ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

বাংলাদেশের এখন একটি বহুল পরিচিত নাম হচ্ছে পরিমল। পরিমল হচ্ছে টিন এজার মেয়েদের অভিভাবকদের আতংক। আমরা কি জানি এই পরিমলের শক্তির উৎস কি ছিল ? এই পরিমলদের শক্তির উৎস হল গোপালগঞ্জ নামক একটি জেলা। ভিকারুন্নেসা স্কুলের মত এমন একটি অভিজাত স্কুলে গোপালগঞ্জ জেলার ৬ জন হিন্দু যুবকের একসাথে নিয়োগ পাওয়া, নিয়োগ পাওয়ার সাথে সাথে সবাই কে একসাথে স্কুলের একই শাখায় নিয়োগ দেওয়া, যদিও ভিকারুন্নেসা স্কুলের বিধিমতে একই শাখায় ২ জনের বেশী পুরুষ শিক্ষকের নিয়োগ দেয়ার নিয়ম নেই, কিন্তু এই ৬ জন হিন্দু যুবকের ক্ষেত্রে এই নিয়ম মানা হয় নি। বলা হচ্ছে যে এই ৬ জন গোপালগঞ্জের হিন্দু যুবক সরাসরী বর্তমান আওয়ামী সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সুপারিশে নিয়োগ পেয়েছিল। কারণ ভিকারুন্নেসা স্কুলের দীর্ঘ ইতিহাসে কখনই কোন জেলার একই সাথে এতজনের নিয়োগ হয় নি। বুঝাই যাচ্ছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সুপারিশ ছাড়া এই নিয়োগ হয় নি। আর তাছাড়া পরিমলের মত ধর্ষকের B.C.S. ক্যাডারে প্রশাসনিক পদে নিয়োগ পাওয়াই তো প্রমাণ করে দেশের সব ভালো ভালো চাকরি, পদ গোপালগঞ্জ জেলার লোকদের দখলে। বর্তমান পুলিশ প্রশাসনের দিকে তাকালেই দেখতে পাবেন ঢাকার সকল থানার ওসির বাড়ি গোপালগঞ্জে, ঢাকার পুলিশ কমিশনার, চট্রগ্রামের পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে পুলিশের সকল লোভনীয় পদ গুলি তো গোপালগঞ্জ জেলার লোকদেরই দখলে। সাবেক সরাষ্ট্র মন্ত্রী সোহেল তাজের পদত্যাগের পিছেও ছিল এই গোপালগঞ্জ জেলার লোকদের পদায়ন প্রসঙ্গ। খালেদা জিয়া তো আর এমনি এমনি বলেননি যে দেশ শুধু মাত্র একটা জেলায় আবদ্ধ তা হলো গোপালগঞ্জ। পরিমলরা যে দীর্ঘ দিন ধরে স্কুলের মেয়েদের বিরক্ত করতো এই অভিযোগ অনেক আগেই ভিকারুন্নেসার পুণ্যবতী অধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগমের কাছে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু উনি কেন পরিমলদের কিছু বলবেন ? কারণ উনি তো আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বান্ধবী। শেখ হাসিনার এলাকার লোক হলে, উনার বান্ধবী হলে গোপালগঞ্জের লোকেরা বাংলাদেশে যত অন্যায়ই করুক তাদের সাত খুন মাফ। আর এজন্যই পুলিশ চার্জশিট থেকে শেখ হাসিনার বান্ধবীর নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ যে এত মুক্তিযোদ্ধার কথা বলে, মুক্তিযোদ্ধার চেতনা কি ছিল আঞ্চলিকতা ? শুধু এক জেলার লোকদের চাকরী দেওয়া আর বাকী দেশের লোকদের না খাইয়ে রাখা ? আপনারা দেখবেন কিছুদিন পরেই পরিমল মাননীয় রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমায় জেল থেকে মুক্তি পেয়ে আবার আমাদের মা বোনদের ধর্ষণ করতে শুরু করবে, কারণ তার খুটির জোর তো গোপালগঞ্জে। আমাদের বর্তমান রাষ্ট্রপতি তো আবার খুনী ধর্ষকদের খুবই ভালবাসেন, তাদের কষ্ট উনার সহ্য হয় না। এ রাষ্ট্রপতির কলম খালি উসখুস করে খুনী ধর্ষকদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করতে। এখন সময় এসেছে দেশের সকল লোকদের তাদের মা বোনদের সম্মান বাজাতে একসাথে এই জালেম সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার।