ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় যে ফল পাকে তাতে মাছি বসবে; কিন্তু কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হলে সে ফলে মাছি বসবে না। আম কাটার পর চামড়ার ঠিক নিচে ফলের অংশে কাঁচা পাওয়া যাবে। যদিও চামড়াটি পাকা রংয়ের বর্ণ ধারণ করেছিল। যদি ঝুড়িতে বা দোকানে সবগুলো ফল একই সময়ে একই রকম পাকা দেখা যায় এবং দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে ফলের চামড়ায় আঁচিল বা তিলের মতো রং দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে এগুলো কেমিক্যালযুক্ত ফল। প্রাকৃতিকভাবে পাকা ফলের চামড়া উঠানোর পর এক ফোঁটা আয়োডিন দিলে তা গাঢ় নীল অথবা কালো বর্ণ ধারণ করে। কিন্তু কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো ফলে এই আয়োডিনের রং অপরিবর্তিত থাকে।

কার্বাইড পরীক্ষার নিয়ম: এক কেজি আম নিয়ে ভালোভাবে পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর পানির সঙ্গে শূন্য দশমিক ১ মিটার সোডিয়াম হাইড্রো-অক্সাইড মেশাতে হবে। ক্যালসিয়াম ইন্ডিকেটর যোগ করে ইডিটিএ দ্রবণ দিয়ে ট্রাইটেশন করলে যদি গোলাপি রং ধারণ করে তাহলে বুঝতে হবে আমের মধ্যে কার্বাইড আছে।

যা করবেন: ১০ গ্রাম লবণের পানিতে আমগুলো কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখতে হবে। এরপর ভালোভাবে ধুয়ে আমের ভেতরের অংশ খেলে কিছুটা রক্ষা পাওয়া যাবে।

***
লেখকঃ প্রকৌশলী (খাদ্য প্রযুক্তি)