ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

১৯৭১ সালে জয় বাংলা শ্লোগান নিয়ে শুরু হয়েছিল গনতন্ত্রী মানুষের স্বাধীকার আন্দোলন তথা স্বাধীনতা যুদ্ধ কিন্তু আদৌ কি বাস্তবে স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি? আমার মনে হয় আমরা স্বাধীনতা পায়নি পেয়েছি কতগুলো কীট পতঙ্গ। কীট পতঙ্গ থেকে মুক্ত হয়ে আমরা গণ আন্দোলনের মাধ্যমে ফিরিয়ে পেয়েছি ১৯৯১ সালে সত্যিকার গণতন্ত্র, তবে স্বাধীনতার পর আমরা লাল সবুজের একটি পতাকা পেয়েছি যা বিশ্বের মধ্যে আমরা একটি স্বাধীন বাংলাদেশী নামে পরিচিত হয়েছি। তবে সে গনতন্ত্রের দোহায় দিয়ে বার বার ক্ষমতায় আসীন হন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তথা আওয়ামীলীগ বা বিএনপি। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে বিরোধী দলে থাকা বিএনপি দেশ ভারতের কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বলে শোর তোলৈ আর বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশ পাকিস্তানের হাতে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বলে আওয়ামীলীগ শোর তোলে এটা হল গণতন্ত্র এর জন্য মায়াকান্না, কিন্তু দেশ কেউ বিক্রি করেনা বরং ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য শোর চিতকার।

স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের দেশে দেশ প্রেমিক এর যথেষ্ট অভাব রয়েছে। আরা যারা আমরা সাধারণ মানুষ তাদের দু দলের পেছনে পেছনে দোড়ি, যাতে গনতন্ত্র আমরা ছিনিয়ে আনব। কিন্তু না আমাদের মাথার মধ্যে লবন রেখে তারা বড়য় বা কুল খাচ্ছে। তায় আমাদের সজাগ থাকতে হবে ঐ সুবিধাভোগী দের কাছ থেকে।গনতন্ত্রের লেবাস পরিহিত বর্তমান সরকার তথা বিরোধী দল কথায় কথায় বিলিন হয়ে যাচ্ছে দেশের গনতন্ত্র নাকি এদেশ থেকে , তারা কোন গনতন্ত্রের কথা বলছে আমার বোধগম্য হয়না। মানবাধীকারের ধোয়া তুলা সুশীল সমাজ কোথায় কুকুরের মত মানুষ কে গুলি করে মারছে পুলিশ তখন কোথায় তোমার গনণতন্ত্র,আমরা জানি গণতন্ত্র মানে মানুষের মনের ভাব প্রকাশের স্ব্ধীনতাকে বুঝি, কিন্তু এখন গণতন্ত্র তাদের জন্য যারা সরকার গঠন করবে তারা ধর্ষনির সেঞ্চুরী করবে, পথে ঘাটে সন্ত্রাসী করবে, চাদাবাজী করবে,দখলদারের রাজনীতি করবে,রাস্তায় মেয়েদেরকে উত্ত্যাক্ত করবে,বিরোধী দলকে পেটাবে,মানববন্ধন করবে না, মিছিল মিটিং করতে পারবেনা, রোজগার করতে পারবেনা,সাধারণ মানুষ অনাহারে মরবে নোতারা আলীশান গাড়ীতে চড়বে,মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রন করবে, সম্পত্তি দখল করবে,ভাল মানুষের উপর ক্ষমতার ষ্টীম রোলার চালাবে, নাস্তিক মোরতাদ এর কথা মতো চলবে আলেম ওলামা ও ভাল ভাল সম্পাদককে জেলে ঢুকাবে, মামলা করবে এটা হল বর্তমান গণতন্ত্র ?কিন্তু সেদিন বেশী দুরে নয়, যেদিন বাংলার আপমর জনতা ঐ সমস্ত নেতাকে পায়ের জুতা দিয়ে কুত্তার মত পিটাবে, শিক্ষা নেওয়া উচিত লিবিয়ার লৌহ মানব তথা আরব বিশ্বের নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফীর কি পরিণতি হয়েছিল, তার দেশের জনগন তাকে রাস্তার মধ্যে কি নির্য়াতন করছিল যারা নির্যাতন করছিল তারাও কিন্তু একসময় তার হুকুমের প্রতি শ্রদ্ধা করত, কিন্তু পরে কি দেখা দেল, মিশরের হোসনি মোবরক কি ছিল বতৃমান তার কি অবস্থা,তাদের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত হয়ত জনগত সত্যিকার গণতেন্ত্রর জন্য তাদের চেয়েও ভয়াবহ হবে তখন নেতারা পালাবার সুযোগ পাবেনা, সুতারং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এর জন্য আমাদের তরুণ সমাজ বা যুব সমাজকে এগেয় আসতে হবে,অণ্যতায় সত্যিকার গণতন্ত্র থেকে আমরা বঞ্চিত হবো। সম্প্রতি কিছু ধমৃন্ধ সেনা দেশে অভ্যুথান করার চেষ্টা করছিল বলে খবর হল, আরা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে ব্যাক্তিরা কি বলল েবিরোধী দল পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার জন্য এগুলো করল, আমরা আজকের পত্রিকার কি দেখলাম যিনি এশরাক তিনি আমাদের মন্ত্রী মহোদয়ের ঘনিষ্ট বন্ধু, দিলীপ বড়ুয়ার বন্ধু, আরা তিনি একজন নাস্তিক, আর ধর্মের লেবাস ধারী বলে যাদেরকে গালি দেওয়া হয় তারা তার সাথে বিন্দুমাত্র জড়িত নয়,কিছুদিন আগে একজন ডাক্তার গ্রেফতার হল তার অপরাধ সে তার ঘরের মেধ্যে কোরান হাদীসের পুস্তক রাখছিল,সেটা তার অপরাধ তাকে সেনা অভ্যুথানের সাথে জড়িত,িএটা হল গণতন্ত্র। কিন্তু দু:খের বিষয় হল বিরোধী দলের ঢাকা চলো কর্মসুচীর দিন আগে থেকে ঠিক রাখলেও হঠাত সরকারী দল বর্তমান সময় থেকে মাঠ দখল রাখবে এটা হল বর্তমান সরকারের গণতন্ত্র ? জনাব কামরুল মাননীয় প্রতিমন্ত্রী যদি পূর্ণমন্ত্রী হলে কি করত জানিনা, মনে হয় রাজনীতি করার আগে সন্ত্রাস বা চোর ডাকাত ছিল তায় তিনি তাদের ভাল খবর জানে। তায়, ব্লগার ভায়দের প্রতি আমার অনুরোধ আসুন আমরা একযুগ হয়ে গণতন্ত্রেরে জন্য লাড়ায়ে ঝাপিয়ে পড়ি। ধন্যবাদ।