ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

মিরপুর এলাকর ৬ তাজাপ্রাণ যুবক এভাবে গণ পিটুনিতে নিহত হলো ।দুদিন পরপর এমন অনেকেই মরছে পথে পথে মার খেয়ে গনপিটুনিতে।বাঙালি নাকি কোমল মনের।কিন্তু পথেঘাটে চোরটোর ধরা পড়লে বঙালিকে দেখলে কিন্তু তেমন মনে হয় না। অনেক বেশি নিষ্ঠুর এবং মারমুখি হয়ে ওঠে তখন। অথচ আইন নিজেদের হাতে তুলে নেওয়া অপরাধ।সত্যিকার চোর ডাকাত হলেও নিজেরা আঘাত না করে সচেতন জনগনের উচিৎ আইনের কাছে সোপর্দ করা। হয়ত বলবেন “আইনের লোকদের ওপর আস্থা নেই।ঘুষ খেয়ে ছেড়ে দিবে।”কিন্তু এই যুক্তিতে আপনি আইন অমান্য করতে পারেন না ।আর একান্ত যদি আঘাত করতেই হয় তাহলে তারও একটা সীমা থাকা উচিৎ।মারতে মারতে মেরে ফেলা কোন্ মানবতা বা যুক্তির কথা ?কোন চোরের গায়ে হাত তোলার আগে একটু ভাবুন তো যদি সে আপনার মায়ের পেটের ভাই হতো আর তাকে এভাবে জনগন ধোলাই দিত তাহলে আপনার কেমন লাগত?সে চুরি করেছে তার জন্য তার শাস্তি হোক কিন্তু তাই বলে এ ভাবে?সে চুরি করে আইন লংঘন করলে আপনি তার শরীরে আঘাত করে আইন নিজে হাতে তুলে নিয়ে তার চেয়ে বড় অপরাধ করলেন।আপনাকে যদি গণ পিটুনি দেওয়া হয় কেমন লাগবে?আমাদের বিবেক কি দিনে দিনে লোপ পাচ্ছে? আজ এই ৬ছাত্রের জন্য আমরা দুকখ প্রকাশ করছি। তারা নেশা করতে যাক বা যে জন্যই যাক তাদের জন্য দুকখ হচ্ছে।কিন্তু পথে ঘাটে প্রতিদিন বস্তির কত ছেলে যে এমন বেঘোরে প্রাণ হারাচ্চে;এভাবে আরো কত অসহায় মায়ের বুক খালি হয়ে যাচ্ছে ,তাদের জন্য অমরা কেউ কোন দিন কিছুই বলব না;একটু ভাববও না
;কোন দুকখবোধও জাগবে না তাদের জন্য ।এই অমাদের কোমল বাঙালি মন!হাহ ।…. আমাদের বোধোদয় হোক । পরকালের ভয় থাকা উচিৎ।কোন মানুষের গায়ে হাত ওঠাতে হাত কাঁপা উচিৎ।মেরে মাথা ফাটিয়ে ফেলছি অথবা রক্ত বের করে ফেলছি .হোক সে চোর বা ডাকাত কে আমাদেরকে অধিকার দিল এমন দয়ামায়াহীন আঘাতের?কোন ধর্ম বলে এমন নিষ্ঠুরতার কথা ?কোন মনুষ্যত্ শিক্ষা দেয় এমন বরবরতার?