ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

বর্তমান সরকার আমাদের দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ করার জন্য উঠে পড়ে লেগে আছেন। কিন্তু আসলে ওনাদের কার্যক্রম এবং আপ্রাণ চেষ্টা কতটুকু বাস্তবায়ন হবে তা ভবিষ্যৎ বলে দেবে। কারণ আমি তো দেখতেছি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হওয়ায় দুর্নীতি আরও দ্বিগুন হারে বেড়ে গেছে। এখন দুর্নীতির ধরনও ডিজিটাল হয়েছে। যেমন ধরুন বিদ্যুৎ বিভাগ। এই বিদ্যুৎ বিভাগ আমার মনে হয় দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে। সারা দেশে তো অনিয়মে ভরপুর। আর আমাদের এলাকা দেশের এক প্রান্তে এখানকার দুর্নীতি তো আরও সুপার চ্যাম্পিয়ন। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ঘরে ঘরে ডিজিটাল মিটার। আর মিটারগুলো ডিজিটাল হওয়াতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তো পোয়া বারো। তারা ডিজিটাল মিটার প্রতি নিয়ত তো দেখেনই না। উপরন্তু ঘরে বসে বা অফিসে বসে মিটার রিডিং বাড়ান জ্যামিতিক হারে। সেই তুলনায় বিদ্যুৎ বিলও আসে ডিজিটাল হারে বেড়ে। যা সাধারন মানুষের জন্য অসাধ্য হয়ে যায় পরিশোধ করার জন্য। তারা বিদ্যুৎ জ্বালায় যদি মাসে ১০ ইউনিট তাদের বিদ্যুৎ বিলে আসে ৪০ থেকে ৫০ ইউনিট। আর সেই তুলনায় বিলও হয় অনেক টাকা। সর্বশেষে পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে ধান্দায় পড়ে থাকে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে। আর তখন কর্মকর্তf কর্মচারীদের ফুটানি আর রাখার মতো জায়গা থাকে না।

বিভিন্ন সমাজ সেবক ধনী ব্যবসায়ী নামকরা লোকজন বিদ্যুৎ জ্বালায় গরীবের চেয়ে ১০০ গুন বেশী। কিন্তু বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ তো আজীবনই করেন না। আর সেই রিডিংগুলোও ভাগে পড়ে সাধারন গরীব মানুষের উপর। তো আমিও তো একজন সাধারন গরীব মানুষ আমাকে তো বিদ্যুৎ বিল দিতে হয় মাসে মাসে নিয়মিত। তাই আমিও বাদ যাই না এই সব ডিজিটাল কান্ডকারখানা থেকে। তাই আমার কখনও কখনও মনে হয় সরকার দেশটাকে ডিজিটাল করবে কীভাবে ? আর করেই বা কি লাভ করবে ? তখন ডিজিটাল সব কর্মকান্ড তো দুর্নীতিতে হ্যাট্রিক করবে।