ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

হরতালকারী পক্ষ বলেন “ জনগণের স্বতস্ফুর্ত সমর্থনে হরতাল শতভাগ সফল হয়েছে।“ আর হরতাল বিরোধী ( সরকার) পক্ষ বলেন “ জনগণের প্রত্যাখানে হরতাল ব্যর্থ হয়েছে।“ কিন্তু কারা সেই জনগণ; তাদের সমর্থন অথবা প্রত্যাখানই বা কিভাবে নির্ণয় করা হয়। ঢাকা অথবা বাংলাদেশের কয়েকটা শহরে কয়েক হাজার মানুষের সমাবেশ মিছিল মানেই কি জনগণ? এই কয়েক হাজার মানুষ ১৫ কোটি জনগণের কত অংশ? অথবা রাজধানী সহ কয়েকটা শহরের কিছু দোকানপাট বন্ধ থাকা মানেই কি সারা বাংলাদেশে কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়া? সারা দেশের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষ যারা গ্রামেগঞ্জে বাস করে তারা কি কাজকর্ম বন্ধ করে দেয়? রাজধানী বা কয়েকটা শহরের সড়কে কিছু যানবাহন না চললে কি স্বতস্ফুর্ত হরতাল হলো? যখন রেল, বিমান, নৌ ও অন্যান্য সকল যানবাহন চালু থাকে। বিশেষ করে যখন সারাদেশের মানুষ নিজ নিজ কাজকর্মে নানাভাবে চলাচল করে; তখন কতজন লোক হরতাল সমর্থন করে?

বলা হয় ঢাকা শহরে দেড় কোটি লোক বাস করে। তারা সবাই যদি হরতালে যোগ দেয়; তবুও ১৫ কোটি জনগণের ০.১% শতাংশের বেশী হয় না। তখন ও কি বলা যাবে যে হরতাল জনগণের সমর্থনে সফল হয়েছে? মূলকথা জনগণ কি চায় বা না চায় তা কি কিছু রাজনৈতিক নেতার কথা অনুসারে অথবা দাবী অনুযায়ী নির্ধারিত হবে? না জনগণকে তাদের কথা বলার সুযোগ দিতে হবে এবং জনগণের মতামত জনগণকেই প্রকাশ করতে দিতে হবে– সেই গণতন্ত্র চাই কি না সেটাই আজ সিদ্ধান্তের বিষয়। বলা হয় হরতাল করা গণতান্ত্রিক অধিকার; কিন্তু পিকেটিং, ভাঙ্গচুর এবং অগ্নি সংযোগ কি গণতান্ত্রিক অধিকার হতে পারে? হরতালের মাধ্যমে কিছু রাজনৈতিক নেতাকর্মীর বিক্ষোব মিছিলকে জনগণের মতামত প্রকাশ আখ্যা দেয়া সঠিক নয়; জনগণের মতামত দেয়ার সুষ্ঠু পদ্ধতি রাষ্ট্র ব্যবস্থায় চালু করাই হবে হরতালের বিকল্প।

আমরা বলি জনগণ সার্বভৌম; রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের মতামতই শেষ কথা। কিন্তু জনগণকে অদৃশ্য ও নিষ্ক্রিয় রেখে জনগণের নামে রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়া হয় এবং রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়। জনগণকে রাষ্ট্র ব্যবস্থায় অংশগ্রহন করতে দেয়া হয় না। জনগণ কেবল মাত্র নির্বাচনে ভোট দেয়; কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহন করতে পারে না। রাষ্ট্র ব্যবস্থায় জনগণের মতামতের প্রতিফলন হিসেবে যে সমস্ত প্রক্রিয়া ধরা হয় তা হলো — রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বক্তব্য যা মিটিং, মিছিল, সমাবেশ করে দেয়া হয় বা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়; লেখক, সাংবাদিক, কলাম লেখকদের লেখার মাধ্যমে মতামত প্রকাশ; জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা সংসদে অথবা সংসদের বাইরে দেয়া বক্তব্য। কিন্তু এরাই কি সমগ্র জনগণ; তাদের বক্তব্যই কি জনগণের মতামত? নির্বাচনে ভোট দিলেই জনগণের মতামত ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ইজারা দেয়া হয়ে যায়। অত:পর জনগণ বোবা প্রাণী বনে যায়; এবং তখন জনগণের নামে প্রতিনিধিগণ সবকিছু বলেন এবং করেন। এম পি সাহেব যা বলেন সেটাই তার এলাকার জনগণের মতামত হয়ে যায়; অথচ তিনি হয়তো মাত্র ৪০% ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাছাড়া ভোটারদের ভোটদান মানে তাদের হয়ে এম পি সাহেব পাচ বছরের জন্য সবকিছু বলা বা করার অধিকার অর্জন কি বৈধ? এমনকি দুই একজন নেতার বিবৃতিতে ১৫ কোটি জনগণের হরতালে অংশগ্রহন অথবা হরতাল বর্জন নির্ধারিত হয়ে যায়। এটা কি গ্রহনযোগ্য; এর মানেই কি গণতন্ত্র?

যেখানে জনগণের মতামত দেয়ার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত বা নেই বললেই চলে; সেখানে জনগণের নামে এই সব মিথ্যাচারকে গণতন্ত্র বলা চরম বিড়ম্বনা এবং ভ্রান্তিবিলাস। রাষ্ট্র ব্যবস্থায় জনগণের অংশগ্রহন এবং সার্বক্ষণিক মতামত দানের পদ্ধতি চালু করে জনগণের নামে চাপিয়ে দেয়া এই রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন দরকার। রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী আমরা যারা নিজেদেরকে বিবেকবান মনে করি; আমাদের ভাবতে হবে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতির গণতন্ত্রের কথা। আপামর জনগণকে ক্ষমতাহীন রেখে, ভোটের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতা হরণ করে কিছু মানুষ দ্বারা তাদেরকে শাসন-শোষণ করাকে গণতন্ত্র বলা পাপ। জনগণ সকল ক্ষমতার উত্স, প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ কথাগুলো কি কথার কথা হিসেবে সংবিধানে রয়ে যাবে? আমরা কি কোনদিন সেটা কার্যকর করার উপযুক্ত ব্যবস্থা রাষ্ট্র পদ্ধতিতে চালু করবো না? রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের ক্ষমতায়ন ও অংশগ্রহনের ব্যবস্থা না করে প্রজাতন্ত্রের মালিক বললে জনগণকে উপহাস করা হয়।

সরকারের কাছ হতে দাবী দাওয়া আদায়; সরকার বিরোধী আন্দোলনকে জোরদার করা এবং বিশেষ করে সরকার পতনের চরম অস্ত্র হিসেবে আন্দোলন, মিছিল, জনসভাসহ হরতালকে ব্যবহার করা হয়। সরকারের প্রতি জনগণের অনাস্থা জ্ঞাপনের হাতিয়ার হিসেবে সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল হরতালকে ব্যবহার করে।তাছাড়া বর্তমান সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় জনগণের মতামত তুলে ধরার পদ্ধতি হিসেবে নানা রকম সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন; বিভিন্ন পেশাজীবি ও কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক, আইনজীবি, ব্যবসায়ী ইত্যাদি সংগঠন; লেখক, সাংবাদিক এবং সংবাদ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া; রাজনৈতিক দল ও কর্মী গণ প্রভৃতি সংগঠন, দল ও ব্যক্তিগণ মিটিং. মিছিল, সমাবেশ করে বক্তব্য রাখে বা লেখালেখি করে যে গুলো ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশ করা হয়।তবে এসকল মতামত সরকার কর্তৃক বা রাষ্ট্র ব্যবস্থায় গৃহীত হওয়া না হওয়ার আইনত কোন বাধ্যবাধকতা থাকে না।জনগণের মতামত নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা জাতীয় সংসদের মাধ্যমে উত্থাপিত হলে তা গ্রাহ্যে নেয়ার বৈধ বাধ্যকতা থাকে। কিন্তু প্রচলিত জাতীয় সংসদের মাধ্যমে তা সম্ভব হয় না। কারণ সরকার গঠনকারী দলের সংসদ সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠ হয় এবং সংসদে বিরোধী দল সংখ্যালঘিষ্ঠ হওয়ায় তাদের মতামত গ্রাহ্যে নেয়া হয় না। এমনকি সংখ্যালঘিষ্ঠ হওয়ায় এবং সংবিধানে অনুচ্ছেদ ৭০ বিধির শর্তের ফলে সংসদে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতেও বিরোধী দল অপারগ হয়। ফলে বিরোধী রাজনৈতিক দল সংসদের বাইরে রাস্তায় মিটিং, মিছিল, সভা সমাবেশ ও হরতাল করে; তাদের দাবিদাওয়ার প্রতি জন সমর্থনের চেষ্টায় নানা কর্মসুচী পালন করে। আবার সেসব দমনের জন্য সরকার পুলিশী ব্যবস্থা সহ নানা ব্যবস্থা গ্রহন করে।তবে সরকার ও সরকার বিরোধীদের সকল কর্মকাণ্ডই জনগণের নামে করা হয়। উভয় পক্ষের পেশীশক্তি ব্যবহারে সমাজে সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য যার ভুক্তভোগী হয় অসহায় জনগণ।

জনগণকে জিম্মী করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত এবং ক্ষমতা দখলের প্রত্যাশীদের( বিরোধীদল) গণতন্ত্রের নামে চরম অগণতান্ত্রিক এই রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বাংলাদেশে আজ অসহনীয় অবস্থায় পৌছে গেছে। সুতরাং এই অবস্থার আশু সমাধান হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হতে পারে রাজপথে আন্দোলন এবং হরতালের বিকল্প । কিছু সংখ্যক জাতীয় সংসদ সদস্যদের দ্বারা নয়; বরং সর্বনিন্ম স্তর হতে সার্বিক জনগণের প্রতিনিধিদের দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনা পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করাই হতে পারে জনগণের অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থা। একমাত্র জাতীয় সংসদের মাধ্যমে জনগণের মতামত দান বা রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহন সম্ভব হয় না। রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সর্বস্তরের জনগণের মতামত দানের ব্যবস্থার প্রচলন করতে হলে সংসদীয় ব্যবস্থার বিকেন্দ্রায়ন করতে হবে। বাংলাদেশে ইউনিয়ন সংসদ, উপজেলা সংসদ, জেলা সংসদ, জাতীয় সংসদ এবং গণ সংসদ (ইউনিয়, উপজেলা, জেলা ও জাতীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত গণ সংসদ) ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করলে জনগণের সমস্যা সমাধানে ও রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণে জনগণের মতামত গ্রহন করার বৈধ পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হবে। সকল শ্রেণীপেশার জনগণের প্রতিনিধিদের দ্বারা স্থানীয় সংসদ ( ইউনিয়ন সংসদ, উপজেলা সংসদ, জেলা সংসদ) গঠন করলে উক্ত সংসদসমূহের মাধ্যমে সকল শ্রেণীপেশার জনগণের মতামত জাতীয় সংসদে প্রেরণ করা যাবে। তখন জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামতের পরিবর্তে সকল জনগণের মতামত উত্থাপিত হবে এবং প্রয়োজনে গণসংসদের ভোটে সিদ্ধান্ত গ্রহনের পদ্ধতির প্রচলন করলে দলীয় একনায়কত্বের অবসান হবে। স্থানীয় সমস্যা সমাধানের সিদ্ধান্ত গ্রহন সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সংসদে সকল শ্রেণীপেশার জনগণের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে করা যাবে। যে সকল সমস্যা নিন্ম সংসদের আওতার বাইরে সেগুলো পরবর্তী স্তরের সংসদে পাঠিয়ে সমাধান করা সম্ভব হবে। ইউনিয়ন স্তরের বিষয় ইউনিয়ন সংসদে; উপজেলা স্তরের বিষয় উপজেলা সংসদে; জেলা স্তরের বিষয় জেলা সংসদে এবং জাতীয় স্তরের বিষয় সমূহ জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হলে জনগণের অংশ গ্রহন মূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নিজ নিজ সংসদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে। গণতন্ত্রের বিধি অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা সর্বস্তরে সংসদ ও পরিষদ গঠন করা বিধেয় এবং পরিষদগুলোর দায়বদ্ধতা থাকবে সংশ্লিষ্ট সংসদের কাছে। শিল্পকারখানা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা সরকারি ও রেসরকারি সংস্থার শ্রমিক কর্মচারীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তাদের নিজস্ব সংগঠনের সংসদ অপারগ হলে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় ( ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা) সংসদে উপস্থাপন করতে পারবে।

স্থানীয় সংসদের(ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা,পৌর, সিটি) সদস্য হবেন সংশ্লিষ্ট এলাকার
(১) সকল পেশাজীবি(কৃষক, শ্রমিক, তাতী, জেলে, কুমোর, শিক্ষক, আইনজীবি, ডাক্তার, ইনজিনিয়ার, ব্যবসায়ী ইত্যাদি) সমিতির নির্বাচিত সভাপতিগণ।
(২) সকল সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠনের নির্বাচিত সভাপতিগণ।
(৩) সকল সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ।
(৪) সকল ধর্মের ঈমাম, পুরোহিতগণ।
(৫) সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকগণ।
(৬) সকল রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিগণ। উক্ত শ্রেণীপেশার উপজেলা ও জেলা স্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে উপজেলা সংসদ এবং জেলা সংসদ গঠন করতে হবে। পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ওয়ার্ড সংসদ সমূহ হবে ইউনিয়ন সংসদের অনুরূপ। সকল ইউনিয়ন সংসদ সদস্য, উপজেলা সংসদ সদস্য, জেলা সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত গণ সংসদে সংবিধান, বাজেট এবং কোন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনমত যাচাইয়ের জন্য ভোট গ্রহন করলে মিটিং, মিছিল, আন্দোলন,সমাবেশ, হরতাল ইত্যাদির মাধ্যমে প্রতিবাদ অথবা সরকার বিরোধী জনমত প্রকাশের বিকল্প পাওয়া যাবে এবং প্রকাশিত মতামত গ্রহন করা সরকারের জন্য বৈধ ও বাধ্যগত হবে।

ইউনিয়ন সংসদ ও উপজেলা সংসদের সমন্বয়ক হিসেবে উক্ত এলাকার এম পি সংসদের সভায় উপস্থিত থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিমালার ব্যখ্যা দেবেন এবং তার এলাকার বিষয় সমূহের ব্যাপারে জবাবদিহি করবেন।তার এলাকার স্থানীয় সংসদের আওতার বাইরের সমস্যাগুলো উপরস্থ বা জাতীয় সংসদে উত্থাপন করবেণ। জেলার সকল এম পি জেলা সংসদের সমন্বয়ক মন্ডলী হিসেবে কাজ করবেন এবং জেলার বিষয় সমূহের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিমালার ব্যাখ্যা দেবেন ও জবাবদিহি করবেন। অতএব হরতাল, মিছিল সমাবেশ নয় জনমতের ভিত্তিতেই সকল রাজনৈতিক বিষয়ের সমাধানকল্পে সংসদীয় পদ্ধতির বিকেন্দ্রায়ন করে স্থানীয় সংসদ সমূহ প্রতিষ্ঠা করাই একমাত্র সমাধান। সরকার, বিরোধীদল সহ সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবি সংগঠন সবার দাবী দাওয়া পেশ ও তা আদায়ের মাধ্যম হবে সংসদ ( স্থানীয় সংসদ সমূহ, জাতীয় সংসদ ও গণ সংসদ); রাজপথ নয়।