ক্যাটেগরিঃ স্যাটায়ার

ka_007_08-448x260

রবীন্দ্রপ্রেমী বাঙালি স্বভাবজাতভাবেই আষাঢ় শ্রাবণে একটু বেশিই বৃষ্টিবিলাসী। তাই আকাশে মেঘ গুড়গুড়ের আভাস পেলেই ঘরকুনো বাঙালির মনে কাজ ফাঁকি দিয়ে প্রিয়স্পদের সান্নিধ্যে মুখ লুকিয়ে ঝাঁল খিচুড়ি খাওয়ার ইচ্ছা কিংবা স্পেশাল কামনা বাসনার মাথা ব্যথাটা জানান দিয়ে উঠে। কাজেই বৃষ্টি সদা সর্বদা অমৃত হয়েই ধরা দেয় মেঘপ্রিয় বাঙালির কাছে।

কিন্তু আজকের সামান্য ইলশে গুড়ি বৃষ্টিটাও আমাদের এক বিশেষ বাঙালির কপালে বাংলা পাঁচরুপী ভাঁজ তুলে দিয়েছে। মরার মেঘ বৃষ্টি রাস্তার যেমন শত্রু, কথার মারপ্যাচে স্বপ্ন বিলানো মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরেরও মহাশত্রু।

এই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আজ সকাল সকালেই এই বৃষ্টির দিনে নিজের নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার বাংলাবাজার-চাপরাশিরহাট-সোনাপুর সড়কটাকেই হাঁটার জন্য বেছে নিয়েছেন। না কোনো পরিবর্তন তাঁর চোখে পড়ছে না। গেল আড়াই বছর আগে তাঁর দায়িত্ব নেওয়ার আগে যেমন ছিল তেমনি আছে মহাসড়কের হালহকিকত। তাঁর ঠিক বুঝে আসছে না, সারা বছর সাড়াশব্দ কিচ্ছু নাই, কিন্তু ঈদ আসলেই মিডিয়াগুলো মরার রাস্তা নিয়ে কেন পড়ে? বিশ্বাস করুন, তিনি খুবই চাপ অনুভব করছেন। আর সেই চাপে তাঁর শরীরে এখন ১০৩ ডিগ্রি জ্বর। তবু তাঁর রোজকার হাঁটায় বারণ নেই। তিনি হাঁটছেন। আজকে হাঁটার সঙ্গী হিসেবে কালো ছাতা মাথায় প্রথম আলোর ‘বাঘা তেঁতুল’ খ্যাত সুশীল কলামিস্ট মোজা, জুতা ও পোশাকসমেত সফেদ সৈয়দ আবুল মকসুদ না থাকলেও স্থানীয় উৎসুক জনতা ও চাটুকে নেতাকর্মীরা সাথে আছেন।

আগে পিছে গাড়ির জটলা বাঁধিয়ে মন্ত্রী বুকটা সটান করে দুই মিনিট ধরে সোজা সামনে হেঁটেই অ্যাবাউট টার্ন করলেন। সামনে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার বহু বর্ণিল ক্যামেরা। কোনো কোনো সাংবাদিককে মন্ত্রীর সাথে হেঁটে নিজেদেরই ক্যামেরার নজর কেড়ে আদেখলাপনাও করতে দেখা গেল। রাস্তা দেখার পর বরাবরের মতো মন্ত্রী পিআরও ওয়ালিদকে ফোন লাগাতে বললেন। যেমনটা স্থানীয় রাস্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অনুরোধ বা ধমক দিতেই প্রায়ই করেন তিনি। তবে আজ মন্ত্রীর সুরটা একটু ভিন্নধারায় প্রবাহিত বলে মনে হলো।

: ভাই এইটা আপনি কি করলেন। ঈদের আগে সারাদেশের মানুষের কাছে আমারে নাকানি চুবানি খাওয়াইতেছেন ঠিক আছে। কিন্তু আমার এলাকার মানুষের কাছে এইভাবে আমার মতো অধমরে ধরাশায়ী না করলেও পারতেন। মান সম্মানতো সবারই আছে? ছেঁড়া কাঁথার নীচে যারা থাকে তাদেরও যেমন সম্মানবোধ আছে, তেমনি আমি মন্ত্রী আমারও আছে। অবশ্য ছেঁড়া কাঁথাওয়ালাদের আপনার কাছে কোনো পাত্তা নাই। থাকলে আমার সড়ক মহাসড়কের সাথে ছেঁড়া কাঁথার তুলনা দিতে পারতেন না মতি ভাই। একনাগাড়ে মন্ত্রী ফোনে বলে গেলেন। সঙ্গী সাথী সাংবাদিকরা সবাই শুনল, রেকর্ডও করল, যদি পরে কাজে লাগে।

: এসব কি বলছেন, ওবায়দুল ভাই। নিউজটাকে নিউজের জায়গায় থাকতে দেন। একদিন আমার অফিস ভিজিট করেন। একসাথে চা কফি ইফতার খাওয়া যাবে। প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বললেন। শুনলেন কেবল মন্ত্রী।

: মতি ভাই আপনি লেখলেন, মন্ত্রীর এলাকার ৫০ ভাগ রাস্তা খারাপ। কিন্তু ৫০ ভাগ ভালো সে কথাটাওতো লেখতে পারতেন। আপনারা শ্লোগান দেন, যা কিছু ভালো, তার সাথে প্রথম আলো। কিন্তু কাজে কর্মে খালি নেতিবাচকতার সাথেই আপনারা থাকেন। আমি দায়িত্ব পাবার পর গেল আড়াই বছরে ৬৪ জেলার ২০৪টি উপজেলায় ৩৮১ দিন সড়ক-মহাসড়ক পরিদর্শন করে কাটিয়েছি। এক বছরেরও বেশি সময় আমি রাস্তায় কাটিয়েছি। কোনোদিন শফি হুজুরের মতো হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দেশের তেল অপচয় করিনি। প্রায় ২২ হাজার কিঃমিঃ সড়ক, ২২ হাজার ব্রিজ কালভার্ট ১৭ হাজার কর্মচারি নিয়ে আমাকে একা সামলাতে হয়। তার উপর সময়মতো বরাদ্দ পাওয়া যায়না। যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ নিজের দলের পাতানো ঠিকাদারদের মন জুগিয়ে চলতে হয়। সড়ক বিভাগের কর্মীদের কাঁচা টাকা কামানোর ধান্ধাতেও নজরদারি করতে হয়। এসব ঝক্কি ঝামেলার মধ্যেও রাস্তা ভালো করতে আমি চেষ্টা করে যাচ্ছিরে ভাই। এসব কথাতো আপনাদের মিডিয়ায় দেখতে পাওয়া যায় না। আপনিও যোগাযোগে কাজ করেন, আমিও। আমরাতো একই লাইনের মানুষ ভাই।

: ওবায়দুল ভাই, পাবলিক ডিমান্ড বা ইন্টারেস্ট একটা ব্যাপার আছে না? নেগেটিভ না দিলে পত্রিকা সাড়ে পাঁচ লাখ ছাপানো যেতো না হয়তো। আর সাড়ে পাঁচ লাখ না ছাপাতে পারলে এতো বিজ্ঞাপনও কপালে জুটত না।
কিছুটা অভিমান করেই সৌজন্যতা না দেখিয়েই ফোনটা রেখে দিলেন মন্ত্রী। বৃষ্টিতে কাকভেজা সাংবাদিকদের দিকে মনোযোগ দিলেন এবার। সাংবাদিক ভাইয়েরা আমার সাথে অবশ্যই সন্ধ্যায় ইফতার করবেন। কি নিয়ে বলব এখন আপনারা বলেন-
মাননীয় মন্ত্রী পত্রিকায় প্রকাশ, রাস্তা নিয়ে আপনি জনগণের সাথে তামাশা করছেন। একেক সময় একেকরকম কথা বলে স্বপ্নের কথা শোনাচ্ছেন। কিন্তু…

: আমি তামাশা করছি, একথা পুরোপুরি সত্য নয়, আবার সত্যও বটে। এই মেঘলা দিনে সড়ক দেখতে এসে বৃষ্টিতে ভিজলাম, আপনাদের ভেজালাম এটা মস্ত বড় তামাশা বটে। ঈদ আসলেই একটি চক্র রাস্তা নিয়ে রাজনীতি করে, আমিও রাজনীতিই করি। আমি তো কথার ফুলঝুড়িতে মানুষের স্বপ্নটা অন্তত বাঁচিয়ে রাখি। কেউতো তাও পারে না।
সাংবাদিকরা তাদের নিউজের টপ লাইন পেয়ে যাওয়ায় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে দিলেন।
কারওয়ান বাজারের সিএ ভবনের প্রথম আলো কার্যালয় খুব গরম। মন্ত্রীর ফোনে মতিউর রহমান যারপর নাই উত্তেজিত। উপসম্পাদক সোহরাব হাসানকে নিজের কক্ষে ডাকলেন সম্পাদক।

: বুঝলা সোহরাব, ওবায়দুল কাদের ভালো মানুষ বলে এতোদিন খুব ছাড় দিয়েছি। আর ছাড়া যাবে না। কাল উনার কর্মকান্ড নিয়ে একটা কড়া ভাষায় ‘কালের পুরাণে’ কলাম লিখবা। আর তুহিন সাইফুল্লাহকে বলে দাও, চট্টগ্রামের মামুন আব্দুল্লাহকে যেন অ্যাসাইন করে। ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে নিয়ে ফুল্লি নেগেটিভ নিউজ করতে হবে। লাজ্জাত মহছিকে ভালো করে ট্রিটমেন্ট দিতে বলবা। আর অফিস থেকে দ্রুততম সময়ে জিয়া ইসলাম বা সাহাদাত পারভেজ অঞ্চলকে ছবি তুলতে পাঠাও। যেসব এলাকায় মারাত্মক খানাখন্দ, গর্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ সেসব এলাকার কঠিন ছবি তোলার নির্দেশ দিয়ে দাও। আমি তামশাবাজ, স্বপ্নবাজ ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে ভালো কোনো নিউজ দেখতে চাইনা।
পরদিন প্রথম আলোর লিড নিউজ, ‘ঈদুল ফিতর হবে রাস্তাতে এবার, নিষ্কর্মা মন্ত্রীর আষাঢ়ে তর্জন-গর্জনই সার’।
সচিবালয়ে নিজ অফিসে এই নিউজ নজরে আসার পর যোগাযোগমন্ত্রী সোজা গণভবনে চলে গেলেন। মিট টু প্রাইম মিনিস্টার।

: আমি পারছি না, আমাকে মাফ করবেন মাননীয় নেত্রী।
: আপনার বিবেক কি লোপ পেয়ে গেল। ঈদের আগে এই অবস্থায় রাস্তা ঘাট ফেলে পালাবেন এ কেমন কথা। আমার কোনো সহায়তা লাগলে মুখ ফুটে বলেন। দেখি আমি কি করতে পারি।
: নেত্রী আমি থাকতে পারি, ছোট্ট একখানা শর্ত আছে। ঈদের আগে তিন দিনের জন্য প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানকে আমার যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার দিতে চাই। এবং এই সময়টা আমি ওবায়দুল কাদের প্রথম আলোর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবো।
পাশের ঘর থেকে সজীব ওয়াজেদ জয় এসে মন্ত্রীর কথাগুলো শোনেই বললেন, চাচা এসব আপনি কি বলছেন?
: হ্যাঁরে বাপু, আমি আসলে দেখাতে চাই সংবাদ মাধ্যমকে কিভাবে গণতন্ত্র, সংবিধান, আইনের শাসন, সরকারের কর্ম সম্পাদন ও জনস্বার্থে ‘ওয়াচডগ’ বা পাহারাদার হিসেবে কাজ করতে হয়। সেই সাথে মিডিয়াবাজদেরও মন্ত্রণালয়ের কর্মপন্থাটা বোঝাতে চাই। সজীব তুমি নেত্রীকে রাজী করাও।
: রাজী বা নিমরাজীর কিছু নাই। ইউ আর পারমিটেড অ্যান্ড গো এহেড।

নতুন কাজ ও নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে মতিউর রহমানের একটা সুনাম আছে। তাই ৭২ ঘণ্টার যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বটা তিনি গ্রহণ করলেন। একই সময়ের জন্য প্রথম আলো সম্পাদক হলেন হাঁটা মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

পরদিন মতি মন্ত্রীকে নিয়ে নিউজ হলো সব মিডিয়ায় ‘কথায় নয় কাজে বড় হবেন মতি মন্ত্রী’।

কিন্তু এই নিউজের ধার না ধেরে রাতেই প্রথম আলোর খন্ডকালীন নতুন সম্পাদকের কাছ থেকে দেশব্যাপি সাংবাদিকদের প্রতি নির্দেশনা গেল- কোনো ধরনের নেতিবাচক নিউজ সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে না। দেশের যেখানে যেখানে সড়ক ও জনপথের কর্মী ও ঠিকাদারেরা নিজের পকেট ভারী না করে দেশদরদী হয়ে কাজ করে সড়ক-মহাসড়ক যান চলাচলের উপযোগী রেখেছেন তাদের বংশ পরিচয়, ঠিকুজি ও কুষ্ঠী চাই। প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠা জুড়ে ছাপা হতে লাগল সেইসব কর্মবীরদের কীর্তিগাঁথা। স্থানীয় বন্ধুসভার মাধ্যমে সড়ক বিভাগের সাথে জড়িত সাদা মনের কর্মীদের সম্মাননাও দেওয়া শুরু হলো প্রথম আলোর পক্ষ থেকেই। সেইসব নীতিবান ও আদর্শবাদীদের নিয়ে দেদার নিউজ প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা হতে দেখে নীতিভ্রষ্টদের চক্ষু রীতিমতো কপালে উঠল। কারো কারো খুদে বংশধরেরা প্রশ্ন তুলতে লাগল- ‘ও বাবা, তুমিওতো সড়ক নিয়েই কাজ কর, তো তোমার ছবি পেপারে উঠে না কেন?’ এরমধ্যে ন্যায়নিষ্ঠা বা আইনের দৃষ্টিতে সমাজে যারা খারাপ, তারা ভালো কাজ করতে একটু উদ্বুদ্ধ হলো কি? কিন্তু পত্রিকার কাটতি বোধহয় কিছুটা কমল। কারণ এখানকার মানুষের মনে যুগ যুগ ধরে পোক্ত হওয়া নেগেটিভ সেন্টিমেন্ট এতো সহসাই দূরীভূত হবে এমন ভাবনাটা হয়তোবা ভুল!

এদিকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী মতিউর রহমান রুটিন ওয়ার্কের বাইরে একটা বিষয় নিয়ে গবেষণা করতে লাগলেন। তা হলো- মন্ত্রীর এতো কথা বলা, সরেজমিনে পরিদর্শন করা কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে কর্মীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরও ঈদে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে মহাসড়ক কেন যান চলাচলের উপযোগী হয় না!
প্রধানমন্ত্রী ৭২ ঘন্টা ধরে এই সিরিয়াস ড্রামা অবজার্ভ করছিলেন। শেষদিন তিনি গণভবনে ডাকলেন ওবায়দুল কাদের ও মতিউর রহমানকে। নিজে কম কথা বলে দুই দায়িত্ববানের কথা শুনলেন।

: মতি ভাই, মন্ত্রী হিসেবে আমি শুধু স্বপ্নের কথা বলি না। আপনার পত্রিকার মাধ্যমে ভালো মানুষ হয়ে উঠার স্বপ্নটাও কিছুটা দেখাতে পেরেছি হয়তো।
: ওবায়দুল ভাই, আপনার সীমাবদ্ধতাটা হারে হারে এই তিন দিনে টের পেয়েছি। সব খানে কেবল খাই খাই। কারো মধ্যেই আদর্শবাদিতা নাই। ওরা পার্টির নাম করে, দলবাজি করে সরকারী টাকার মচ্ছব করেও দিব্যি পার পেয়ে যাচ্ছে। তো এই অবস্থাটা বদলানোর দায়িত্বটা আসলে কার?
পিএম মাঝখানে ফোড়ণ কাটলেন। মতি ভাই, বদলানোর শ্লোগানতো আপনাদেরই। আসুন সবাই মিলে বদলাই।
: আমি একা আসলে কতোটা কি করতে পারি? পার্টির হাইয়ার অথরিটি থেকে শুদ্ধি অভিযানের চর্চাটা যদি না আসে? পিএমকে ইঙ্গিত করে বললেন, ওবায়দুল কাদের। আমাদের এই রাজনীতির কূটকৌশলের খেলায় সাধারণ পাবলিককে কষ্ট দেয়ার কোন অধিকার আমাদের নাই। সেজন্য আর কিছু না পারি, রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে হলেও তাদের সুন্দর স্বপ্নটাকে জাগরুক রাখি। যোগ করলেন কাদের।

: কাদের ভাই, আমরাও পাবলিককে আসান দিতে চাই। সেজন্য রাস্তা ভাঙ্গাচুড়ার খবর দিয়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষকে নাড়ির টানে বাড়ি যেতে নিরুৎসাহিত করে প্রকারন্তরে পাবলিককে ভোগান্তি থেকে রেহাই দেই।

সজীব ওয়াজেদ জয় মাঝখানে ঢুকে ভাঙ্গা বাংলায় মতিউর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলেন- ‘যোগাযোগের এমন স্বপ্ন ক্রয় বিক্রয়ের মধ্যেই পাবলিকও বাঁচে, আমরাও বাঁচি এবং আপনারাও বেঁচে থাকেন।

ফারদিন ফেরদৌস : লেখক ও সাংবাদিক
১৮ জুলাই ২০১৫
https://www.facebook.com/fardeen.ferdous
https://twitter.com/fardeenferdous