ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

 

সকলকে হরতালের অগ্নি শুভেচ্ছা।
123

প্রতি হরতালে অফিস ফাঁকি মারতাম। কখনো আসলে দিনের শেষ ভাগেই আসতাম। বাসায় ঘুমাতাম ১০টা পর্যন্ত। ঠিক আগের প্রতিটা হরতাল এভাবেই কেটেছে।

গতকাল সকলে মিলে মিটিংয়ে বসা হলো। শুক্র শনি সহ টানা ৬দিন। এভাবে চলতে থাকলে এক্সপোর্ট নিয়ে সমস্যা হয়ে যাবে। তাই গত হরতালগুলো ফাঁকি বাজি পুরাটা উসুল হলো। ডিসিশন নেয়া হলো অফিসের দুটি মাইক্রোবাস যেটা উত্তরা থেকে আসে সেটা স্টার্ট করেবে ভোর ৪ টা ৪৫ মিনিটে। আর যেটা মিরপুর থেকে রওয়ানা করে ওটা স্টার্ট নিবে ৫টা ১৫ মিনিটে। মানে ভোর ছয়টার মধ্যে অফিসে হাজির হতে হবে।

কি আর করা রাতে দেরী করে ঘুমাতে গেলে কি হবে ঘুম থেকে উঠতে হলো ৪টা ৩০ মিনিটে। অফিসে এসে পৌছালাম ৬টা ৪মিনিটে।

সন্ধ্যায় যাবার সময় হরতাল উপলক্ষে একটা মাইক্রোবাসকে অ্যাম্বুলেন্স বানানো হয়েছে। সন্ধ্যা ৫.৩০মিনিট থেকে দুই ট্রিপে সকলকে বাসায় পৌঁছিয়ে দেয়া হবে।
হরতাল দেখি আমার ওয়ার্কিং আওয়ার বাড়াইয়া দিলো।

***
ফিচার ছবি: দৈনিক ডেসটিনি, ১৩ জুন ২০১১