ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

(প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে বেড়াতে গিয়ে গণ ধর্ষনের শিকার ও ভিডিও বার্তা প্রকাশ)
আজকাল গ্রামগুলোতেও নেই শান্তি। যেমন ধরুন- গত ১২ই অক্টোবর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের নীজ ভোগডাবুরী গ্রামের আজাহার আলীর কন্যা গোসাইগঞ্জ জাপানী স্কুল এÐ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী রেজিয়া সুলতানা (১৮) প্রেমিক বন্ধু প্রতিবেশী মৃত: খয়রুল ইসলামের পুত্র মামুন (২১) কে নিয়ে গোসাইগঞ্জ বন বিভাগে বেলা ১ ঘটিকার সময় বেড়াতে যায়। তখন এলাকার কয়েকজন যুবক এসে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং অশ্লিল কথাবার্তা বলে তাদেরকে নানা রকম হুমকি ধুমকি দেয়, এক পর্যায়ে তারা মেয়ের প্রেমিককে গাছে রশি দিয়ে বেধে মেয়েটিকে জোর করে দুরে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ৯ জন যুবক, মশিউর রহমান (২৫), মিজানুর (২২), রানা (২৭), নয়ন (১৯), একরামুল (২৩) ইউনুস (১৮), রহিম (২৮), শরিফুল (২১) রইসুল (২৬) আশরাফুল (২৪) পালাক্রমে মেয়েটিকে গণ ধর্ষন করে। এর পর মেয়েটিকে তার প্রেমিকার কাছে নিয়ে এসে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র করে নানা ভঙ্গিতে মেয়েটির ছবি মোবাইল ফোনে ভি ডি ও করে। ভি ডি ও করার পর যুবকদ্বয় মেয়ে ও ছেলেটিকে বলে যে কাউকে বললে তারা ভিডিও ফুটেজ বাজারে ছড়িয়ে দিবে, তখন প্রেমিক বন্ধু মামুন ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ না কারার জন্য হাত পা ধরলে ঐ যুবকদ্বয় ৫০০০/- টাকা মামুনের নিকট দাবি করে, তখন মামুন তাদেরকে বহু অনুনয় বিনয় করে ৫০০/- টাকা দিয়ে তাদের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে বাড়ী চলে যায় এবং মান সম্মানের ভয়ে কাউকে না বলে চুপচাপ থাকে । ঘটনার কয়েক দিন পর ধর্ষণ কারী দলের কে বা কাহারা এই ভিডিও ফুটেজ ব্লুটুথ শেয়ার করে বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়। তখন তাহা আশে পাশের গ্রামের ছেলেদের হাতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাহা চিলাহাটি ও গোসাইগঞ্জ বাজারসহ এলাকার যুবক ও কম্পিউটারের দোকানে পৌছে যায় । এ ব্যাপারে মেয়েটির বাবা ৯ জন কে আসামি করে ডোমার থানায় মামলা দায়ের করছে বলে যানা গেছে।

মোঃ ওমর ফারুক

২৪-১০-২০১৪ ইং