ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

আজ সকাল ১০:৩০ মিনিটে নতুন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে ট্রাষ্টিগণ, মন্ত্রীপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকগণ ও দেশের গণ্যমান্য অনেক লোক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা ও উদ্ভোধনী ভাষণ প্রদান করেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি জনাব আসাদুজ্জামন নূর।

প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ৭৫ পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সব চেয়ে বেশী বিকৃত করা হইয়াছে, যার কারনে নতুন প্রজন্মের অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আশা করি মুক্তিযুদ্ধের এই জাদুঘর বর্তমান প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে সক্ষম হবে। এছাড়া অনুষ্ঠানে ট্রাষ্টিগণ সবাই তাঁদের নিজ নিজ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের ২২শে মার্চ সেগুন বাগিচার ভাড়া বাড়িতে ছোট পরিসরে শুরু করা জাদুঘরের অবস্থান থেকে আজকের এই নিজস্ব জায়গায় ভিত্তিপ্রস্তরকে স্বপ্নপূরণের একটি ধাপ বলে উল্লেখ করেন।

ট্রাষ্টিগণের মধ্যে -সারা যাকের মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য শোক প্রস্তাব পাঠ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই ১ মিনিট নিরবতা পালন করেন। ট্রাষ্টি আলী যাকের- ১৯৯৬ সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর গঠনের পর থেকে জাদুঘরের মন্তব্য বইয়ে প্রাপ্ত কিছু নির্বাচিত মন্তব্য পড়ে শুনান। ট্রাষ্টি জিয়াউদ্দিন তারিক আলী-শুনান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিদর্শনকারী বিদেশী অথিতিদের কিছু মূল্যবান মন্তব্য। তাঁর মধ্যে- অরোরা, অর্মত্য সেন, ভূটানের রাজা আরো অনেকর মন্তব্য। ট্রাষ্টি আক্কু চৌধুরী নতুন স্থাপনার ভিন্নদিক তুলে ধরেন আগত অথিতিদের কাছে। ট্রাষ্টি মফিদুল ইসলাম, ট্রাষ্টি রবিউল হুসাইন ও ট্রাষ্টি ডা. সারওয়ার আলী মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নিয়ে তাদের নিজ নিজ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন ।

ছবির এ্যালবাম


ছবি:-ভিত্তিপ্রস্তর প্লেট


ছবি:- যেখানে নতুন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মিত হচ্ছে।


ছবি:- নতুন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের জমির একাংশ।


ছবি:- বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতীক।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নিয়ে আমার আরো দুটি পোষ্ট

১.স্বাধীনতার ৪০ বৎসর পর নির্মিত হতে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর- এই গৌরবের স্থাপনায় আপনিও একজন গর্বিত অংশীদার হউন।

২.সবার সহযোগীতায় নির্মিত হবে নতুন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর- আপনিও এগিয়ে আসুন।