ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে এবং সব দেশেই বিদ্যুৎ আছে। আমি শুনেছি পৃথিবীর অনেক দেশে নাকি বিদ্যুৎ এক সেকেন্ডের জন্য হলেও বন্ধ হয় না। তারা জানে না যে, কীভাবে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়। কিন্তু আমাদের দেশে বিদ্যুৎ কীভাবে সব সময় চালু থাকে তা আমরা জানি না। তাদের এবং আমাদের মধ্যে এটুকুই শুধুমাত্র তফাৎ। তবে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের নীলফামারী জেলাধীন ডোমার উপজেলার ১ নং ভোগডাবুরী ইউনিয়নের চিলাহাটি বাজার তথা ডোমারের উত্তরের এলাকার মানুষ জন আমরা জানি বিদ্যুৎ কাকে বলে কীভাবে বিদ্যুৎ চলে যায় এবং দিন রাত ২৪ ঘন্টায় কত ঘন্টা থাকে।

আমরা জানি, ২৪ ঘন্টায় ০৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে, তাও আবার এমন ভোল্টেজ তার চেয়ে মোমবাতি ভাল। এমন করে বিদ্যুৎ জ্বালানোর পরেও মাসের শেষে বিল আসে বড় বড় কল কারখানার বিদ্যুৎ বিলের মতো। যদি আমরা মিটার রিডিং দেখি যে এ মাসে আমার মিটার রিডিং উঠেছে ২০ থেকে ৩০ ইউনিট তাহলে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৮০ থেকে ১২০ ইউনিটের। যদি প্রকৃত মিটার রিডিং এর সাথে বিদ্যুৎ বিলের রিডিং ৪/৫ গুণ বেশি না থাকে তাহলে মানায় না। কারণ আমাদের এলাকার মিটার গুলো সব ডিজিটাল এবং মিটার রিডিংও দেখা হয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসেই। বাংলাদেশের আর কোন জায়গায় ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হোক আর না হোক আমাদের এলাকার বিদ্যুৎ বিভাগে একেবারেই ১০০% ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হয়েছে। যারা বিদ্যুৎ বিল নিয়মিত পরিশোধ করার কথা জীবনেও শুনে নাই তাদের মিটার অক্ষত অবস্থায় থাকে আর যারা হয়তোবা অভাবের তাড়নায় এক মাসের বিদ্যুৎ বিল বাকী রেখেছে তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিটার নিয়ে যাওয়া হয়। তাহলে বুঝতেই পারতেছেন তাদের ঘরে ছাদ নেই। তারা তো আর ঠিক মতো খাতির সন্মান করতে পারবে না বা ঠিক মতো সেলামিটাও দিতে পারবে না। তাহলে বুঝুন অনিয়ম এবং দুর্নিতী কাকে বলে। তাই সবার কাছে আমার সবিনয়ে আবেদন থাকল কীভাবে এই অনিয়ম এবং দুর্নিতীর প্রতিকার করা যায়। আপনাদের সবার বিবেকের কাছে আমার মিনতী থাকল আপনারা ক্ষমতাধারী ব্যক্তি আছেন তারা অবশ্যই এর প্রতিকারের ব্যবস্থা নিবেন এবং সাধারন দুস্থ্য মানুষের সহযোগীতার জন্য হাত বাড়িয়ে দিবেন। যাতে আমাদের এই সম্ভাবনাময় দেশটা কমছে কম একটা বিভাগে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়।