ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

২৮শে অক্টোবর ২০০৬ সাল। অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা, ৬ জনের প্রানহানী। এই অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দটি বিতর্কের সুত্রপাত। এই অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ টিকে ব্যবহার করেই গড়ে উথেছে মিথ্যের জাল।
বিতর্কিত একটি আবহ তৈরি করা হয় পরবর্তীতে। জামায়াত শিবির, বিএনপি ও রাজনিতির ফাঁকে একপায়ে দাঁড়িয়ে থাকা গোষ্ঠীর অপ্রচারের বা কৌশলী প্রচারে আপাতত সকলের নজরে এড়িয়ে যাওয়ায় একটি বিভ্রান্তি মুলক প্রচারনা চলছে সর্বক্ষণ। হয়ত প্রানহানী বিব্রত করেছে বলে যাদের বিরুদ্ধে কালো আঙ্গুল উঠান হচ্ছে তারাও বিব্রত বোধ করছে। আর এখান থেকেই অপশক্তি আর কুটকৌশলী রা গোয়েবলসের ভুমিকায় নেমেছে। আর পুরো ঘটনাকে বিভ্রান্ত করতে করতে ক্ষেত্র বিশেষ উলটে দেয়া হয়েছে।

একটু পিছন ফিরে যাওয়া যায়। পেছনে ফিরে গেলে অনেকের পীড়া হয়, আসলে ভয়ে কারন পেছন ঘাঁটলে কুৎসিত কদাকার চেহারা উম্মচিত হয়ে পড়ে। সেই ভয়ে অনেকেই বলতে চায় কি দরকার পেছন/অতীত নিয়ে টানা টানির।

২০০১ সাল নির্বাচন পরবর্তীতে দেশব্যাপি জামাত বিএনপি জামাত যে তাণ্ডব লীলা চালিয়েছে আওয়ামীলীগ সমর্থকদের হত্যা, গুম, নির্যাতন, ধর্ষণ, গন ধর্ষণ চালিয়েছিল, আওয়ামীলীগ সমর্থকদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল, গরু ছাগল, হাঁসমুরগি, ক্ষেতের ফসল লুট হেন কাজ বাকি রাখা হয় নাই যা সে সময় জামাত বিএনপি সরকার বাকি রাখে না, এক বাঁশখালিতেই এক পরিবারের ১১ জনকে পুড়িয়ে মেরেছিল। একজন গোপাল কৃষ্ণ মুহুরিকে মাথায় গুলি করে হত্যার পর লোক দেখানো দেখতে গেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীভৎস লাশটি দেখে একটাই বাক্য বলেছিলেন সেদিন, চাদরটা ঢেকে দাও। মুহুরি পরিবার সেদিন চাদর দিয়ে ঢেকে দেয় নি। জামাত বিএনপির বীভৎসতার চেহারা খুলে রেখেছিল।

কিশোরী পূর্ণিমাকে গ্যাং রেপ করা হয়েছিল পূর্ণিমার মায়ের সামনে। গোপালগঞ্জ, কোটালিপাড়া, পিরোজপুর, চাদপুর, রাজশাহী, যশোর, বরিশাল, বগুড়া, বাগেরহাট, খুলনা সবখান থেকে একের পর এক খবর আসতে থাকে নির্যাতনের নির্মম কাহিনির। শুরু হয়ে যায় দেশব্যাপি আওয়ামীলীগ নিধন। হিন্দুদের অনেককে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার হুকুম দেয়া হয়, অনেকে চলেও যায়।

বিরতি না দিয়েই শুরু হয় দেশে প্রগতিশীল সাংবাদিক শিক্ষক দের নির্যাতন, হত্যা। অপর এক সূত্র মতে, দৈনিক সংবাদের খুলনা প্রতিনিধি মানিক সাহা (১৫ জানুয়ারি ২০০৪), দৈনিক জন্মভূমির সম্পাদক হুমায়ুন কবির বালু (২৭ জুন ২০০৫), দৈনিক সংগ্রামের খুলনা বুরো প্রধান শেখ বেলালউদ্দিন (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৫), দৈনিক পূর্বাঞ্চল-এর হারুনর রশিদ খোকন (২ মার্চ ২০০২), খুলনার দৈনিক লোকসমাজ রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম, বগুড়ার দৈনিক দুর্জয় বাংলার বার্তা সম্পাদক দীপঙ্কর চক্রবর্তী (২ অক্টোবর ২০০৪), দৈনিক সমকালের ফরিদপুর সংবাদদাতা গৌতম দাস (১৭ নভেম্বর ২০০৫),, খুলনার দৈনিক অনির্বাণের রিপোর্টার শুকুর হুসাইন (৫ জুলাই ২০০২), দৈনিক পূবালীবার্তার মৌলভীবাজার রিপোর্টার সৈয়দ ফারুক আহমেদ (৩ আগস্ট ২০০৩), চুয়াডাঙ্গার বজলুর রহমান (নিখোঁজ), খাগড়াছড়ির আজকের কাগজ প্রতিনিধি কামাল হোসেন (২১ আগস্ট ২০০৪)। এছাড়া প্রবীর শিকদার সহ অসংখ্য সাংবাদিককে আহত করা হয়। দেশ বরেণ্য সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির,মুনতাসির মামুন, প্রিসিলা রাজ, সালিম সামাদ কে গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হয় দিনের পর দিন। রাজনৈতিক নেতাদের কথা বাদই দিলাম।

সংসদ সদস্যদের হত্যা করা হয়, কিবরিয়া, আহসানুল্লাহ মাস্টার দের হত্যা করা হয়। হত্যা করা হয় মমতাজ উদ্দিন আর মঞ্জুরুল ইমাম সহ অসখ্য জনপ্রিয় নেতাদের কে। নিজের মসনদ নিষ্কণ্টক রাখার অদম্য হিংস্রতায় চলতে থাকে দেশব্যাপি গন গ্রেফতার নামের নতুন আতঙ্ক। প্রতি দিন ২হাজার থেকে ৪হাজার নিরিহ মানুষকে গ্রেফতার করে সাথে চলে গ্রেফতার বানিজ্য।

এহেন নির্যাতনে যখন আওয়ামীলীগ ঘুরে দাঁড়াতে জানে শাসক গোষ্ঠীর পায়ের নীচের মাটি সরে যায়। পরিকল্পনা হয় নতুন ছকের। ততদিনে দুর্নীতি লুটপাটে নেশায় বুঁদ হয়ে গেছে জামাত বিএনপি সরকার ও নেতা কর্মীরা হাওয়া ভবনের নিয়ন্ত্রনে, নিয়ন্ত্রন না বলে এক্ষেত্রে আস্কারা বলাই শ্রেয়। নতুন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জংগিবাদ উস্কে দেয়া হয়। সাথে পরিকল্পনা হয় নানামুখী । বিভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নেন। মউদুদ ও হাওয়া ভবন যৌথভাবে তাদের কাজ শুরু করে দেয়।

বিএনপি জামাত পছন্দ বিচারপতি বিতর্কিত কে এম হাসান কে প্রধান বিচারপতি বানানোর উদ্দেশ্য বিচারপতিদের অবসরের সময় সীমা বাড়িয়ে দেয়া হয়। যুক্তি থাকতে পারে বয়স বাড়ানোর। কিন্তুসদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি যখন অবসর নেন ঠিক তার সাথে সাথেই বয়স বাড়িয়ে নেয়া হয়। অথচ সদ্য সাবেক হয়া বিচারপতি এর জন্য অনেক দেন দরবার করে গিয়েছিলেন। মোক্ষম সময়ে মউদুদ সুযোগ গ্রহন করলেন। অন্য দিকে চলে এক অভিনব নৃশংস খেলা। হাওয়া ভবনে পরিকল্পনার কালো ছক তৈরি হয়ে যায়। শেখ হসিনা সহ আওয়ামিলিগের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা। গ্রেনেড হামলা করা হয় আওয়ামীলীগ আয়োজিত বিএনপি জামাতের দেশব্যাপি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। গ্রেনেডের লক্ষ্য বস্তু ছিল নেতাদের মঞ্চ। সেদিন নিহত হয় ২৪ জন আওয়ামিলিগের নেতা কর্মী, আহত হয় শত শত সিনিয়র, মধ্যম সারির নেতা কর্মী।

২১শে অগাস্ট

সেদিন মঞ্চে উপবিষ্ট নেতা কর্মীরা শেখ হাসিনাকে ঘিরে ধরলে হাসিনা প্রানে বেঁচে যান। তার পরের কাজটি করে তার বডি গার্ড মাহবুব। ঘাতকের বুলেট নিজের বুকে ধারন করে শেষ বারের মত প্রানে বাচিয়ে দেন তার হাসিনা আপাকে। যদিও তার স্বাভাবিক শ্রবন ইন্দ্রিয় চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়। আহতরা আজ কান্নায় ছাপিয়ে উঠে সেই দিনের স্প্রিন্টারের যন্ত্রনায় যাদের দেহের স্প্রিন্তার আর কখনই দেহ থেকে অপসারন সম্ভব নয়।

খেলার বাকি অংশ টুকু নির্বাচন কমিশনের, নিয়োগ করা হয় সম্পূর্ণ একতরফা ভাবে বিচারপতি এম এ আজিজকে। এই কৌশলে তৈরি করা হয় নির্বাচনী ভোটার লিস্ট। আদালতের নির্দেশনা না মেনে ভোটার তালিকায় এক তরফা ভাবে ফলস ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়। বাদ পড়ে যায় আওয়ামীলীগ সমর্থক ভোটারদের নাম। আর যুক্ত হয় দেড় কোটি ভুয়া ভোটার। এই ভুয়া ভোটার লিস্ট নিয়ে বিএনপি জামাত স্বপ্নে বিভোর পুনরায় ক্ষমতা দখলে, দেশের মানুষের আকাংখাকে ধুলিস্যাত করে দিয়ে নিজেদের রাম রাজত্ব কায়েমের।

এতো হত্যা, খুন, রাহাজানি, লুটপাট, গনগ্রেফতার, হামলা করে ভিন্ন উপায়ে যখন বিএনপি-জামাত সরকার বিরোধী দলকে ১৪ দলীয় জোটকে নির্মম ভাবে ঠেকাতে নির্বাচনের দিনক্ষন সামনে চলে আসে সাথে বাড়তে থাকে নির্যাতন। দেয়ালে পিঠ থেকে যায় জনগনের অধিকার আদায়ের, অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের। পর্দার আড়ালে জামাত বিএনপি জোট দাঁতাল হাসি হাসছে নিশ্চিত সুখের বিজয়ে।
জাস্টিস কে এম হাসান কে নিয়ে নীল নক্সা বাস্তবায়নে তৎকালীন সরকার মরিয়া চৌদ্দ দলীয় জোটকে নিতে হয় গুরুত্ব পূর্ণ রোল। এও কালো শাসনকে রুখতে দেশের জনগনের অধিকার রক্ষার তাগিদে বিএনপি জামাতের সশস্ত্র আক্রমন থেকে পাল্টা প্রতিরোধ হিসেবে লগি বৈঠার আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হয়। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসে মাহেন্দ্র ক্ষন বিএনপি জামাত জোটের সাংবিধানিক ক্ষমতা হস্তান্তরের মুহূর্ত। জাস্টিস কে এম হাসান তখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে বিএনপি জামাতের নীল নক্সার নির্বাচনের দায়িত্ব পালনের অপেক্ষায়। ক্ষেত্র প্রস্তুত………………।

যার প্রতিরোধে দেশব্যাপি প্রতিরোধের ডাক মহাজোটের। সারাদেশ উত্তাল। গনজোয়ারে মুখর রাজপথ প্রতিরোধের। পূর্ব ঘোষিত কর্মসুচি অনুযায়ী জিরো পয়েন্টে ওয়ার্কার্স পার্টির আহবানে বিক্ষোভ সমাবেশ। চৌদ্দদলীয় জোটের নেতা কর্মীরা সমাবেশে লগি বৈঠা নিয়ে মুহুরমুহ স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে দিচ্ছে।

সম্পূর্ণ অযাচিত ভাবে(অনাকাঙ্ক্ষিত নয়) কোনরূপ পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই অনুমতি বিহীন ভাবে বাংলাদেশ বিরোধী জামাত ইসলাম বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সমাবেশ ডেকে বসে। অথচ অদুরেই ওয়ার্কার্স পার্টির পূর্ব নির্ধারিত বিক্ষোভ সমাবেশ, সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয় পল্টনের দিকে, জামায়াত ইসলাম শুরু করলো তাদের পরিকল্পিত আক্রমন, মুহুরতেই ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। বিরোধী দলকে চিরাচরিত দমনের উদ্দেশ্যে জামায়াত ইসলামের সমাবেশ থেকে এক দল উশৃঙ্খল জামাত শিবিরের সশস্ত্র কর্মী তেড়ে এসে হামলা করে ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত ১৪ দলীয় বিক্ষোভ মি এবং চালাতে থাকে গুলি। দেয়ালের আড়াল থেকে আসে নির্দেশনা কি করে হামলা করতে হবে। বৃষ্টির মতো গুলি কর, আক্রমন কর। মরলে শহিদ বাঁচলে গাজি। শুরুতেই শহিদ হন জামাত শিবিরের গুলিতে ১৪ দলীয় জোটের একজন কর্মী যুব মৈত্রীর রাসেল, আহত হয় অর্ধ শতাধিক। জামাত শিবিরের সশস্ত্র কর্মীরা যখন মিছিলে ঢুকে সশস্ত্র গুলি চালায় সঙ্গত কারনেই প্রতিরোধের বিষয়টি সামনে চলে আসে। নিরস্ত্র প্রতিহত করার জন্য সামনে এসে দাঁড়ায়, পিছু হটে যায়নি, গুলি বোমার ভয়ে, লগি বৈঠার পিটুনিতে এবং কর্মীদের প্রতিরোধে মারা যায় ৫ জন সশস্ত্র জামাত শিবির কর্মী। এই ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত কিন্তু এড়ানো যেতনা। শিবির জামাত যেমন সশস্ত্র ভাবে হামালা করেছে তেমনি সশস্ত্র ভাবে ১৪ দলের কর্মীরা এলে আর ঘটনা এভাবে আসতনা। আস্ত অন্য ভাবে, আর ইউটিউবে লগি বৈঠার তাণ্ডব নামে প্রচারিত হতো না। আর যদি ১৪ দল থেকে এই প্রতিরোধ না গড়ে উঠত তবে কি হত…………………জামাতের সশস্ত্র আক্রমনের বিপরিতে।

অথচ বিএনপি জামাত এবং ধান্দাবাজ এক শ্রেণীরসুশীলরা এই পুরো ঘটনা কে উল্টো ভাবে বা অর্ধ সত্য অর্ধ মিথ্যার টুইস্ট করে প্রকাশ করে যার যার মত করে ফায়দা লুটতে ব্যস্ত। বিএনপি জামাতের প্রোপাগান্ডা হল আওয়ামীলীগ যুব্লিগ ছাত্রলিগ নাকি জামাতের সমাবেশে আক্রমন করেছে যার মধ্যে সত্যের লেশ মাত্র নেই। শুধু মাত্র পিটিয়ে মারার ঘটনাকে ইউটিউবে বা বিভিন্ন ভাবে প্রচারিত করে সিম্প্যাথি আদায়ের চেস্টায় রত। আর লাঠির আঘাতে যেহেতু কয়জন লোক মারা গিয়েছে আওয়ামিলিগের অনেকেই এটাকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা হিসেবে নিয়ে এর জন্য আফসুস করছে এবং এর প্রতিবাদ করতে লজ্জা পাচ্ছে মনে হচ্ছে।

২৮শে অক্টোবরের জামাত শিবিরের আক্রমন এই ভাবে প্রতিরোধের বিকল্প আদৌ কিছু ছিল কি? ছিল সমাবেশের শত শত মানুষের রক্তে ভেসে যাওয়া ছাড়া। ঠিক ২১শে আগস্টের পুনরাবৃত্তি। এই ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত বটে কিন্তু এড়ানোর যেত না। আর যদি তা না ঘটত তবে পরের ইতিহাস অন্যরকম হতো। বিএনপি জামাতের নীল লক্সায় কে এম হাসান উপদেষ্টা প্রধান, দেড় কোটি ভুয়া ভোট, জংগল জোটের পুনরায় ক্ষমতায়ন। দেশে ধারাবাহিকতার জঙ্গিবাদ, লুটপাট, বিদ্যুৎ গ্যাস হীন অন্ধকার দেশ, ২১শে আগস্ট, বোমাবাজি, মানুষের অধিকার হরন, গনগ্রেফতার, দেশকে ফাকিস্তানি করন, ভারতের বাজার তৈরি, ভারত থেকে অধিকার আদায়ের কোন পদক্ষেপ না নেয়া কার্যত পুরটাই ভারতকে ভোগ করতে দেয়া, দেশ কে আন্তর্জাতিক অস্ত্র মাদক চোরাচালনের রুট হিসেবে চালিয়ে রাখা।

সেই দিনের সেই প্রতিরোধের বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আরেকটি মাইল ফলক। যা দেশ কে একটা নরক রাজ্য পরিনত হওয়া থেকে রক্ষা করে।

বিএনপি জামাত আর ধান্দাবাজ টক শো তারকারা মিথ্যের বেসাতি ফেরি করছেন।