ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

নৌপরিবহনমন্ত্রী ও তাঁর ‘অশিক্ষিত’ ড্রাইভার শিরোনামে গত ২৭/৮তারিখে প্রথম আলো পত্রিকায় একটা বিশাল নিবন্ধ ছাপে ।দীর্ঘ দিন পর আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের লিখা দেখতে পেয়ে খুব আগ্রহ নিয়েই পড়লাম।

লেখাটি পড়ে যার পর নাই বিস্মিত হলাম।তার মত মানুষের অদূরদর্শিতা বেদনাদায়কই বটে।আমাদের দেশে যতই চাকুরী সংকট থাকনা কেন শিক্ষিতরা ড্রাইভিংয়ে পেশা হিসেবে গ্রহন করতে এখনো ততটা পসন্দ করে না। এমতাবস্থায় শ্রমিকদের লাইসেন্স না দিলে এক দিকে যেমন তাদেরকে পোহাতে হবে চরম দুর্ভোগ অন্য দিকে চালক সংকটেও পড়তে হবে খুব। আর ঠিক ভাবে গাড়ি চালানোর জন্য প্রয়োজন ভাল প্রশিক্ষণ ;স্কুল সার্টিফিকেট নয়। আমাদের দেশের ড্রাইভাররা সাধারণত ছোট বেলা থেকেই গাড়িতে বেড়ে ওঠে।মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেরা কি ওদের মত অতটা কষ্ট সহিষ্ণু হতে পারবে? স্কুল সার্টিফিকেট দেখে লাইসেন্স দিলে হতে পারে গাড়ি চালানোয় অদক্ষ কোন শিক্ষিতকে লাইসেন্স দেয়ার ফলে চরম অঘটন এবং বিশৃংখলা সৃষ্টি হবে। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের লিখা পড়ে মনে হচ্ছিল যেন তিনি আমাদের শ্রমিকদেরকে মানুষই মনে করেন না।তাদের কোন মূল্যবোধই নাকি নেই। শিক্ষিত চালক যে এক্সিডেন্ট করে না এমন ক্যা কে বলবে?।আবার অনেক অশিক্ষিত চালক দিব্যি গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে যুগ যুগ।ার শিক্ষিত হলেই খুব মানবিক গুণ সম্পন্ন হয়ে যায়? প্রলেতারিতদের প্রতি সহমর্মিতার অভাব সঠিক এবং গঠন মূলক চিন্তা থেকে যেন আমাদেরকে বইমুখী না রাখে সেদিকে মনোযোগী হওয়া উচিৎ। যতই বড় বড় লেকচার ছাড়ুন না কেন আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবিদের মানবিকতার যথেষ্ট সংকট আছে।এইখানেই পার্থক্য আমাদের আর পুর্বেকার মানবতাবাদী বুদ্ধিজীবিদের।