ক্যাটেগরিঃ ফটো

 

আজ ৩১শে অক্টোবর হ্যালোইন দিবস। আমেরিকার অধিবাসীরা ১৯৫৪ সাল থেকে ৩১ অক্টোবরকে হ্যালোইন দিবস বা ভূত তাড়ানো দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। এদিনে বাচ্চারা বিভিন্ন সাজে সজ্জিত হয়ে( বিশেষ করে ভুত কিংবা ডাইনি) বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্যান্ডি বা মিষ্টি জাতিয় খাবার সংগ্রহ করে। প্রতিটি বাড়ির দরজায় গিয়ে বাচ্চারা জিজ্ঞেস করে Treat or Trick?? যারা চকলেট বা ক্যান্ডি দিতে চান তারা বলেন Treat, আর বাচ্চাদের ক্যান্ডি দেন। আগে এ দিবসকে কেন্দ্র করে মানুষের আগ্রহ না থাকলেও ইদানিং এই ‘হ্যালোইন ডে’ উপলক্ষে স্কুলগুলোতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। মূলত বাচ্চাদের মন থেকে ভূতের ভয় তাড়ানোর জন্যই এই আয়োজন হয়ে থাকে। মিষ্টি কুমড়াকে ভেবে নেয়া হয় ভূতের স্বরূপ হিসেবে। তাই এদিন ঘরে আনা হয় বড় বড় মিষ্টি কুমড়া। এগুলো বিভিন্নভাবে সাজিয়ে রাখা হয় । ইউরোপ ও আমেরিকায় ‘হ্যালোইন ডে’ উপলক্ষে স্কুলের ছেলেমেয়েরা প্রত্যেকে ভূতের পোশাক পরে স্কুলে যায়। দৈত্য-দানবের ছবিযুক্ত পোশাক এবং বিভিন্ন রকমের ভৌতিক মুখোশ পরে বাচ্চারা দিবসটি পালন করে। ৩০শে অক্টোবর থেকে শুরু হয় স্কুলে স্কুলে ‘হ্যালোইন পার্টি’। এ উপলক্ষে মিষ্টি কুমড়োর চারপাশে মোমবাতি জ্বালানো হয়। স্কুলে বাচ্চাদের দেয়া হয় দামি দামি চকলেট। তাছাড়া কিছু কিছু দোকান ও বাড়ির প্রবেশ মুখে হ্যালোইন ডে উপলক্ষে বড় বড় দৈত্য-দানবের ম্যুরাল রাখা হয় এবং আলাদাভাবে সাজানো হয়। বাচ্চারা এসব দোকান ও বাড়িতে প্রবেশ করে ইচ্ছেমতো ফ্রি চকলেট নিয়ে আসে। আবার একটি অংশ ‘ভূত আছে’ এই বিশ্বাস থেকে ‘হ্যালোইন ডে’ পালন করে। তারা ভূতকে বশে আনার জন্য এসব কর্মসূচি পালন করে। তারা দোকানে ও বাড়িতে কৃত্রিম মাকড়সার জাল, মাকড়সা এসব রাখে। প্রতি বৎসরের মতো এবারও ইউরোপ ও আমেরিকায় হ্যালোইন ডে পালন করা হচ্ছে যথেষ্ট আগ্রহ ও উৎসাহের সাথে।