ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

বসবাসের উপযুগিতার কিংবা অনপোযুগিতার বিচারে কতটুকু আবাসযোগ্য তার ফিরিস্তি নাইবা দিলাম, তবে গাদাগাদি করে থাকছেন ছাত্রীরা। লাইব্রেরী বিল্ডিংয়ের দোতলায় একটি হল রুমে একসাথে গাদাগাদি করে থাকেন প্রায় দু’শতাধিক ছাত্রী। এই চিত্র ঢাকাস্থ শের ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী বিল্ডিংয়ের দো-তলায় অস্থায়ী একটি ছাত্রীনিবাসের।

সরেজমিন দেখা গেছে, দ্বিতলবিশিষ্ট বিল্ডিংয়ের দোতলায় একটি বিশালাকার কক্ষ রয়েছে। এই বিশালাকার কক্ষটিতেই গাদাগাদি করে আছেন দু’শতাধিক ছাত্রী। ফ্লোরিং করে, একটি বিছানা দু’জন মিলে ভাগ করে মানবেতর ভাবে বসবাস করতে হচ্ছে এসব শিক্ষার্থীদের। শ্রেণীকক্ষ থেকে ফিরে গোসল কক্ষের সামনে দিতে হয় এক বিশাল লাইন। অস্থায়ী এই ছাত্রীনিবাসের নিজস্ব ক্যান্টিন ও ডাইনিং থাকলেও খাবারের মান উন্নত করার কোন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছেনা; তাই আবাসিক এসব ছাত্রীদের প্রায়ই দুবেলা খাবার নিতে অর্ধকিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় পাশের ছাত্রী হলে। হলে খাবার নিতে গিয়েও পড়তে হয় সেই লাইনে। যেন চারদিকে শুধু লাইন আর লাইন।

ছাত্রীনিবাসের দায়িত্বশীল গার্ড বলেন, “একে তো কক্ষসংকট, হল সংকট। মেয়েরা ভালো নেই। শত শত কিলোমিটার দূর থেকে পড়তে আসা মেয়েরা শুধু পড়াশুনার জন্য এ কষ্ট স্বীকার করে নিয়েছেন।” শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী বলেন, “নানা সমস্যা সত্ত্বেও আমরা সেখানে বসবাস করছি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নতুন আরও একটি ছাত্রী হল তৈরির কাজ শুরু করেছেন। সেই ছাত্রী হলের নির্মাণকার্য কত দ্রুত শেষ হয় তার উপর নির্ভর করছে আমাদের দুর্ভোগের সীমারেখা।” যত দ্রুত সম্ভব নতুন ছাত্রী হলের কাজ সমাপ্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আবাসিক এসব ছাত্রীদের দুর্ভোগের পরিসমাপ্তি ঘটাবেন বলে শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশা করছেন।