ক্যাটেগরিঃ ভ্রমণ

আগেই প্রস্তুতি ছিল এবার ছুটি কাটাতে মেইনে যাবো। মেইনে কেনো যাবো তার কোনো বিশেষ কারন নেই। শুনেছি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকুলের রাজ্য মেইনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নাকি ভা’রী সুন্দর। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের যে ক‘টি স্থানে যেতে পেরেছি তার কোনোটিরই সৌন্দর্য কম নয়। গত বছর নভেম্বরে দর্পন কবির, সীমা ভাবী, এথিনা সামী, শহিদুল আর আমরা অর্থাৎ আমি অনু রিশা রামিন যখন লুরে ক্যাভার্ন যাই তখনই ঠিক করেছিলাম এবার সামার ভ্যাকেশনে মেইনে যাবো। অফিসে দু’মাস আগেই ছুটির দরখাস্ত দেই। ২৬শে জুলাই থেকে ৩রা আগষ্ট পর্যন্ত ছুটি।

শহীদুল আগেই হোটেল বুক করে। পোর্টল্যান্ডে ক্ল্যারিয়ন হোটেল। রামিন খুব উৎফুল্ল। হোটেলে থাকাটা ওর কাছে ভীষণ মজার ব্যাপার। পোর্টল্যান্ড ক্ল্যারিয়ন গুগল খরে সব তথ্য বের করে ফেলল। বলল ‘বাবা আই এ্যাম সো এক্সাইটেড, কজ দে হ্যাভ পুল’। হোটেলের সুইমিং পুল তার প্রধান আকর্ষণ। ২৬শে জুলাই রবিবার রওনা দিলাম দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ। রওনার সময় আমার হন্ডা পাইলট এসইউভি’র মাইলেজ ১০৫১৮৮ মাইল। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় ছবি তুলে রাখলাম। সফর শেষ করে এসে আরেকটা ছবি তুলবো। মোট কতো মাইল ড্রাইভ করলাম তা জানতে পারবো।

আমরা সবসময় নিউইয়র্ক যাই টোল বাঁচিয়ে। রেগুলার রুটে অর্থাৎ আই ৯৫ হয়ে নিউ জার্সি টার্নপাইক ধরেই আগে প্রতি উইকেন্ডে যেতাম। একদিন হিসাব কষে দেখলাম ডিসি থেকে নিউইয়র্ক পর্যন্ত ওয়ান ওয়ে টোল ৪০ ডলার। আসা যাওয়া ৮০ ডলার। অর্থাৎ মাসে আমার টোল খরচ হয় ৩২০ ডলার। আর একবার আসা যাওয়ায় গ্যাস খরচ ১০০ ডলার। মাসে ৪০০ ডলার। একবার আসা যাওয়ায় রাস্তায় চা নাস্তা খরচ লাগে অন্তত: ৫০ ডলার। মাসে ৪ বারে ২০০ ডলার। সব মিলে নিউইয়র্কে মাসে আসা যাওয়ার খরচ কতো পড়লো? টোল ৩২০+ গ্যাস ৪০০+ নাস্তা ২০০। টোটাল = ৯৫০ ডলার। মাসের বেতনের সিকি ভাগই প্রায় নিউইয়র্ক আসা যাওয়ায় শেষ। বিকল্প রাস্তা খুঁজতে থাকলাম। এর ওর কাছে জিজ্ঞেস করি। একেকজন একেক রুট দেখায়।

প্রথমবার মেরিল্যান্ড থেকে বেরিয়ে রুট ৮৩ হয়ে রুট ৮১ নিয়ে পেনসেলভেনিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামের ভেতর দিয়ে নিউ জার্সিতে রুট ইউএস ওয়ানের ওপর দিয়ে স্টেটেন আইল্যান্ড ঢুকলাম। পথে দু’বার টোল দিতে হল। পিএ টার্ণপাইকে ১ ডলার এবং স্টেটেন আইল্যান্ডে ঢুকতে আউটার ক্রসিং ব্রীজে ১৫ ডলার। ড্রাইভ করলাম ৫০ মাইলের মতো বেশী। ফলে গ্যাস খরচ বাড়লো প্রায় ১০ ডলার। সময় লাগলো ঘন্টা দেড়েক বেশী। তবুও খরচ অনেক কম। বেশ কয়েকবার ঐ রুটে যাতায়ত করার পর নতুন অরেক পথ আবিস্কার করলাম। নিজে নিজেই এক্সপেরিমেন্ট করি। ইচ্ছা করেই উল্টাপাল্টা রোডে ঢুকে পড়ি। আইফোনের ওয়েজ জিপিএস অনেক কার্যকরী। ওয়েজের নারীকন্ঠের ইন্ট্রাকশন শুনতে বেশ লাগে। এক এক সময় একএক নারী কন্ঠ। সবগুলোকেই আমি সকিনা বলি। ২০০৬ সালে প্রথম জিপিএস ব্যাবহারের কথা মনে পড়ে গেল। ব্রুকলীন থেকে আটলান্টিক সিটি গিয়েছিলাম। থাক লম্বা গল্প, অন্য সময় বলবো। যা বলছিলাম। এক সময় পেয়ে যাই ডিসি-নিউইয়র্কে আমার পছন্দের রুট।

রুটটি হলো – বাল্টিমোরের পর ৯৫ থেকে এক্সিট ৮৫ (হাভরে ডে গ্রেস) এ ঢুকে বায়ে ঘুরে ডারলিংটন উপশহরের ভেতর দিয়ে ইউএস ওয়ান ধরে সাসকাহেনা নদীর হাইড্রো-ইলেক্ট্রিক প্লান্ট ক্রস করে রাস্তার দু’পশের অবারিত ভুট্টা ক্ষেত আর গরু ঘোড়াসহ নানা পশুর ফার্মের পাশ দিয়ে চমৎকার রাস্তা মাড়িয়ে ডেলাওয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মাঝ দিয়ে আবারো রুট ৯৫ ধরা। এরপর ডেলাওয়ার ব্রীজ পার হয়ে নিউজার্সি টার্নপাইকে না ঢুকে ২৯৫ নর্থ দিয়ে এক্সিট ৬৭ নিয়ে আবারো ইউএস ওয়ান নর্থ ধরে সোজা স্টেটেন আইল্যান্ড। একবারই টোল। এটা এ্যাভয়েড করার কোনো উপায় নেই। হয় গোথাল ব্রীজ অথবা আউটার ব্রীজ; হয় লিংকন টানেল অথবা হল্যান্ড টানেল। ১৫ ডলার খরচ না করে নিউইয়র্ক সিটিতে ঢোকার কোনো উপায় নেই। তো এই রুটে এই একবারই ১৫ ডলার টোল দিতে হয়।

মেইনে সফরের যে গল্প বলতে চেয়েছিলাম ফিরে যাই সে প্রসঙ্গে। মরীল্যান্ড থেকে বেরিয়ে বাল্টিমোর হারবার টানেলে ঢুকি না সাধারণত। টানেলের আগেই ৩৯৫ নর্থ এক্সিট নিয়ে ডাউনটাউন হারবরের পাশ দিয়ে বাল্টিমোর রোড ধরে শহরের ভেতর দিয়ে টানেল বাইপাস করে টানেলের ওপাশে আবারো রুট ৯৫-এ উঠি। এখানে ৪ ডলার বাঁচাই। আজ টানেলে ঢুকলাম। ইজি পাসে লো-ব্যালান্স দেখচ্ছে। ভেবেছিলাম টোল দিয়েই যাবো। লো-ব্যালান্স দেখানোয় সে মত বদলালাম। টানেল পার হবার পর শুরু হলো ট্রাফিক। একেবারে বাম্পার-টু-বাম্পার। সঞ্জয় চৌধুরীর গাড়ী চলে না চলে না গানের মতো। কোনোমতে দাতমুখ চেপে ঘন্টাখানেক পর এক্সিট ৭৫ নিয়ে ইউএস ওয়ানে ঢুকলাম। এ রাস্তায় আজই প্রথম। সকিনাকে অন করলাম। ঠিকানা দিলাম ডারলিংটন হাইস্কুল। ব্যাস ছোট্ট ছোট অলি গলি ঘুরিয়ে আঁকাবাঁকা পথে নিয়ে চলল সকিনা। ঘন্টাখানেক আরো লাগলো। ডারলিংটনে হারলে ডেভিডস শো-রুম এ্যান্ড সার্ভিস সেন্টারের সামনে আসার পর রাস্তা চিনতে শুরু করলাম। পরিচিত রুট। সাসকাহেনা হাইড্রো-ইলেক্ট্রিক প্লান্ট পার হয়ে ‘সিসিল’ উপশহরের শুরু। সিসিল ঢুকতেই রয়্যাল ফার্ম থেকে সবসময় ফ্রাইড চিকেন খাই তেল নেই কফি নেই। এখানে এসে রিশার বাথরুমে যাওয়া কমন। আজ প্রথম নিউইয়র্ক যাওয়ার সময় রিশা সঙ্গে নেই। গত সপ্তাহে সে তুর্নার সঙ্গে থেকে গেছে। অনেক আগের আব্দার ছিল সামার ভ্যাকেশনে এক সপ্তাহ তুর্নার সঙ্গে কাটাবে। তাই আজ এখানে থেমে শুধু তেল নিলাম।

মিনিট দশেকের যাত্রাবিরতির পর আবার শুরু। একটানা আরো ঘন্টা দেড়েক চালানোর পর ডেলাওয়্যার টার্নপাইকে ঢুকে দেখি ট্রোফিক। নদী পার হয়ে ২৯৫ ধরে একটানা অরো ঘন্টাখানেক চালানোর পর নিউজার্সির প্রিন্সটন, এডিসন ক্রস করে আউটার ব্রীজ পার হয়ে স্টেটেন আইল্যান্ড ঢুকলাম যখন তখন সাড়ে ৬টা বাজে। শহীদুলের বাসায় থাকার কথা। পথে দর্পন ও শহীদুলের সঙ্গে বেশ কবার কথা হয়েছে। কানুও একবার ফোন দিয়েছিল। সাধারণত নিউইয়র্ক যাওয়ার সময় কানুর জন্যে এক কার্টুন মার্লবরো নেই। ৬/৭ মাস ও দেশ থেকে আসার কারনে ওই অভ্যাস বদলে গেছে। কানু ফোন করেছল ওই জন্যেই। কিন্তু ততোক্ষনে আমরা নিউজার্সি।

আউটার ব্রীজ ক্রস করলাম যখন তখন প্রায় সাড়ে ৬টা বাজে। স্টেটেন আইল্যান্ড এক্সপ্রেসওয়ে আমাদের মুখস্ত। দিনের যে কোনো সময় যাইনা কেনো সেখানে ট্রাফিক পাই। সেদিনও তাই পেলাম। ভেরাজানো ন্যারো ব্রীজ পর্যন্ত যেতেই ৪০ মিনিট লাগলো। গত ৬ বছর ধরে দেখছি কাজ চলছে ঐ রাস্তায়। ভেরাজানো ব্রীজ থেকে গোথাল ব্রীজ পর্যন্ত রাস্তাটি খুব বেশী হলে মাইল সাতেক হবে। এই সাত মাইল রাস্তায় কোথাও নতুন লেন কোথাও নতুন এক্সিট তৈরী চলছে গত ৬ বছর ধরে দেখছি। ব্রীজের ওপর উঠেও দেখি একই অবস্থা। ব্রীজের মাঝখানের লেন বন্ধ। নির্মান কাজ চলছে। তাও মাস ছয়েক ধরে কাজ চলছে।

ট্রাফিক হোক আর যাই হোক; স্টেটেন আইল্যান্ড ঢুকলেই মনটার মধ্যে অন্যরকম একটা অনুভুতি আসে। তিন বছর ছিলাম দ্বীপটিতে। বাড়ীটাও এখনো আছে। তাই নিজের এলাকা মনে হয়। ভেরাজানো ব্রীজের ওপর থেকে; বিশেষ করে আপার লেভেল থেকে এক নজরে পুরো ম্যানহাটেন সিটি দেখা যায়। স্টেটেন আইল্যান্ডে যখন ছিলাম প্রতিদিন দুবার এই ব্রীজ ক্রস করতাম। সকালে অফিসে যাওয়ার সময় আর বিকালে ঘরে ফেরার সময়। তখন ব্রীজের ওপর থেকে ম্যানহাটেন কোনি অইল্যান্ড এলিস আইল্যান্ড ষ্ট্যাচু অব লিবার্টি এসব কেমন দেখা যায় তা নিয়ে মাথা ঘামায়নি। শা করে গাড়ী টেনে ব্রীজ পার হয়ে যেতাম। আপার লেভেলে ট্রাফিক দেখলে লোয়ার লেভেল নিতাম। দৈনিক একই রকম দৃশ্য দেখতাম। আজ ব্রীজের ওপর ট্রাফিক থাকায় থেমে থেমে গাড়ী চালাচ্ছি আর ডানে বামে তাকাচ্ছি। অপূর্ব লাগছে।

ডানদিকে আটলান্টিকের অথৈ অশেষ জলরাশি। বামদিকে হাডসন আটলান্টিক মোহনা। একপাশে সুরম্যা আট্টালিকার শহর বিশ্বের রাজধানী ম্যানহাটেন। অপর পাশে সবুজ আর পাহাড় ঘেরা অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মন্ডিত আমার ষ্টেটেন আইল্যান্ড। মাঝখানে ঐ আটলান্টিক-হাডসন মোহনায় এলিস দ্বীপে মশাল হাতে ষ্টাচ্যু আব লিবার্টি। ব্রীজ থেকে অসম্ভব সুন্দর রাগছে দুই ধারের দৃশ্য। ব্রুকলীন শহরের পুরো ল্যান্ডস্কেপ এক নজরে চোখে পড়ে পরিস্কারভাবে। এসব দেখতে দেখতে ট্রাফিক ঠেলে কখনযে ব্রীজ পেরিয়েছি বুঝতে পারিনি। গোয়ানিজ এক্সপ্রেসওয়ে ধরে এগিয়ে চলছি। সামনে আরেক বাঁধা রয়েছে, আমাদের সবার জানা সেটি। বিকিউই- ব্রুকলীন কুইন্স এক্সপ্রেসওয়ের ট্রাফিক। ওটাও আমাদের মুখস্থ। বিকিউই’র জ্যাম কমবেশী নিউইয়র্কবাসীর সবারই জানান। রবিবার একটু কম হয়। রামিন আগেই বলেছে আজ ট্রাফিক হবে। হলোও তাই। ট্রাফিক ঠেলতে ঠেলতে জ্যাকসনহাইটস গেলাম ৮টা নাগাদ। রিশা তুর্নাদের সঙ্গে এ্যাস্টোরিয়ায় দাওয়াত খেতে গেছে। ৩৫ এভিনিউ আর ৭২ ষ্ট্রিটের মাথায় পার্ক করে ডিজাইন ষ্টুডিও এবং ৭৩ ষ্ট্রিটসহ নানা যায়গায় খানিক্ষন আড্ডা দিলাম। সামিকে নিয়ে দর্পন ছিল সেখানে। রামিনের সঙ্গী হয়ে গেল। রাত ৯টা নাগাদ বেবী নাজনীনের গান শুনতে কুইন্স প্যালেসে গেলাম।

কুইন্স প্যালেস কানায় কানায় পূর্ন। গেটের বাইরে শ’খানেক মানুষ। কাউকে ঢুকতে দেয়া হচ্ঘছে না। কড়া পাহারা। কেউ যেনো ঢুকতে না পারে তা নিশ্চিত করতে ব্যাস্ত কুিইন্স প্যালেসের কেয়ারটেকার লোকটি। ওর নাম জানিনা কিন্তু চিনি বছর পাঁচেক ধরে। ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত পাশাপাশি বিল্ডিং এ কাজ করেছি। দু’জন দুজনের এ্যাতো পরিচিত অথচ কেউ কারো নাম জানিনা। সে আমাকে আমিগো বলে, আমিও তাকে আমিগো বলি। কেউ কারো নাম কোনোদিন জিজ্ঞেস করিনি। প্রয়োজনও হয়নি। নাম যে জানিনা তাও জানতামনা আজ এই প্রসঙ্গটি নিয়ে না লিখলে। ২০০৯ এর জুলাই থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত এটিএন বাংলায় কাজ করার সময় দৈনিক অন্তত দুবার করে আমাদের দেখা হতো। ২০১৩ সালের জুন থেকে ওয়াশিংটন ডিসি চলে আসার পর প্রায় প্রতি সপ্তাহে একবার করে যেতাম। আমিগোর সঙ্গে দেখা হলে জড়িয়ে ধরতো। অথচ আজ ২/৩ মাস পর দেখা, মনে হলো সে আমাকে দেখেও দেখলো না।

পাশের চোরা দরজা দিয়ে অনুকে ভেতরে নিয়ে গেল কেউ একজন। খানিক্ষণ বোকার মতো বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে নিজেই ওর দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম। আমিগো বলে ডাক দিলাম। জড়িয়ে ধরলো না ঠিক। কিন্তু ভীড় ঠেলে আমাকে ভেতরে নিয়ে গেল।

ভেতরেতো আয়োজকরা সব পরিচিত। সামনে নিয়ে বসাবার জন্য পীড়াপিড়ী শুরু হল। আমি কোনোভাবেই সামনে যেতে রাজী হলাম না। শেষমেষ অনুকে পেয়ে ওকে নিয়ে বসালো সবার সামনে- মঞ্চের সবচেয়ে কাছে। অনু জীবনেও সামনে বসার পাত্রী নয়; হলের ওই ওভারক্রাউড অবস্থার কারনে কোনো অপশন ছিল না।

খানিক্ষন গান শুনে রাত ১১টা নাগাদ তুর্নাদের বাসা থেকে রিশাকে তুলে জ্যামাইকা গেলাম শহীদুল লজে। ওটাই নিউইয়র্ক-এ এখন আমাদের পার্মানেন্ট থাকার যায়গা। দর্পনের পরিবারও আসলো। রান্না হল গরুর মাংস ডাল আর ভাত। রান্না চড়িয়ে দিয়ে শুরু হল মেইনে ৩ দিনের পরিকল্পনা। প্রথমদিন দ্বিতীয় দিন তৃতীয় দিন কোথায় কোথায় যাবো কি কি করবো সব। গ্রন্থনা ও পরিকল্পনায় শহীদুল ইসলাম। আলোচনায় দর্পন আর সীমা ভাবীর খুব এটা প্রাণ পাওয়া গেল না। ভাবলাম হয়তো টায়ার্ড। ঘুমাতে ঘুমাতে রাত ৩টা।

(চলবে)

 

পরের পোস্ট: ঘুরে আসুন মেইন-২

মন্তব্য ৩ পঠিত