার ইত্যাদি আজকেরই বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার পূর্ব রূপ।

সাহিত্যে উল্লেখিত এই বাংলার কোন এক নদীর ঘাটের পারানি ছিলেন ঈশ্বরী পাটুনী। তিনি নিজ সন্তানদের মঙ্গলের জন্য বর চাইছেন, আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে। সত্যিই এই জাতির পূর্ব ইতিহাস বা সাহিত্যে যে সব খাদ্য খাবারের উল্লেখ পাওয়া যায় তার কদর কিন্তু আজও বাঙালির ঘরে বিদ্যমান। যেমন, দুধ-ভাত, পিঠা-পোলাও, পান্তা ভাত-ইলিশ ভাজা, সাথে কাঁচা লঙ্কা। মাছে-ভাতে বাঙালি, প্রবাদটি সত্যিই পার্বন এলেই বোঝা যায় সহজে।