ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

ভারতীয় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বাংলাদেশ সফর শুরুর দিন (রোববার) ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিএসএফ বুড়িমারী সীমান্তে এক বাংলাদেশিকে নির্মমভাবে হত্যা করে তার লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, আজ ( ২৪-০৭-১১, রোববার ) বুড়ীমাড়ি ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তের ৮৩৫ নম্বর মেইন পিলারের পাশ থেকে ভারতীয় কুচবিহার ১০৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বিএসবাড়ি সীমান্ত ফাঁড়ির টহল দল রোববার ভোরে রফিকুল ইসলামকে আটক করে। এরপর তাকে বেদম প্রহার ও কপালে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে। পরে তার লাশ সীমান্তের সানিয়াজান নদীতে ভাসিয়ে দেয় তারা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার এই দলিলটি এখনো ভারতে কেন!


পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গেও ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। কিন্তু কোনো দেশের সীমান্তেই বিএসএফ এভাবে মানুষ হত্যা করে না। আসলে করার সাহস পায় না। সাহস পায় না কারণ, এই ক্ষেত্রে পাকিস্তান ও চীন নামক দেশ দুটি ভারতকে যেমন কুকুর তেমন মুগুর কথাটার অর্থ বুঝিয়ে ছাড়বে।

বাংলাদেশী হওয়ার অপরাধে এভাবে পায়ে ধরে জীবন ভিক্ষা চাইতে হবে আর কত দিন। এই ভাবে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড কি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ নয়? দেখুন এখানে

মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের পরিচালক নাসির উদ্দিন এলানের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, ভারতের শাসকগোষ্ঠীর উদাসীনতার কারণে বিএসএফ এসব হত্যাকাণ্ড ঘটানোর সাহস পাচ্ছে। হত্যাকাণ্ড বন্ধে কেন্দ্রীয় সরকার আন্তরিক হলে বিএসএফের পক্ষে একটি হত্যাকাণ্ডও চালানো সম্ভব নয়। বিএসএফ নিজেদের বীরত্ব দেখিয়ে চলেছে। বীরত্ব দেখানোর জন্য আবার বেছেও নিচ্ছে ফেলানীর মতো নিরীহ কিশোরীদের। আমরা মনে করি, বিএসএফের এই হত্যাকাণ্ডের অবসান ঘটানো দরকার।