ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

“ভাইরাস” শব্দটি শুনলেই দেহের ভিতরটা শিউরে ওঠে। যেমন- ইবোলা, এইচ আইভি ভাইরাস নিয়ে মানুষের মাথা ব্যাথার শেষ নেই। ভাইরাস শুধুমাত্র একজন মানুষের জন্য নয় গোটা মানব জাতির জন্য ভয়ঙ্কর। ভাইরাস পৃথিবী থেকে মানুষের অস্থিত্ব বিলীন করতে পারে। বিজ্ঞানের আর্শীবাদের কারণে প্রযুক্তি এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষই এখন কম্পিউটার, মোবাইল, ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। কোলের মধ্যে ল্যাপটপ আর হাতের মধ্যে মোবাইল ফোন রাখা মানুষের একধরনের ফ্যাশানে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। একশ জন ছাত্র-ছাত্রীর কম্পিউটার আর আধুনিক স্মার্ট ফোন চেক করলে বেশিরভাগ ডিভাইসেই পর্নোগ্রাফি নামক বিষাক্ত জীবাণু পাওয়া যাবে। মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী সকল শ্রেণী পেশার মানুষই পর্নোগ্রাফি নামক ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত। দিনে দিনে এই ভাইরাস দ্বারা প্রভাবিতের সংখ্যা আনুপাতিক হারে বাড়ছে। যেটা ভয়ানক। এখন ছয় ক্লাসে পড়ুয়া ছাত্রের হাতেও দামি স্মার্ট ফোন রয়েছে। মা-বাবাই হয়তো আদরের সন্তানের আবদারের কাছে নত হয়ে তাদের হাতে তুলে দিচ্ছে মোবাইল ফোন। একটা ছয় ক্লাসে পড়ুয়া ছাত্রের জন্য মোবাইলের প্রয়োজনটা কি? ছোট্ট বয়স থেকেই নৈতিক মূল্যবোধের মৃত্যু ঘটছে।

যার বদৌলতে সমাজে প্রতিদিন ঘটে চলেছে হাজারো অপরাধ। পর্নোগ্রাফি মানব মস্তিস্কের বিকৃতি ঘটিয়ে মানুষকে অপরাধ প্রবণ করে তুলছে। নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ ধ্বংসের সব থেকে বড় হাতিয়ার “পর্ণগ্রাফী”। বর্তমান সময়ে ছেলে-মেয়েরা জানালা-দরজা বন্ধ করে পড়াশুনা করে। মা-বাবা ভাবে ছেলে আমার খুব পড়াশুনা করছে কিন্তু বাবা-মায়ের চিন্তার অনেক উপরে উঠে সে হয়তো তখন ল্যাপটপে মুখ গুজে ইন্টারনেটে অশ্লীল ভিডিও দেখছে। এটাই বাস্তবতা। আজ যদি পর্ণগ্রাফীকে আমরা ঠেকাতে না পারি তাহলে অদূর ভবিষ্যতে এই পর্ণগ্রাফী দমনই এক বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তখন এই ভাইরাস দমনে কোন ভ্যাকসিনেও কাজ হবেনা।