ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

গত পরশু গুলশানে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ব প্রথম ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হামালা কে আমি ধিক্কার জানাই এবং আফসোস হয় ওই সকল বাচ্চা ছেলেদের জন্য যারা জীবন কি জিনিস তা বোঝার আগের পৃথিবী বাসীর পাহাড় সম ঘৃনা নিয়ে ইহকাল ত্যাগ করল। এই ঘটনার সাথে সমরেশ মুজুমদারের গর্ভধারীনির কাহিনী অনেকটাই মিলে যায়। এরা কি সত্যিই জঙ্গি? নাকি ফ্যান্টাসি করে হিরো হতে চেয়ে ছিল? ওদের যা বয়স তাতে তো ওদের কল্পনার রাজ্যে বিচরন করার সময় এবং ঠিক তাই হয়েছে তারা কু-কল্পনার জগতে বিচরন করতে করতে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিল। সুধু এরাই আমাদের সামনে উদাহারন নয় আমাদের পাশ্ববর্তী দেশের নকশাল আন্দোলন নিয়ে পড়লে বোঝা যায় এই বয়সী তরুন রা কত দ্রুততার সঙ্গে নিজেকে পরিবর্তন করতে পারে। নকশাল আন্দোলন ছিল উগ্র-বাম ধারার আর এরা হল উগ্র ডান ধারার আসলে এই ধরনের ব্রেন-ওয়াশ ছেলে মেয়েদের কোন বাম ডান থাকে না। সেই একই পন্য শুধু মোড়ক টা আলাদা, সেখানে ডায়মন্ড হারবার এখানে গুলশান, ঠিক সেই উচ্চবিত্তের ছেলে মেয়েই আর সময় টা আলাদা।

এরা খুব বেশি ইমোশনাল থাকে তাই এদের কে খুব সহজেই কাজে লাগানো যায় হোক সেটি, বিপ্লবী, স্বাধীনতা কামী বা জঙ্গী এই বয়সী ছেলে বা মেয়েদের সংখা থাকে বেশী। এই সব ডান অথবা বাম ধারার উগ্রপন্থিদের রিক্রুটমেন্ট করা হয় ১৬-১৮ বয়সের মধ্যে খুবিই সহজ হয় এদের ব্রেন কে কোন দল পথ বা মতের পক্ষে নিতে আবার বিপক্ষে নিতে। এরা সুধু কর্মি হিসেবে কাজ করে কিন্তু মেওয়া ফল ভোগ করে অন্যরা। এখন কার মা-বাবা দের অনেক সতর্ক হওয়া প্রয়োজন, এদেরকে নিজেদের থেকে দূরে না রাখা। সবার উচিত তার ছেলে বা মেয়ের ঘরের দরজাটি যেন বন্ধ না করে। সব সময় মা-বাবার উচিত ইন্টানেটে কি করেছে তার প্রতি খেয়াল রাখা। মা-বাবা যদি সতর্ক না হোন তাহলে এই রকম রোহান বা নির্বাসের মত ছেলেরা এই বাংলায় জন্মাতে থাকবে…আর বাংলার জমিন রক্তে রঞ্জিত হতেই থাকবে।