ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

বাঙ্গালীর প্রানের উৎসবগুলির মধ্যে অন্যতম একটা হলো পহেলা বৈশাখ। এবারের পহেলা বৈশাখে কিছু বাড়তি আমেজ ছিল। তাই জামাত শিবির আর তেতুল হুজুরের অনুসারীদের অনবরত প্রপাগান্ডা সত্বেও বৈশাখী উৎসবের কেন্দ্রস্থল রমনা, সোহরাওয়ার্দি উদ্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রচুর লোকজনের সমাগম হবে এটা সবাই জানতো। জানতো প্রশাসন, জানতো পুলিশ, আর জানতো কিছু মানুষরূপী হায়েনা। এই হায়েনাগুলিকে প্রতিহত করার জন্য বর্ষবরণ নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। সেসব বৈঠকের ভিত্তিতে পুরো এলাকা ঘিরে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় পুলিশ।বর্ষবরণের দুদিন আগে কমিশনার নিজে রমনা উদ্যানে গিয়ে নিরাপত্তা তদারক করেন বলেও জানা যায়। নববর্ষের দুদিন আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে নববর্ষের নিরাপত্তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছিলেন, ‘পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে, যা ডিএমপির সদর দপ্তর থেকে মনিটর করা হবে।…ইউনিফর্ম ও সিভিল পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কয়েক স্তরে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।’

RAB কে নিয়ে প্রচলিত জোকগুলির অন্যতম হল “ক্রসফায়ারে পড়ে সন্ত্রাসী মারা যায় কিন্তু তার সহযোগীরা কখনোই ধরা পড়ে না”। বাংলাদেশে পুলিশ বিভাগের জোক হচ্ছে “তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা বেষ্টনী”। পুলিশ বাহিনীর কোন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কোন আনুষ্ঠানিক সংবাদ সন্মেলনে যখন এটা গম্ভীর ভঙ্গিতে উচ্চারণ করেন, তখন উপস্থিত সাংবাদিক, এমনকি নিম্ন পদস্থ পুলিশ সদস্যরা মুচকি মুচকি হাসেন।

পয়লা বৈশাখের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রতিবছরের মতো এবারও বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষের সমাগম ঘটেছিল। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে এসে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন কয়েকজন নারী।পুলিশের তথাকথিত নিরাপত্তা স্তর গুলির বায়বীয় অবয়বের কারণে এসব নিরাপত্তা স্তরের অস্তিত্ব কেউ টের পায়নি। টের পায়নি মানুষরূপী হায়েনা গুলি যারা তিন স্তরের নিরাপত্তা স্তরের কথা শোনার পর থেকেই খ্যাক খ্যাক করে হাসছিল। ঘন্টা খানেক সময় ধরে তারা তাদের তান্ডব চালিয়ে গেছে, অথচ তাদের কার্যক্রম পুলিশের কোন বেষ্টনির মধ্যে ধরা পড়েনি।

“তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা” পুলিশের একটা গতানুগতিক শব্দ হয়ে গেছে। হোক না সেটা টঙ্গীর বিশ্ব এজতেমা কিংবা রাজপথে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা, বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী এই শব্দটা প্রায়শঃই ব্যবহার করে। কিন্তু “তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা” ব্যবস্থা আসলে কি? এর কোন স্তরে কি আছে?

নিরাপত্তা সচেতন নাগরিক হিসেবে এই তিনটি স্তরের প্রতিটি স্তরে আমার বা আমাদের কি চাওয়া ছিল?

প্রথম স্তরে জনস্রোতে মিশে থাকার কথা ছিল সিভিল পোষাক পরিহিত কয়েকশত পুরুষ এবং মহিলা পুলিশ। এদের প্রত্যেকের কাছে না হলেও প্রতি ১০ অথবা ২০ জনের সাথে অন্ততঃ এক জনের কাছে যোগাযোগ ব্যবস্থা বা ওয়াকি টকি থাকা উচিত। প্রতিটি দল সুনির্দিষ্ট অবস্থানে একটু ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার কথা এবং রেডিওতে (ওয়াকি টকি) সুনির্দিষ্ট কল সাইন ব্যবহার করার কথা। প্রতিটি দল একে অপরের অবস্থান অবশ্যই জানার কথা ছিল। এই দলের সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সময় নিজ দল এবং কাছাকাছি হলে অন্য দলের দিকে মাঝে মাঝে খেয়াল রাখার কথা। এদের মধ্যে দলনেতার কাছে গোপনে ছোট অস্ত্র থাকতে পারে। আর অন্য অনেকের কাছে (হয়তো প্রতি পাঁচ জনে একজন) হাই ভোল্টেজ শক গান (High Voltage Shock Gun অথবা Stun Gun ) থাকতে পারতো। তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তার এটাই হতো আদর্শ প্রথম স্তর।

আমার প্রথম প্রশ্নঃ আমাদের মহানগর পুলিশের তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তার প্রথম স্তর কিভাবে সাজানো হয়েছিল? কতজন পুরুষ এবং মহিলা সদস্য সিভিল পোষাকে ছিল? কয়জনের হাতে যোগাযোগের রেডিও ছিল? তাদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান কোথায় ছিল? তাৎক্ষনিক যে কোন পরিস্থিতি সামলানোর জন্য তাদের কয়জনের হাতে শক গান ছিল?

দ্বিতীয় স্তরে থাকার কথা পোশাকধারী সদস্য। কয়েক লক্ষ মানুষের জনস্রোতে যে কোন ঘটনা ঘটলে সেটা সামাল দেবার জন্য প্রতি দুই বা তিন শত মানুষের জন্য একজন পোষাকধারী সদস্য – এই হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কমপক্ষে ৪০০ জন পুলিশ সদস্য প্রয়োজন ছিল। এই ৪০০ জন সদস্য ১০ বা ২০ জনের দলে ভাগ হয়ে কমপক্ষে ২০ বা ৪০ টি স্পটে অবস্থান নেবার কথা। এদের প্রত্যেকের কাছে অস্ত্র (শটগান, রাইফেল, প্লাষ্টিক বুলেট, তথাকথিত পিপার স্প্রে, স্মোক গ্রেনেড ইত্যাদি) ছাড়াও এদের সাথে দলনেতার কাছে অবশ্যই রেডিও থাকার কথা। এই ৪০০ জনের মূল দলের পাশাপাশি তাদের রিজার্ভ কিংবা ষ্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে একটা চোকস দল যেমন SWAT Team সেটা সম্ভব না হলে দাংগা পুলিশের একটি প্লাটুন মোতায়েন থাকার কথা।

আমার ২য় প্রশ্নঃ দোয়েল চত্ত্বর থেকে শাহবাগের মোড় পর্যন্ত এরকম কয়টা স্পটে কতজন পোশাকধারী সদস্য, কয়টি দলে দায়িত্ব পালন করেছিল? সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে কয়জন ছিল? তাদের কাছে নিজেদের মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ এবং পুলিশ কন্ট্রোল রুমের সাথে যোগাযোগ রক্ষার জন্য কি ব্যবস্থা ছিল? এদের কাছে লাঠি ছাড়া আর কি কি অস্ত্র ছিল?

তৃতীয় স্তরে থাকার কথা ইউনিফর্ম পরিহিত এবং সিভিল পোষাকের সদস্য। পুরো এলাকা জুড়ে যেসব Vantage Point, Choking Point, Round About বা Entry/Exit Point আছে এদের অবস্থান হবার কথা সেখানে । এরা আগের গণনার ৪০০ জনের বাইরের দল। এদের সাথেই থাকবে জলকামান, সাঁজোয়া গাড়ী, এমনকি এ্যাম্বুলেন্স। প্রতিটি অবস্থানে দ্বিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা অর্থাৎ কন্ট্রোল রুম এবং ফিল্ড টিমের সাথে আলাদা আলাদাভাবে যোগাযোগ রক্ষার ব্যবস্থা থাকার কথা।

এই তিনটি স্তরের সবাইকে সহায়তা করার জন্য বাড়তি হিসেবে থাকার কথা সিসি ক্যামেরা /সিসিটিভি। সিসি টিভিগুলি ওই তিন স্তরের কোন একটি স্তর নয়। হতে পারে না। এই ক্যামেরাগুলিকে এলাকা ভিত্তিতে বসিয়ে তাদের মনিটরগুলোও এক প্যানেলে রাখার কথা। যদি দোয়েল চত্তরে ৬ টি ক্যামেরা থাকে, তাহলে তাদের ছবিগুলো একটি মনিটরে এমনভাবে সাজাতে হবে যেন, যে কোন অপারেটর মনিটর প্যানেলে বসে সহজেই বুঝতে পারেন কোন এলাকার দৃশ্য তিনি দেখছেন। দোয়েল চত্তরের ছবি শাহবাগ এলাকার জন্য বসানো মনিটরে দেখানো যাবে না। প্রয়োজনে বাড়তি মনিটর লাগাতে হবে। কিন্তু কোনভাবেই ক্রস মিক্সিং করা উচিত নয়। কন্ট্রোল রুমের যেখানে মনিটর গুলো বসানো হবে সেখানে প্রতিটি মনিটরের জন্য কমপক্ষে দুইজন অপারেটর থাকবে। অপারেটর চাইলে এই মনিটরে বসে ক্যামেরার দিক (Direction) অথবা জুম (Zoom) নিয়ন্ত্রন করতে পারা উচিত। অপারেটরের কাছে অবশ্যই দ্বিস্তর বা তিন স্তর বিশিষ্ট যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকার কথা যাতে তারা যে কোন ফিল্ড টিম, ষ্ট্রাইক টিম বা যে কোন পর্যায়ে তাৎক্ষনিক যোগাযোগ করতে পারে। প্রতিটি ফিল্ড টিমের অবস্থান (সিভিল পোষাক এবং ইউনিফর্মধারী) সম্পর্কে এই অপারেটরদের সুস্পষ্ট জ্ঞান থাকা দরকার। কন্ট্রোল রুমে একটা বড় ম্যাপ এবং সেই ম্যাপে প্রতিটি ফিল্ড টিমের অবস্থান, সিসি ক্যামেরার অবস্থান, SWAT Team এর অবস্থান সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত থাকার কথা।

আমার তৃতীয় প্রশ্নঃ (আসলে এখানে অনেকগুলী প্রশ্ন আছে। তাই একের পর এক সাজিয়ে দিলাম)

১। সিসি ক্যামেরাগুলি কি পুলিশের তথাকথিত তিন স্তরের কোন একটি সুনির্দিষ্ট স্তর ছিল?
২। তিন স্তরের শেষ স্তরে ঠিক কি ছিল?
৩। ১৩১টি ক্যামেরার সবগুলো চালু ছিল কি? এদের ধারণ করা ছবি এলাকা ভিত্তিতে আলাদা আলাদা ভাবে মনিটরে সাজানো হয়েছিল কি? প্রতি মনিটরে কয়জন অপারেটর ছিল? তাদের সাথে ফিল্ড টিমের তাৎক্ষনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল কি? ফিল্ড টিমের কে কোথায় আছে সে সম্পর্কে সিসিটিভি মনিটরের দায়িত্ত্বে থাকা অপারেটরের সুস্পষ্ট জ্ঞান ছিল কি? কন্ট্রোল রুমে কোন ম্যাপ ছিল কি?
৪। সিসি ক্যামেরাগুলির সাথে দিক (Direction) অথবা জুম (Zoom) নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা সংযোজিত ছিল কি?
৫। ডিএমপির সদর দপ্তর থেকে কী মনিটর করা হচ্ছিল? ইউনিফর্ম পরা ও সিভিল পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাই বা ‘কয়েক স্তরে’ কী নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন? কেন তাঁরা নারীদের লাঞ্ছনার ঘটনাগুলো প্রতিরোধ করতে ও লাঞ্ছনাকারীদের আটক করতে ব্যর্থ হলেন?
৬। সিসিটিভি ক্যামেরা গুলো যে জায়গা হতে CONTROL করা হচ্ছিল বা যিনি CONTROL করছিলেন তিনি বা তাদেরকে কোন প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছিল কি? এই অপারেটররা ঘটনার সময় কি করছিলেন ?

ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলী বলেছেন , ‘আমি বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে ছিলাম এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকেও ছিলাম। বিগত সময়ে যেসব জায়গায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল সেগুলো চিহ্নিত করি, যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। সে জন্য পরিকল্পনাও নেওয়া হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজও চলছিল, কিন্তু কিছুটা ব্যত্যয় ঘটেছে। পরিকল্পনার শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।’

আমার চতুর্থ প্রশ্নঃ ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলীর কথিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কি কি কাজ করা হয়েছিল? সেগুলিও কি পুলিশের তিন স্তরের কোন একটি স্তর ছিল?

আমার প্রশ্নগুলির উত্তর আমি নিজেই দিয়ে দিচ্ছি।

প্রথম স্তরে পর্যাপ্ত জনবল ছিল না, থাকলেও সুনির্দিষ্ট জায়গায় ছিল না। সুনির্দিষ্ট জায়গায় থাকলেও তাদের সাথে আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল না। এমনও হতে পারে, প্রথম স্তরে আসলে কিছুই ছিল না। প্রথম এবং দ্বিতীয় স্তর মিলিয়ে জগা খিচুরী পাকিয়ে ফেলা হয়েছিল।

দ্বিতীয় স্তরেও পর্যাপ্ত জনবল ছিল না। যারা ছিল তারা সুনির্দিষ্ট জায়গায় ছিল না।তাদেরকে কোন সুনির্দিষ্ট জায়গা দেখিয়ে দেয়া হয় নি যেখান থেকে তারা পুরো এলাকার উপরে নজর রাখতে পারতো। তাদের সাথে আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল না। তাই তারা তাৎক্ষনিকভাবে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফোর্স একত্র করতে পারেনি। আর পারেনি কন্ট্রোল রুমের সাথে যোগাযোগ করতে।

তৃতীয় স্তরে নিশ্চয়ই কিছু ফোর্স ছিল। কিন্তু তাদের অবস্থান এবং সার্বিক কার্যকলাপ কি ছিল সেটা আরো বড় প্রশ্ন বোধক চিহ্ন।

১৩১ টা সিসি ক্যামেরা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে, মাঠ পর্যায়ে সমন্বয় করে বসানো হয়নি। সেগুলো পরিচালনার দায়িত্বে যারা ছিল তাদের সাথে ফিল্ড পর্যায়ের কোন যোগাযোগ বা সমন্বয় ছিল না এটা পরিস্কার। তারা দায়িত্ব পালনেও মারাত্বক অবহেলার পরিচয় দিয়েছে। পুলিশের বসানো সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজে নারীদের লাঞ্ছিত করার অন্তত ১০টি দৃশ্য ধরা পড়লেও, পুলিশকে ঘটনাস্থলে এসেছে একদম শেষ পর্যায়ে। সিসি ক্যামেরা বসিয়ে অপরাধ সংঘটনের ছবি তোলা এবং অপরাধ ঘটে যাওয়ার পরে ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করতে গলদঘর্ম হওয়ার চেয়ে অপরাধ ঘটার মুহূর্তেই তা ঠেকানো বেশি দরকারি। এই দরকারী কথাটা পুলিশ বিভাগের কেউ মনে প্রানে বিশ্বাস করেন বলে মনে হয় না।
প্রক্টর এম আমজাদ আলী এখন যে পরিকল্পনার কথা বলছেন সেই অনুযায়ী কাজ যে হয়নি সেটা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। আর ঘটনার সময় তিনি কম্পিউটারে ভিডিও গেমস খেলছিলেন, তাই তার ভুমিকা নিয়ে আর কোন কথা না বলাই ভাল।

আমার সর্বশেষ প্রশ্নঃ পুলিশের তথাকথিত তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে শুভংকরের ফাঁকি অথবা ফাঁকা বুলি?