ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

১.
যারা প্রকাশ্যে যত্রতত্র শিশু বা হার্টের রোগীদের সামনে গরু জবাই করে রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়ে সেই কাটাকুটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখায়ে মনের সাধ মিটায় আর গরু না খাওয়াদের নিজের আঞ্চলিক ভাষায় গালাগাল পেরে পোস্ট দিয়ে যায় -এরা নাম্বার ওয়ান ফ্যানাটিক!

২.
খাদ্য শৃঙ্খলের সুত্র না মেনে কিছু লোক কোরবানীর বিরোধিতা করে যায়। তারা বুঝতে চান না, এসব গরু, মোষ বা ছাগল মানুষের খাবারের জন্যই পেলেপুষে বড় করা হয়েছে। যার হাড়গোড়, চামড়া, শিং, রক্ত, ভূড়ি বা যৌনাঙ্গ পর্যন্ত মানুষের জন্য উপকারী। বিদেশীরা পর্যন্ত এসবের জন্য মুখিয়ে থাকেন। অতিরিক্ত ভোগে অবশ্য সবকিছুই অনুপকারী। এই গরু যদি খাবার উপযোগী না করা যেত, সেগুলোকে নিশ্চয় সুন্দরবনে ছেড়ে দেয়া যেত না!
bogra-7
……..
মোরাল অব দ্য স্টোরি: জগৎশ্রেষ্ঠ সাম্যবাদী মহানবী (সা.) প্রবর্তিত কোরবানী প্রথা ছিল বলেই আজ সাধারণ গরীব মানুষ খানিকটা সুস্বাদু আমিষের স্বাদ পেয়েছে। তার অর্থ এই নয় যে, আপনি প্রকাশ্যে চাপাতি, ছুড়ি নিয়ে ঘুরবেন, রাস্তার উপরে দুর্বল চিত্তের বৃদ্ধ বা শিশুর সামনে পশু জবাই করে কুচিকুচি করে কাটবেন আর ইচ্ছেমতো পরিবেশ দূষণ করবেন। তারপর ভয়াল দর্শন জবাইয়ের ছবি তোলে সোশ্যালে ছেড়ে দিয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলবেন!
………….
সব ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক কৃত্যেরই ভব্যতা, সদাচার, শালীনতা, সভ্যতা ও সৌন্দর্য আছে। বোধসম্পন্নরা এটা নিশ্চিত মেনে চলেন। আর গালাগালপ্রিয় উগ্রবাদী দুর্মুখোরা এসবের ধার ধারেন না জানি।
…………..
এই দুই ধরণের ফ্যানাটিক থেকেই সাবধান। প্রভু আমাদের আরও জ্ঞান দিক। সুন্দর ও সরল জীবনের দিশা দিক।
…………..
ফারদিন ফেরদৌস
১৩.০৯.১৬!