ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

প্রথম আলোর খবর – “২০০৫ সালে ৭ ডিসেম্বর নবীনগর-কালিয়াকৈর সড়কের পাশে বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে ২০০ গজ দূরে একটি ভাড়া করা বাড়ি থেকে শুরু হয় আশুলিয়া থানার যাত্রা। আজও ওই বাড়িতেই চলছে থানার কার্যক্রম। তিন তলা থানা ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা ওসিসহ কর্মকর্তা ও কনস্টেবলদের ব্যারাক। নিচতলায় বসার কোনো পরিবেশ নেই, এই অজুহাতে থানায় কর্মরত এসআইরা থানার আশপাশে ব্যক্তিগত অফিস ভাড়া নেন। এ জন্য জামানত হিসেবে ভবনের মালিককে এককালীন দিতে হয়েছে ১৫-২০ হাজার টাকা। আর প্রতিটি কক্ষের মাসিক ভাড়া দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। এ ছাড়া এই এসআইরা মামলার অভিযোগপত্র ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন নিজেরা না লিখে লোকজন দিয়ে লেখাতেন, যাঁরা পরিচিত ছিলেন ‘রাইটার’ নামে।

গতকাল খবর প্রকাশের পর অনেক ভুক্তভোগী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, থানার আশপাশের এসআইদের অফিসগুলো ছিল দুর্নীতির আখড়া। লোকজন থানা ভেবে ওই সব অফিসে গিয়ে প্রতারণার শিকার হতেন।

ভুক্তভোগীরা বলেন, গ্রামের লোকজন রাইটারদেরই থানার কর্মকর্তা মনে করতেন। আর এই সুযোগে রাইটাররাও তাঁদের পরিচয় গোপন রেখে টাকা হাতিয়ে নিতেন তাঁদের কাছ থেকে”।

আশুলিয়া ঢাকা শহর থেকে কতদুরে ? সেখানে পুলিশের এই জালিয়াতির খবর কি ঢাকায় থাকা পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কিছুই জানতেন না ? সাধারন জনগন জানে – এ ধরনের কর্মকান্ডের জন্য চেইন মেইন্টেইন করা প্রথম শর্ত। আর যদি বলেন এই অপকর্ম উর্ধতন অফিস কিছুই জানে না, তা হলে প্রশ্ন জাগে, তাদের জানার পরিধী কতটুকু ? ধন্যবাদ জানাই প্রথম আলোকে, সরকারের নানান বিভাগকে তাদের নানান অপকর্ম গুলো চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার জন্য। যেমন – রাস্তার বেহাল চিত্র, ভুমি দখল, অপরিকল্পিত দালান তোলা, আরও নানা বিষয়।