ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

ছুটির দিনগুলোতে অনেকেই ঘুম থেকে দেরি করে উঠতে পছন্দ করেন। যেন বিগত সপ্তাহের ক্লান্তি শেষে আগামি সপ্তাহের জন্য নিজেকে গুছিয়ে নেয়া। অনেকে মনে করেন দিনের শুরুটা যদি ভালো হয়, তাহলে সারা দিনটি ভালো যাবে। তাই কিছুটা আলসেমি যেন পেয়ে বসে নিজেকে। মন চায়না হেঁশেলে যেতে। ছুটির দিনগুলোতে অনেকে এতটাই দেরি করে ওঠেন; যখন না থাকে সকালের নাস্তার সময়, না হয় দুপুরের খাবার সময়। তারা এই সময়টাতে সেরে নিতে পারেন ব্রাঞ্চ। এই অভিপ্রায়ে গতানুগতিক নাস্তা থেকে যারা মুক্ত হতে চান, সকালের নাস্তার টেবিলে যারা বিভিন্ন ধরনের নাস্তা পেতে চান কিংবা বাইরের খাবারে যাদের আকর্ষন রয়েছে প্রচুর, তারা বেছে নিতে পারেন অভিজাত রেস্টুরেন্টে সকালের নাস্তা কিংবা ব্রাঞ্চ। সঙ্গী, ফ্যামিলি অথবা একাই খেয়ে পরখ করতে পারেন এসব মুখরোচক সুস্বাদু খাবার । দেশী খাবারের পাশাপাশি এসব যায়গায় পাবেন বিদেশী নানারকম খাবার । যেমন ইংলিশ, চাইনিজ, কোরিয়ান, থাই, ইটালিয়ান, ভারতীয়সহ বিভিন্ন দেশের মজার সব সকালের নাস্তা। যেখানে আপনি পেয়ে যেতে পারেন আপনার পছন্দের নাস্তা অথবা ব্রাঞ্চের খোঁজ। এখন আপনাদের অবগতির জন্য জানিয়ে দিচ্ছি কোথায়, কোন রেস্টুরেন্টগুলোতে, কি রকম দামে আপনি বিভিন্ন রকমের নাস্তা পেতে পারেন ।

প্রথমেই জানিয়ে দিচ্ছি রুপসী বাংলা হোটেলের “বিথীকা” রেস্টুরেন্টের কথা। বুফে সিস্টেমে সকালের এই নাস্তার দাম পড়বে জনপ্রতি ১৭০০ টাকা (আমার সাধ্যি নাই!)। সোনারগাঁ হোটেলে রয়েছে “ক্যাফে বাজার” এ বুফে সিস্টমে নাস্তার জনপ্রতি দাম পড়বে ১৬৫০ টাকা ।

বনানীর ১১ নম্বর রোডে রয়েছে “ক্যাফে নিমো”। বুফে সিস্টেমে সকালের নাস্তার দাম পড়বে জন প্রতি ৬৩১ টাকা। বনানী২৫/এ রয়েছে রয়েল পার্ক রেসিডেন্স হোটেল এর “রয়েল পার্ক রেস্টুরেন্ট”। জনপ্রতি এসব খাবারের দাম পড়বে ৯৭২ টাকা। এছাড়া বনানীর হোটেল সেরিনার রেস্টুরেন্ট “সামার ফিল্ড” এ একেক জন ১০৫০ টাকায় পেয়ে যাবেন সকালের নাস্তা।

গুলশান-২ এ রয়েছে লেকসোর হোটেল এর “গোল্ডেন গুজ রেস্টুরেন্ট”। বুফে সিস্টেমের এই খাবারে দাম পড়বে জন প্রতি ১৩২০ টাকা। এছাড়া কাছাকাছি রয়েছে “হোটেল লেক ক্যাসেল”। এখানে সকালের নাস্তার দাম পড়বে জন প্রতি ৫০৬ টাকা। ওয়েস্টিন এর “সিজোনাল টেস্ট রেস্টুরেন্ট” এর সকালের নাস্তার জন্য দাম গুনতে হবে ২০০০ টাকা।

হোটেল রেডিসনের “ব্রাসারি” রোস্তোরায় নাস্তার দাম ১২৫০ আর শুক্রবারে ব্রাঞ্চের দাম ১৫৯০ টাকা। এয়ারপোর্ট রোডের নিকুঞ্জ-২ এ ঢাকা রিজেন্সি হোটেল এ্যান্ড রিসোর্ট এর “গ্রান্ডিওস রেস্টুরেন্ট” এ খাবারের দাম পড়বে জন প্রতি ১৫১৮টাকা এবং ব্রাঞ্চের দাম পড়বে জনপ্রতি ১৬৮৪টাকা । এছাড়া এয়ারপোর্ট রোডের আরমি গলফ ক্লাবের কাছে রয়েছে “গ্রীন স্টার ক্যাফে”।

লালমাটিয়াতে রয়েছে “স্বাদ তেহারি ঘর”। এখানে প্রতিদিন পাবেন সব দেশী নাস্তা। ধানমন্ডি পুরাতন ২ নম্বর রোডে পাবেন “স্টার হোটেল এন্ড কাবাব”।

সকালের নাস্তার সময় বেশিরভাগ রেস্টুরেন্টে শুরু হয় সাড়ে ৬টা থেকে এবং পাওয়া যায় সাড়ে দশটা এগারোটা পর্যন্ত। এছাড়া যেসব রেস্ট্রুরেন্টে ব্রাঞ্চের ব্যবস্থা রয়েছে সেখানকার সময় ১০/১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত।

অভিজাত রেস্টুরেন্টগুলো মূলত বিদেশীদের লক্ষ্য রেখে খাদ্যের ব্যঞ্জনা সাজিয়ে থাকে। তবে দেশী অভিজাতদের আধিক্যও এসব রেস্টুরেন্টে কম দেখা যায় না। এছাড়া স্বাদ বদলাতে বা ভিনদেশী খাবার পরখ করার জন্যও অনেকে এসব রেস্টুরেন্টে ঢু মেরে থাকে বলে আমার মনে হয়।

তথ্যসূত্র: ঢাকাস্নব ওয়েব থেকে।