ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

আজকের প্রথম আলোর ছাপানো খবর – “২০০৮ সালের ৪ জুন ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টির সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে মিলিত হন ডিজিএফআইয়ের সন্ত্রাসবাদবিরোধী কার্যক্রমের প্রধান ব্রিগেডিয়ার এ টি এম আমিন। বৈঠকে তিনি পিএসও লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে এনডিসির কমান্ড্যান্ট পদে বদলির সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। এ বদলি মাসুদকে কার্যত কোণঠাসা করে দেয়। লে. জেনারেল মাসুদকে সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছিল। আমিন বলেন, মাসুদকে এনডিসিতে বদলির পাশাপাশি দুর্নীতি দমন অভিযান তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জেনারেল মইনের খুব অনুগত ব্রিগেডিয়ার আমিন জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীসহ কয়েকজন মন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশসহ দুর্নীতিবিরোধী অভিযান সম্পর্কে জেনারেল মাসুদের কয়েকটি সিদ্ধান্তের ব্যাপারে প্রশ্ন তোলেন। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাপে আমিন স্বীকার করেন, সেনাবাহিনীর মধ্যে বিভক্তি রয়েছে। নির্বাচনমুখী পদক্ষেপ সমর্থনসহ জেনারেল মইনের কয়েকটি সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অনেকে প্রশ্ন তোলেন “।

প্রথম আলোর এ পর্যন্ত ছাপানো উইকিলিক্সের কাহিনী থেকে এটা পরিস্কার যে স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার, রাজনিতিবীদ, সরকারী কর্মকর্তা, স্বশস্ত্র বাহিনী – সবারই উপদেশ ও আদেশ নেওয়ার ফাইনাল ডেস্টিনেসন ছিল আমেরিকার প্রতিনিধি। আশা করি তা এখনও বলবৎ আছে। ৪০ বছরেও নিজেদের মান সম্মান নিজেরা কি ভাবে রাখতে হবে, তা শিখলাম না শুধু মাত্র নিম্নমানসিকতার জন্য। এই মানসিকতা দূর করতে আর কত প্রজন্ম অপেক্ষা করতে হবে – তা আল্লাহই জানেন !!!!!!!!!!!!!!!!!