ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

” শরীয়তপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন নাহিন রাজ্জাক। গত রোববার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শেখ হাসিনা । সংসদীয় বোর্ড সূত্রে একথা জানা গেছে। নাহিন রাজ্জাক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সাবেক সদস্য প্রয়াত আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। তাঁর মৃত্যুতে এই আসনটি শূন্য হয়” – প্রথম আলো এই রকম খবরটি ছেপেছিল, সব টিভি চ্যানেল এই খবর প্রচার করেছে।

আমি সরকারি দলের কাছে একটা বিনীত অনুরোধ রাখতে চাই। সংসদে আপনাদের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। আপনারা চাইলে দেশে সাংবিধানিকভাবে পরিবারতন্ত্র কায়েম করতে পারেন। আপনাদের দলের কোন সাংসদ, বিরোধী দল অথবা আপামর জনগণ এটাই চায়। আর সাংবিধানিকভাবে পরিবারতন্ত্র কায়েম করলে সাংসদ এর ছেলে অথবা ভাই অথবা স্ত্রী সাংসদ হবেন, প্রধান মন্ত্রীর ছেলে প্রধান মন্ত্রী হতে পারবেন। কোন নির্বাচন দরকার হবে না। ক্ষমতার পুরো ব্যপারটা ঐসব পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। আমরা শুধু ভোট দিয়ে যাব, কাউকেই প্রত্যাখান করবো না। আইন না হলেও এরকম একটা ব্যাপার দুই প্রধান দলেই প্রচলিত আছে। যে কোন সংসদ মারা গেলেই তার যায়গায় তার স্ত্রী/পুত্র যারা জীবনে কোনদিন রাজণীটিতে ছিলেন না তাদেরকেই মনোনয়ন দেয় হয়। বি এন পি’র সাংসদ সাবেক শিল্পমন্ত্রী শামসুল ইসলাম মারা যাবার পর তার ছেলেকে মনোনয়ন দেয় হয়েছিল, সাংসদ আহসানউল্লাহ মাস্টার নিহত হবার পর তার কলেজ পড়ুয়া ছেলেকে মনোনয়ন দেয় হয়েছিল। এরকম অনেক উদাহরণ দেয় যাবে।

ব্যক্তিগত ভাবে আমি এবং অনেকেই চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাজনীতি থেকে অবসর নিলে তার ছেলে জয় অথবা মেয়ে পুতুল আর তাও না হলে তার বোন শেখ রেহানা যেন প্রধানমন্ত্রী হন। আশা করি বিরোধী দল এতে অমত করবে না, কারন, এতে করে সাংবিধানিক ভাবে তারেক অথবা কোকো তাদের মায়ের পদটি দখলে নিতে পারবেন। সুতরাং সাংবিধানিকভাবে পরিবারতন্ত্র কায়েম করা হলে সবার জন্য ই সেটা মঙ্গল জনক হবে।

ব্লগ লেখক এবং পাঠকদের মুল্যবান বক্তব্য এবং মন্তব্য আশা করছি।