ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

গণযোগাযোগ ও জনসচেতনতার জন্য সংবাদ মাধ্যমের বিকল্প কিছুই নেই। সংবাদপত্র এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে বাংলাদেশের অবস্থান লক্ষনীয়। সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে, তালমিলিয়ে চলছে উন্নত বিশ্বের সাথে। একমাত্র সাংবাদিকরাই পারে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দূর্বিসহ পরিস্থিতি, এলাকায় ঘটে যাওয়া নান ঘটনা-দূঃঘটনা পুরো সমাজ তথা পুরো বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে।

“শিশুরাই আগামীর ভবিষ্যৎ” তাইতো সাংবাদিকতাতেও পিছিয়ে নেই শিশুরা। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলাগুলোতে শিশু সাংবাদিকতা নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কার্যক্রম লক্ষ করা গেলেও কাহালুতে এর নেই কোন উদ্দোগ। ১৯৯২ সালের দিকে কাহালু প্রেসকাব প্রতিষ্ঠিত হলেও আজ পর্যন্ত শিশু সাংবাদিকতা নিয়ে করা হয়নি কোন কর্মশাল। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের শিশুদের জন্য আলাদা প্লাটফর্ম (হ্যালোপ্রিজম) থাকলেও এ অঞ্চলে নেই তার কার্যক্রম।

এছাড়া অন্যান্য সংবাদ পত্র কিংবা টিভি চ্যানেলের এরকম কার্যক্রম থাকলেও তা তেমন একটা লক্ষ করা যায়নি। শিশু-কিশোরদের জন্য চাই সুষ্ঠ বিকাশ মাধ্যম। শিশু কিশোরদের মধ্যে তাদের প্রতিভা সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। আর এ প্রতিভাকে জাগ্রত করার জন্য প্রয়োজন উৎসাহ। উৎসাহ না পাওয়ায় দমিয়ে রয়েছে এ অঞ্চলের শিশু কিশোররা। শিশু কিশোররাই পাড়ে তাদের বিদ্যালয়ের ও তাদের এলাকার ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা সুন্দর ও সাবলিল ভাষায় তুলে ধরতে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে বঞ্চিত কাহালুর প্রতিভাবার শিশু-কিশোররা। তাদের উৎসাহের জন্য নেই কোন কার্যক্রম।

কাহালু বিশ্ববিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির একাধিক শিক্ষার্থী বলেন “আমি এবং আমার বন্ধুদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা লিখতে ভালোবাসে। কিন্তু আমরা লেখা অন্যদের সামনে অর্থাৎ বিশ্বের কাছে তুলে ধরব তার কোন প্লাটফর্ম পাচ্ছিনা। আমি সাংবাদিকতা ভালোবাসি, লেখাপড়ার পাশাপাশি এ মহান পেশার সাথে আমি জড়িত হয়ে দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি, অবনতি তুলে ধরতে চাই।”  এছাড়া অনেক তরুণ প্রতিভাবান শিশু-কিশোর শিশু সাংবাদিকতাতে উৎসাহ না পাওয়ায় তাদের বিকাশে পড়ছে বাধা। এ ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে দেশ। তাই তাদের অগ্রগতি ও সুপ্ত প্রতিভাকে জাগ্রত করার জন্য প্রয়োজন শিশু সাংবাদিকতা নিয়ে কার্যক্রম, তাদের জন্য তৈরী করে দেওয়া হোক আলাদা প্লাটফর্ম ও প্রকাশ মাধ্যম।