ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ও বিসমিল্লাহ থাকবে কি থাকবেনা এটা মোটামুটি বেশ আগে বুঝা গিয়েছিলো। কিংবা সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি সিদ্ধান্তহীনতায় ছিলো। বিভিন্নদিক বিবেচনা করেই তারা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলো। তখনও অনেকেই সরকারকে উপদেশ দিলেও কার্যত কেউ সহযোগিতা করে নাই। পাবলিক সেন্টিমেন্টকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে সরকার রাষ্ট্রধর্ম ও বিসমিল্লাহ রাখতে বাধ্য হন।

ফাইনালি যখন এ ব্যপারে ডিসিশন নেয়া হয় তখনই নানান ফ্লাটফর্ম থেকে প্রেসার দিলে উপসংসদীয় কমিটির কো-চেয়ারম্যান বাতলে দেন সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ও বিসমিল্লাহ বাদ দিতে হলে আন্দোলন ও গনজাগরন লাগবে। তখনই মনে পড়ে আন্দোলনের কথা। এ ব্যপারটি সুরন্জিত বলে দিতে হলো। আর আজকের নিউজ হলো

রাষ্ট্রধর্মসহ ৭২’র সংবিধানের মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক ধারা রেখে সংবিধান সংশোধনীর কয়েকটি প্রস্তাবের বিরোধিতা করে মহাজোটের সাতটি দল ও সিপিবি মিলে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

সরকারকে বলে দিতে হলো এটার জন্য আন্দোলন দরকার গনজাগরন দরকার। আরেকজন বলে দিবে আর এমন আন্দোলনের সফলতা নিয়ে আমি সন্দিহান।