ক্যাটেগরিঃ ফটো

 

প্রায় ২৫ বৎসর আগে প্রথম কলকাতা বেড়াতে গিয়ে মানুষ চালিত টানা গাড়ী “টাঙ্গা” দেখে একটু অবাক হয়েছিলাম এই ভেবে যে, এই গাড়ীর চালক গুলো বোকার মতো এত কষ্ট করে কেন? আমাদের দেশের প্যাডেল চালিত রিক্সার মতো রিক্সা চালালেই তো পারে। আসলে এগুলো নাকি কলকাতার পুরানো ঐতিহ্যের সাক্ষী। আমি গাড়ী গুলোর দিকে শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেছিলাম…কিন্তু কখনো ঐ গাড়ীতে চড়ার নৈতিক সাহস পায়নি। তারপর গত এক বৎসর আগে ঢাকা শহরে দেখেছিলাম পঙ্খীরাজের দ্রুততা নিয়ে ব্যাটারী চালিত নতুন রিক্সা। ঐ রিক্সায় প্রথম দিন চড়তে গিয়ে ভয়ে প্রায় আড়স্থ হয়ে পড়েছিলাম। এবার আরো একটি নতুন অভিজ্ঞতা হলো গত কয়েকদিন আগে পদ্মাপাড়ের গ্রাম ঝিটকা বেড়াতে গিয়ে। বিশাল একটি রিক্সা খুব দ্রুত গতিতে ছুটে এসে আমার একপাশে থামলো। সব কিছুই বাংলার ঐতিহ্য আল্পনায় মোড়ানো রঙ্গিন রিক্সার আদলে করা..তবে একটু ডাউস সাইজের। পরে খুটিয়ে খুটিয়ে ডাউস সাইজের রিক্সাটি দেখলাম। এটি স্যালো মেশিন দিয়ে তৈরী.. রিক্সার একটি নতুন সংস্করন। দেখতে খারপ না..বেশ ভালই লাগলো। মূল রিক্সা এবং বিপরীতের একটি সিটে মোট ৪ জনের বসার জায়গা। এটি ঝিটকা থেকে ইছামতি নদীর পাড় বেয়ে মানিকনগর হয়ে পদ্মাপাড় পর্যন্ত আসা যাওয়া করে। ৫ কি:মি: যেতে প্রতিজনের ভাড়া গুনতে হয় ২০ টাকা। ছবিটি আইফোনে তোলা, ছবির স্থান: মানিক নগর, ঝিটকা, মানিকগঞ্জ। তারিখ: ১১/০৫/২০১২ইং, সময়: বিকাল ০৩:২৫ মিনিট।